দেশের সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা এখন থেকে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নের পরিবর্তে অভিন্ন বা একই প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে, যেন সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একই মানদণ্ড ও সমতা নিশ্চিত করা যায় এবং ভিন্ন ভিন্ন বোর্ডের প্রশ্নকাঠিন্য নিয়ে কোনো বিতর্ক না থাকে।
অভিন্ন প্রশ্নপত্রের তাৎপর্য ও লক্ষ্য
- শিক্ষায় সমতা ও স্বচ্ছতা: বিভিন্ন বোর্ডের মধ্যে প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে যে বৈষম্য ছিল (কোনো বোর্ড তুলনামূলক সহজ বা কঠিন প্রশ্ন করে থাকে), তা দূর হবে।
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড: উন্নত বিশ্বের 'ও' এবং 'এ' লেভেল পরীক্ষার মতো বাংলাদেশেও একটি অভিন্ন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
- প্রতিযোগিতার অবসান: বিভিন্ন বোর্ডের মধ্যে পাসের হার বাড়ানোর জন্য অসুস্থ প্রতিযোগিতার প্রবণতা হ্রাস পাবে।
- প্রশ্নফাঁসের ঝুঁকি: কেন্দ্রীয়ভাবে অভিন্ন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা。
- সঠিক প্রস্তুতি: এ পদ্ধতি পুরোপুরি সফল করতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও সুরক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
১৪
২৪ মন্তব্য