সহকারী অধ্যাপক
২৩ জুন, ২০২৬ ০৩:৪৪ অপরাহ্ণ
অহংকারের অন্ধকার ও বিনয়ের আলোকধারা - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
অহংকারের অন্ধকার ও বিনয়ের আলোকধারা
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মানুষ জন্মে ক্ষুদ্র হয়ে,
মুঠোভরা স্বপ্ন নিয়ে,
মায়ের কোলে চোখ মেলে সে
আলো খোঁজে ধরণীতে এসে।
শূন্য হাতে আগমন তার,
শূন্য হাতেই বিদায় শেষে,
মাঝখানের এই সামান্য পথ
কেন তবে দম্ভে ভরে ওঠে?
কেন মানুষ ভুলে যায় সে
মাটির তৈরি দুর্বল প্রাণ,
কেন ভাবে—"আমিই শ্রেষ্ঠ",
আমার চেয়ে নেই মহান?
অহংকার এক ভয়ংকর আগুন,
নিভৃতে জ্বলে অন্তরে,
ধীরে ধীরে পুড়িয়ে ফেলে
মানুষকে তারই অহমের ঘোরে।
যে অহংকার সত্যকে ঢাকে,
বিবেককে করে অন্ধ,
যে অহংকার মানুষকে শেখায়
অন্য সবাই নিকৃষ্ট মন্দ।
সে অহংকার বিষের চেয়ে
আরো ভয়াল, আরো ক্ষয়,
যার ছোবলে জ্ঞান হারিয়ে
মানবতা যায় ক্ষয় হয়ে।
যে বলে—"আমি বড়",
"আমার জ্ঞানই শেষ কথা",
সে জানে না কত অজানা
রয়েছে স্রষ্টার অসীম ব্যাখ্যা।
পাহাড় যত উঁচু হোক,
মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ে,
বড় মানুষ সেই তো হয়
যে বিনয়ের আলো ধরে।
সত্য যখন দ্বারে আসে,
অহংকারী ফেরায় তাকে,
নিজের ভুল স্বীকার করতে
লজ্জা পায় সে অহমের ফাঁকে।
পরামর্শকে অবজ্ঞা করে,
জ্ঞানের দরজা রাখে বন্ধ,
তাই তো ধীরে ধীরে তার
চিন্তার আকাশ হয় ম্লান-নিস্তব্ধ।
ইবলিস ছিল ইবাদতে রত,
ছিল সে বহু জ্ঞানী,
এক মুহূর্তের অহংকারে
হারাল চিরকল্যাণের বাণী।
বলেছিল সে—"আমি উত্তম",
অগ্নি আমার সৃষ্টির মূল,
মাটির মানুষকে সিজদা করব?
এ কেমন বিধান, কেমন ভুল!
সেই অহংকার করল তাকে
রহমত হতে বহিষ্কার,
শয়তানের পথে নিক্ষেপ করল
তারই দম্ভের অন্ধকার।
ইতিহাস জুড়ে অহংকারীদের
একই পরিণতি দেখা যায়,
ক্ষমতার নেশা, সম্পদের গর্ব
শেষে ধূলিতেই মিশে যায়।
ফিরআউন বলেছিল একদিন—
"আমিই তোমাদের প্রভু মহান",
নদী, প্রাসাদ, সৈন্যবাহিনী
ছিল তার গৌরবের গান।
কিন্তু যখন এল বিচার,
ভেঙে গেল মিথ্যা আসন,
সমুদ্রের ঢেউ সাক্ষী হয়ে
দেখল তার করুণ পতন।
কারুন গর্ব করেছিল ধনে,
বলেছিল—"সব আমার জ্ঞান",
মাটির নিচে তলিয়ে গিয়ে
হারাল সে সম্মান।
অহংকার পতনের মূল—
এ কথা শুধু প্রবাদ নয়,
এটি যুগে যুগে প্রমাণিত
সত্যের অমলিন পরিচয়।
রাসুল (সা.) সতর্ক করে
উম্মতকে দিয়েছেন বাণী—
"অণু পরিমাণ অহংকার যার,
জান্নাতে তার প্রবেশ নেই।"
মানুষ তখন প্রশ্ন করল—
"সুন্দর পোশাক কি দোষের?"
উত্তরে এল সত্যের আলো,
অহংকার নয় সৌন্দর্যের।
অহংকার হলো সত্যকে অস্বীকার,
মানুষকে করা হেয়,
নিজেকে বড় ভাবার ব্যাধি,
যা হৃদয়কে করে ক্ষয়।
আল্লাহ সুন্দর, ভালোবাসেন
সৌন্দর্যের নির্মল রূপ,
কিন্তু তিনি অপছন্দ করেন
দম্ভের বিষাক্ত ধূপ।
যে দরিদ্র হয়েও অহংকারী,
যার অন্তরে দম্ভের আগুন,
সে হারায় শান্তি, হারায় মর্যাদা,
অন্ধকারে ডুবে প্রতিক্ষণ।
অহংকার মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে,
বন্ধুত্ব করে নষ্ট,
ভালোবাসার সেতু ভেঙে দেয়,
সম্পর্ক হয় ভীষণ কষ্ট।
ভাইয়ের সাথে ভাইয়ের দূরত্ব,
বন্ধুর সাথে বন্ধুর ক্ষয়,
পরিবারে অশান্তির ঝড়,
সমাজে বিভেদের ভয়।
অথচ বিনয় কত সুন্দর,
কত স্নিগ্ধ তার আলো,
যেখানে বিনয় সেখানে থাকে
মানবতার ভালোবাসা ভালো।
ফলভরা বৃক্ষ নত হয়ে থাকে,
নদী বয় নিচু পথে,
জ্ঞানী মানুষ নম্র হয়
প্রজ্ঞার মহিমাতে।
বিনয় মানুষকে বড় করে,
অহংকার করে ক্ষুদ্র,
নম্র হৃদয় জয় করে প্রাণ,
দম্ভ ডেকে আনে শূন্যতা-শূদ্র।
যে জানে—"আমি সীমাবদ্ধ",
"সবকিছু জানি না আমি",
সে-ই খুঁজে পায় জ্ঞানের আলো,
সে-ই পায় সাফল্যের ভূমি।
শিক্ষক যদি বিনয়ী হন,
শিক্ষা হয় আলোকময়,
নেতা যদি নম্র হন,
জাতি পায় উন্নতির জয়।
ধনী যদি দয়া শেখে,
গরিব পায় আশার হাত,
ক্ষমতাবান যদি নম্র হয়,
শান্তিতে ভরে সমাজমাঠ।
এসো তবে অহংকার ত্যাগ করি,
ফিরে আসি বিনয়ের দ্বারে,
মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখি
ভালোবাসার অঙ্গীকারে।
সত্যকে করি বরণ,
ভুল হলে স্বীকার করি,
অন্যের মতামতের প্রতি
শ্রদ্ধার প্রদীপ জ্বালি।
হৃদয় হতে দূর হোক দম্ভ,
মুছে যাক গর্বের ছায়া,
ভ্রাতৃত্ব, প্রেম আর সহমর্মিতায়
ভরে উঠুক মানবমায়া।
হে আল্লাহ!
আপনি হৃদয়ের গোপন কথা জানেন,
আপনি অহংকারমুক্ত পবিত্রতার
সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা ও পালনকর্তা।
আমাদের অন্তর থেকে
দূর করুন দম্ভের কালো ধোঁয়া,
দিন বিনয়ের নির্মল সৌন্দর্য,
সত্যের পথে চলার শক্তি দয়া।
যেন সম্পদে না করি গর্ব,
ক্ষমতায় না হই অন্ধ,
জ্ঞান পেয়ে না হারাই বিবেক,
না হই দম্ভে বন্দী।
যেন মানুষের সম্মান করি,
সবার প্রতি রাখি শ্রদ্ধা,
যেন নম্রতা হয় চরিত্রের অলংকার,
মানবতা হয় জীবনের সাধনা।
হে পরম করুণাময়!
অহংকার থেকে বাঁচাও,
বিনয়ের আলোয় আলোকিত করে
দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দাও।
আমিন।
***
বিনয়ের মুকুট
অহংকারের রাজ্য যত,
ততই সেখানে শূন্যতা,
বাহিরে থাকে জৌলুস অনেক,
ভেতরে থাকে নিঃসঙ্গতা।
দম্ভের প্রাসাদ আকাশ ছোঁয়,
কিন্তু ভিত্তি থাকে বালুর উপর,
সামান্য ঝড়ে ভেঙে পড়ে,
হারায় তার গৌরব-অহংকার।
বিনয় কিন্তু নীরব সাধক,
কোলাহল তার প্রিয় নয়,
সে মানুষের হৃদয় গড়ে,
সে-ই প্রকৃত বিজয়ময়।
বিনয়ী মানুষ সবার কাছে
ভালোবাসার পাত্র হয়,
তার কথাতে মাধুর্য থাকে,
তার উপস্থিতিতে শান্তি রয়।
অহংকারী চায় সম্মান পেতে,
বিনয়ী দেয় সম্মান,
তাই তো বিনয়ী মানুষের জন্য
খোলে ভালোবাসার দিগন্তপ্রাণ।
একটি কথা মনে রেখো—
পাহাড় যতই হোক মহীয়ান,
মেঘের বৃষ্টি নামতে হলে
নত হতে হয় আকাশকেও খানিকক্ষণ।
জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন
ধন-সম্পদ কিংবা খ্যাতি নয়,
শ্রেষ্ঠ অর্জন উত্তম চরিত্র,
যা মৃত্যুর পরও অম্লান রয়।
মানুষের মুখের প্রশংসা নয়,
আল্লাহর সন্তুষ্টিই বড়,
সেই লক্ষ্যে চলতে পারলে
জীবন হবে আলোকঘর।
যে বিনয়ের পথে চলে,
তার অন্তরে থাকে আলো,
তার চোখে থাকে মমতার স্রোত,
তার হৃদয় থাকে ভালো।
সে কারও প্রতি ঘৃণা পোষে না,
অন্যের দোষে হাসে না,
বরং নিজের ভুল সংশোধনে
সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকে না।
সে জানে—
সবাই ভুল করে কখনো,
সবাই শেখে ধীরে ধীরে,
মানুষ হওয়াই সবচেয়ে বড়,
গর্ব নয় জীবনের নীড়ে।
এসো তবে আমরা সবাই
নিজেকে আগে চিনতে শিখি,
নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝে
বিনয়ের প্রদীপ হাতে রাখি।
হিংসা নয়, ভালোবাসা হোক,
ঘৃণা নয়, সহমর্মিতা,
অহংকার নয়, বিনয় হোক
আমাদের জীবনের নিত্যগাথা।
শিশুরা শিখুক নম্রতা,
যুবকেরা শিখুক শুদ্ধ চরিত্র,
বৃদ্ধেরা হোক প্রজ্ঞার আলো,
সমাজ হোক কল্যাণমিত্র।
বিদ্যালয়ে শিক্ষা হোক
জ্ঞান আর বিনয়ের সমন্বয়,
পরিবারে গড়ে উঠুক
শ্রদ্ধা-স্নেহের মহাবিজয়।
রাষ্ট্রে থাকুক ন্যায় ও ইনসাফ,
সমাজে থাকুক সম্প্রীতি,
মানুষ মানুষকে ভালোবেসে
গড়ুক শান্তির নতুন স্মৃতি।
হে আল্লাহ!
আপনি অহংকারমুক্ত পবিত্রতার
অসীম উৎস ও আলো,
আমাদের অন্তরকে করুন নির্মল,
করুন সত্যপ্রেমে ভালো।
যেন কখনো কাউকে তুচ্ছ না করি,
কাউকে হেয় না ভাবি,
যেন আপনার সৃষ্টির মর্যাদা রক্ষা করে
মানবতার পথে চলতে পারি।
যেন জ্ঞান পেয়ে কৃতজ্ঞ হই,
ক্ষমতা পেয়ে ন্যায়পরায়ণ,
সম্পদ পেয়ে দানশীল হই,
সম্মান পেয়ে হই বিনয়বান।
যেন মৃত্যু আসার আগে
নিজেকে শুদ্ধ করতে পারি,
অহংকারের অন্ধকার পেরিয়ে
বিনয়ের আলোয় ভাসতে পারি।
আপনার রহমতের ছায়াতলে
শেষ হোক জীবনের পথচলা,
আর আখিরাতের অনন্ত ভুবনে
মিলুক শান্তির শ্রেষ্ঠ ঠিকানা।
আমিন, ইয়া রাব্বাল আলামিন।
***
অহংকারের অবসান, বিনয়ের জয়
যুগে যুগে যত অন্ধকার
মানুষের প্রাণে নেমে আসে,
অহংকার তার অন্যতম,
নীরব বিষের মতো ভাসে।
সে আসে না তলোয়ার হাতে,
আসে না কোনো যুদ্ধ সাজে,
সে আসে শুধু মনের মাঝে
মিথ্যা শ্রেষ্ঠত্বের লাজে।
ধীরে ধীরে গ্রাস করে সে
বিবেক, বুদ্ধি, শুভবোধ,
মানুষ তখন মানুষ নয়,
স্বার্থপরতার বন্দী রোধ।
সে দেখে শুধু নিজের মুখ,
অন্যের দুঃখ দেখে না,
নিজের গৌরব গাইতে গাইতে
মানবতার গান শেখে না।
কিন্তু স্রষ্টার এই দুনিয়াতে
চিরস্থায়ী কিছুই নয়,
অহংকারের অট্টালিকা
একদিন ধূলিসাৎ হয়।
আজ যে রাজা সিংহাসনে,
কাল সে স্মৃতির পৃষ্ঠায়,
আজ যে ধনী গর্বে মত্ত,
কাল সে নিঃশব্দ বিস্মৃতির ছায়ায়।
আজ যে জ্ঞানী অহমে ভরে
অন্যকে করে তুচ্ছজ্ঞান,
কাল সে বুঝে—সাগরের কাছে
এক বিন্দু তার জ্ঞান।
কারণ মানুষ যতই জানুক,
অজানার পথ আরও দূর,
আকাশ যতই মাপতে চায়,
সীমাহীন থাকে নীল সুর।
তাই জ্ঞানীর প্রথম পরিচয়—
সে বিনয়ী, সে নম্র প্রাণ,
নিজের সীমা বুঝতে জানে,
স্রষ্টার সামনে করে অবনত মস্তকদান।
বিনয় যেন নির্মল শিশির,
ভোরের ঘাসে ঝরে পড়ে,
নীরবে সে জীবন জাগায়,
প্রাণে প্রশান্তি ভরে।
বিনয় যেন নদীর ধারা,
নিচু পথে চলে যায়,
তাই তো সে জনপদ জুড়ে
সবুজের আশীর্বাদ ছড়ায়।
বিনয় যেন ফলভরা শাখা,
নত হয়ে থাকে চুপ,
অহংকারের শূন্য ডাল
শুধুই তোলে শব্দরূপ।
যে মানুষ বিনয়কে বেছে নেয়,
সে কখনো ছোট হয় না,
মানুষের হৃদয়ের সিংহাসনে
তার স্থান হারায় না।
সে ক্ষমা করতে শেখে,
সে ভালোবাসতে জানে,
সে অন্যের সুখে হাসতে পারে,
অন্যের ব্যথায় টানে।
সে জানে—
সকল মানুষ একই মাটির,
একই রবের সৃষ্টি,
কেউ বড় নয় জন্মগত,
তাকওয়াতেই শ্রেষ্ঠ দৃষ্টি।
রাসুলের শিক্ষা এই তো ছিল,
নম্রতায় মহত্ত্ব খোঁজো,
মানুষকে ভালোবাসো সবাই,
সত্যের পথে নিজেকে রোজো।
সাহাবিগণ সেই শিক্ষা নিয়ে
আলোকিত করেছেন ধরাতল,
বিনয়ের শক্তিতে জয় করেছেন
অসংখ্য হৃদয়, অগণন মনোজ্বল।
আজও যদি পৃথিবী চায়
শান্তি, সম্প্রীতি, কল্যাণ,
তবে অহংকার ত্যাগ করে
গ্রহণ করতে হবে বিনয়ের জ্ঞান।
পরিবারে চাই বিনয়,
বিদ্যালয়ে চাই বিনয়,
কর্মক্ষেত্রে চাই বিনয়,
রাষ্ট্রনীতিতেও চাই বিনয়।
বিনয় থাকলে শ্রদ্ধা বাড়ে,
বিনয় থাকলে প্রেম,
বিনয় থাকলে ভাঙা হৃদয়
খুঁজে পায় আশার হেম।
অহংকার দেয় বিভেদ,
বিনয় আনে ঐক্য,
অহংকার দেয় সংঘাত,
বিনয় আনে সৌভ্রাতৃত্ব।
তাই এসো, হে মানবসমাজ,
নতুন এক শপথ করি,
অহংকারের কালো শৃঙ্খল
চিরতরে ভেঙে ফেলি।
নিজের ভুলকে স্বীকার করি,
সত্যকে করি সম্মান,
মানুষকে মানুষ ভেবে দেখি,
এই হোক জীবনের জ্ঞান।
হে আল্লাহ!
আপনি হৃদয়ের খবর জানেন,
গোপন অহম, গোপন বাসনা,
সবই আপনার সামনে প্রকাশমান।
আমাদের অন্তরে যদি থাকে
দম্ভের ক্ষুদ্রতম কণা,
আপনার রহমতের জলে ধুয়ে
করুন তা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত সোনা।
আমাদের দিন বিনয়ের সৌন্দর্য,
কৃতজ্ঞতার উজ্জ্বল আলো,
সত্যকে ভালোবাসার শক্তি,
মানবসেবার হৃদয় ভালো।
যেন মর্যাদা পেয়ে গর্বিত না হই,
সম্পদ পেয়ে উদ্ধত না হই,
জ্ঞান পেয়ে আত্মভোলা না হই,
ক্ষমতা পেয়ে জালিম না হই।
যেন মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত
আপনারই পথে চলি,
বিনয়ের পাখায় ভর করে
সফলতার বন্দরে পৌঁছি।
শেষে যখন জীবনসূর্য
ডুবে যাবে অস্তরাগে,
তখন যেন আপনার রহমত
আমাদের ঘিরে থাকে।
আর অনন্ত আখিরাতের ভুবনে
মিলুক শান্তির ঠিকানা,
অহংকারমুক্ত নির্মল হৃদয় নিয়ে
দেখি জান্নাতের সোনার মালা।
আমিন, ইয়া রাব্বাল আলামিন
৭
৭ মন্তব্য