প্রধান শিক্ষক
২০ জুন, ২০২৬ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতার মূলভাব
‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতার মূলভাব
দিল্লির বাদশাহ আলমগীরের সন্তান এক মৌলভি সাহেবের (শিক্ষক) কাছে পড়তেন। একদিন সকালে বাদশাহ দেখতে পান যে, তাঁর পুত্র একটি পাত্র থেকে শিক্ষকের পায়ে পানি ঢালছে আর শিক্ষক নিজের হাত দিয়ে পা পরিষ্কার করছেন। শিক্ষক প্রথমে বাদশাহকে দেখে ভয় পেয়েছিলেন যে বাদশাহ হয়তো তাঁর ছেলের দ্বারা পায়ে পানি ঢালার কারণে শাস্তি দেবেন। কিন্তু বাদশাহ আলমগীর ছিলেন অত্যন্ত দূরদর্শী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি শিক্ষককে ডেকে জানান যে, তাঁর সন্তান শিক্ষকের কাছে কোনো সৌজন্যবোধ শেখেনি। বাদশাহর প্রত্যাশা ছিল— সন্তান শুধু পানি ঢালবে না, বরং নিজ হাত দিয়ে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেবে। বাদশাহ উপলব্ধি করেছিলেন যে ছাত্র শিক্ষককে যথাযথ সম্মান করতে জানে না, সে কখনো দেশ ও সমাজের আদর্শ মানুষ হতে পারে না। শিক্ষা হলো একটি জাতির মেরুদণ্ড এবং শিক্ষকরা হলেন সেই উন্নত জাতি গঠনের কারিগর। সমাজে শিক্ষকের স্থান রাজা-বাদশাহদেরও উপরে। শিক্ষকের প্রতি বিনয় ও সেবা করার মাধ্যমেই নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রকৃত দেশপ্রেম জাগ্রত হয়।
৫৩
৯২ মন্তব্য