Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ জুন, ২০২৬ ০৪:৩১ পূর্বাহ্ণ

কপটতার মুখোশ ও নাজাতের প্রার্থনা - মোঃ মুজিবুর রহমান


কপটতার মুখোশ ও নাজাতের প্রার্থনা

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

মানুষের মুখে হাসি থাকে,
অন্তরে কত গোপন ক্ষত—
কে-ই বা দেখে সেই ব্যথার নদী,
কে-ই বা শোনে নীরব রাত্রির রুদ্ধ কান্নার শব্দ?

কতজন আছে—
হাসতে হাসতে হৃদয় ভাঙে,
মিষ্টি কথার আবরণে
বিশ্বাসের বাগানে বিষের বীজ বুনে যায়।

কতজন আছে—
ধর্মের ভাষা বলে,
সততার গল্প শোনায়,
কিন্তু সুযোগ পেলে
অন্যের অশ্রু দিয়ে গড়ে নিজের সুখের প্রাসাদ।

যে মানুষ
অন্যকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে
নিজে আনন্দে ভেসে বেড়ায়—
সে কি সত্যিই মানুষ?

যে মানুষ
অন্যের অনিদ্রার কারণ হয়ে
নিজে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ে—
তার বিবেক কি কখনো জেগে ওঠে?

যে মানুষ
অন্যের চোখের জলকে
নিজের লাভের সিঁড়ি বানায়,
সে কি মনুষ্যত্বের পূর্ণ অর্থ জানে?

যে মানুষ
বিশ্বাস ভেঙে সম্পদ কেড়ে নেয়,
বন্ধুত্ব ভেঙে স্বার্থ গড়ে,
আস্থার প্রদীপ নিভিয়ে
অন্ধকারের উৎসব করে—
সে কি প্রকৃত সফল?

না, কখনো নয়।

দুনিয়ার আদালত
অনেক সময় নীরব থাকে;
প্রমাণের অভাবে অপরাধী মুক্তি পায়,
ক্ষমতার কাছে সত্য মাথা নোয়ায়।

কিন্তু এক আদালত আছে—
যেখানে কোনো সাক্ষীকে কিনে নেওয়া যায় না,
কোনো বিচারককে প্রভাবিত করা যায় না,
কোনো সত্যকে চাপা দেওয়া যায় না।

সেখানে
অশ্রুরও ভাষা আছে,
দীর্ঘশ্বাসেরও সাক্ষ্য আছে,
নিঃশব্দ কান্নারও মূল্য আছে।

সেখানে
একটি অন্যায়ও হারিয়ে যায় না,
একটি প্রতারণাও বিস্মৃত হয় না,
একটি আমানতের হিসাবও বাদ পড়ে না।

হে মানুষ,
লেবাসে নয়—
চরিত্রে সৌন্দর্য খোঁজো।

বাক্যে নয়—
কর্মে সত্যতা গড়ো।

দীর্ঘ দোয়ার চেয়েও মূল্যবান
অন্যের প্রাপ্য ফিরিয়ে দেওয়া।

উচ্চ কণ্ঠের ওয়াজের চেয়েও মূল্যবান
এক ফোঁটা সত্যবাদিতা।

হে প্রতারক,
আজ যদি কেউ তোমাকে ভয় পায়,
আগামীকাল সময় তোমাকে প্রশ্ন করবে।

আজ যদি কেউ নীরব থাকে,
আগামীকাল বিবেক কথা বলবে।

আজ যদি তুমি হাসো,
আগামীকাল কর্মের আয়নায়
নিজেকেই দেখতে হবে।

আর হে নির্যাতিত,
হতাশ হয়ো না।

অন্ধকার যত গভীর হয়,
ভোর তত নিকটে আসে।

মেঘ যত ঘন হয়,
সূর্যের আলো তত উজ্জ্বল হয়ে ফিরে আসে।

অশ্রু যত নির্মল হয়,
আল্লাহর রহমত তত নিকটবর্তী হয়।

তাই প্রতিশোধ নয়—
ন্যায়বিচারের অপেক্ষা করো।

অভিশাপ নয়—
হেদায়াতের দোয়া করো।

ঘৃণা নয়—
নিজেকে সত্যের পথে অটল রাখো।

আর যদি কেউ
তোমার অর্থ কেড়ে নেয়,
সম্মান ক্ষুণ্ন করে,
বিশ্বাস ভেঙে দেয়,
তবুও আল্লাহর প্রতি আস্থা হারিয়ো না।

কারণ
যিনি রিজিক দেন,
তিনি হারানো রিজিকেরও উত্তম প্রতিদান দিতে সক্ষম।

যিনি হৃদয় ভাঙতে দেখেন,
তিনি হৃদয় জোড়াতেও সক্ষম।

যিনি অন্যায় দেখেন,
তিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠায়ও সর্বশক্তিমান।

তাই এসো,
দুই হাত তুলে বলি—

হে আল্লাহ!
আমাদের অন্তরকে কপটতা থেকে পবিত্র করুন।

আমাদের জিহ্বাকে মিথ্যা থেকে রক্ষা করুন।

আমাদের হাতকে অন্যায়ভাবে কারও সম্পদের দিকে বাড়তে দেবেন না।

আমাদের চোখকে লোভ থেকে,
আমাদের মনকে অহংকার থেকে,
আমাদের জীবনকে জুলুম থেকে মুক্ত রাখুন।

হে পরম দয়াময়,
যারা মানুষকে কাঁদিয়ে নিজের সুখ খোঁজে,
তাদের অন্তরে সত্যের আলো জাগিয়ে দিন।

যারা অন্যের হক নষ্ট করেছে,
তাদের তওবা ও সংশোধনের তাওফিক দিন।

আর যারা নিরবে কেঁদেছে,
যারা প্রতারণায় নিঃস্ব হয়েছে,
যারা বিশ্বাস হারিয়ে একাকী পথ চলেছে—
তাদের আপনি ধৈর্য, সম্মান, নিরাপত্তা ও উত্তম প্রতিদান দান করুন।

হে আল্লাহ,
আমাদের এমন বন্ধু দিন
যার অন্তর স্বচ্ছ নদীর মতো।

এমন সঙ্গী দিন
যার কথায় ও কাজে মিল থাকে।

এমন প্রতিবেশী দিন
যার উপস্থিতিতে নিরাপত্তা জন্মায়।

এমন আত্মীয় দিন
যার ভালোবাসায় স্বার্থের ছায়া না থাকে।

এমন সমাজ দিন
যেখানে মানুষের মর্যাদা অর্থের চেয়ে বড় হয়।

হে রব্বুল আলামীন,
কপট মানুষের প্রতারণা,
জালেমের জুলুম,
প্রতারকের ছলনা,
লোভীর লালসা
এবং বিশ্বাসঘাতকের আঘাত থেকে
আমাদের নিরাপদ রাখুন।

আমাদের হালাল রিজিক দিন,
বরকতময় জীবন দিন,
সৎ বন্ধু দিন,
নেক আমলের তাওফিক দিন।

আমাদের এমন মৃত্যু দিন
যাতে আপনার সন্তুষ্টি থাকে,
এবং এমন পরিণতি দিন
যেখানে লজ্জা নয়, শান্তি থাকবে;
অন্ধকার নয়, নূর থাকবে;
হিসাবের ভয় নয়,
আপনার রহমতের ছায়া থাকবে।

আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।

***

কপটতার মুখোশ ও নাজাতের মিনতি

ভোরের শিশির যেমন
নিঃশব্দে ঝরে পড়ে ঘাসের বুকে,
তেমনি কত অশ্রু ঝরে
অদেখা মানুষের চোখের কোণে।
সে অশ্রুর শব্দ কেউ শোনে না,
কেবল আকাশ শোনে,
কেবল মহান রবের আরশ পর্যন্ত
পৌঁছে যায় তার নীরব আর্তনাদ।

মানুষের ভিড়ে মানুষ খুঁজি—
কত মুখ, কত পরিচয়,
কত আপন বলে ডাকা নাম,
কত মধুর সম্ভাষণ!
তবু সব হাসি কি সত্যের আলোয় দীপ্ত?
সব করমর্দন কি বিশ্বস্ততার অঙ্গীকার?
সব ধর্মীয় লেবাস কি তাকওয়ার পরিচয়?

না—
চোখ যা দেখে,
হৃদয় তার সবটুকু জানে না।

কখনো কেউ
স্নেহের ভাষায় কাছে আসে,
বিশ্বাসের প্রদীপ জ্বালে,
তারপর একদিন
সেই প্রদীপেই আগুন ধরিয়ে
পুড়িয়ে দেয় সম্পর্কের বনানী।

কেউ কেউ
মিষ্টি বাক্যের আড়ালে
স্বার্থের ধারালো অস্ত্র লুকিয়ে রাখে।
তাদের হাসি ফুলের মতো,
কিন্তু অন্তর কাঁটার চেয়েও কঠিন।

যে মানুষ
অন্যকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে
নিজে সুখের তীরে বসে,
সে কি সত্যিই সুখী?

যে মানুষ
অন্যের অনিদ্রার কারণ হয়ে
নিজে নিশ্চিন্তে রাত্রি কাটায়,
তার বিবেক কি একবারও
নিজের কাছে জবাব চায় না?

যে মানুষ
অন্যের কপোল ভেজানো অশ্রুকে
নিজের সম্পদের মূল্য মনে করে,
সে কি মনুষ্যত্বের পাঠ শিখেছে?

হয়তো সে পৃথিবীর চোখে সফল,
কিন্তু আসমানের বিচারে?

যেখানে কোনো সাক্ষী হারায় না,
কোনো দলিল নষ্ট হয় না,
কোনো দীর্ঘশ্বাস বিস্মৃত হয় না—
সেই মহাবিচারের দিনে
কী উত্তর দেবে সে?

হে মানুষ,
মনে রেখো—
ইবাদতের সৌন্দর্য
মানুষের হক আদায় ছাড়া পূর্ণ হয় না।

নামাজ হৃদয়কে পবিত্র করে,
রোজা প্রবৃত্তিকে সংযত করে,
যাকাত সম্পদকে শুদ্ধ করে;
কিন্তু অন্যের অধিকার হরণ করলে
সেই ইবাদতের আলোও ম্লান হয়ে যায়।

অন্যকে কাঁদিয়ে
জান্নাতের আশা করা—
এ কেমন স্বপ্ন?

অন্যের আমানত নষ্ট করে
পরকালের মুক্তি চাওয়া—
এ কেমন প্রত্যাশা?

যে হাত অন্যায়ে বাড়ে,
সে হাত দোয়ায় উঠলেও
প্রথমে প্রয়োজন তওবা,
প্রয়োজন হক ফিরিয়ে দেওয়া,
প্রয়োজন অনুতপ্ত হৃদয়।

আর যে হৃদয়
অন্যায় সহ্য করে কেঁদেছে,
যে মানুষ প্রতারণায় নিঃস্ব হয়েছে,
যে বিশ্বাসের বিনিময়ে বেদনা পেয়েছে—
সে যেন হতাশ না হয়।

কারণ
অন্ধকার যত দীর্ঘই হোক,
সূর্য তার আলো ফিরিয়ে আনে।

শীত যত কঠিনই হোক,
বসন্ত তার ফুল নিয়ে ফিরে আসে।

অশ্রু যত গভীরই হোক,
আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বিস্তৃত।

তাই আমি বলি—

হে আল্লাহ!
আপনি আমাদের অন্তরকে সত্যের আলোয় উদ্ভাসিত করুন।
কপটতা, অহংকার, লোভ ও প্রতারণা থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

হে পরম করুণাময়!
যারা অন্যের অর্থ আত্মসাৎ করে,
যারা বিশ্বাস ভেঙে মানুষকে নিঃস্ব করে,
যারা হাসিমুখে কষ্ট বিলিয়ে বেড়ায়—
তাদের হৃদয়ে হেদায়াতের আলো দিন।
যদি তারা ফিরে আসে, তাদের ক্ষমা করুন;
আর যদি জুলুমে অটল থাকে,
আপনার ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করুন।

হে রব্বুল আলামীন!
আমাদের এমন চরিত্র দিন,
যাতে আমাদের কারণে
কোনো চোখ অশ্রুসিক্ত না হয়।

আমাদের এমন জিহ্বা দিন,
যা সত্য বলে,
এমন হাত দিন,
যা আমানত রক্ষা করে।

আমাদের এমন হৃদয় দিন,
যা ক্ষমা করতে জানে,
তবু অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না।

আমাদের এমন ঈমান দিন,
যা সুখে কৃতজ্ঞ,
দুঃখে ধৈর্যশীল,
অভাবেও সৎ,
প্রাচুর্যেও বিনয়ী।

হে আল্লাহ!
কপট মানুষের প্রতারণা,
জালিমের জুলুম,
লোভীর লালসা,
বিশ্বাসঘাতকের আঘাত
এবং অন্যায়ভাবে অর্থ ও সম্মান হারানোর সব বিপদ থেকে
আমাদের নিরাপদ রাখুন।

আমাদের রিজিকে বরকত দিন,
অন্তরে প্রশান্তি দিন,
জীবনে হালাল প্রাচুর্য দিন,
আমলকে কবুল করুন।

শেষ মুহূর্তে আমাদের ঠোঁটে
থাকুক আপনার স্মরণ,
হৃদয়ে থাকুক আপনার প্রতি পূর্ণ ভরসা,
আর পরকালে আমাদের আশ্রয় হোক
আপনার অসীম রহমতের ছায়ায়,
জান্নাতুল ফিরদাউসের শান্তিময় বাগানে।

আমীন, ইয়া আরহামার রাহিমীন।

***

কপটতার মুখোশ ও নাজাতের প্রার্থনা

নদী যেমন নীরবে বয়ে চলে
অগণিত পাথরের বুক ছুঁয়ে,
তেমনি মানুষের জীবনও
কত আঘাত, কত প্রতারণা, কত দীর্ঘশ্বাস
নীরবে বহন করে।

কেউ দেখে না—
অন্তরের ক্ষত কত গভীর;
কেউ শোনে না—
রাতের নির্জনতায়
বালিশ ভেজানো কান্নার ভাষা।

হাসিমুখের আড়ালে
কত নিঃস্ব মানুষ,
কত ভাঙা স্বপ্ন,
কত অপমানের ইতিহাস
অলিখিত থেকে যায়।

কতজন আসে
ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি নিয়ে,
বিশ্বাসের হাত বাড়িয়ে;
তারপর একদিন
স্বার্থের মোহে
সেই হাতই হয়ে ওঠে
অবিশ্বাসের শৃঙ্খল।

যে মানুষ
অন্যের দুঃখকে নিজের লাভের সিঁড়ি বানায়,
অন্যের অশ্রুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে,
অন্যের হক গ্রাস করে হাসে—
সে কি সত্যিই জয়ী?

না,
জয় সম্পদের নয়;
জয় চরিত্রের।

জয় ক্ষমতার নয়;
জয় ন্যায়ের।

জয় বাহ্যিক লেবাসের নয়;
জয় অন্তরের তাকওয়ার।

মনে রেখো—
মানুষের চোখ ফাঁকি দেওয়া যায়,
কিন্তু আল্লাহর দৃষ্টি থেকে
কোনো কর্ম আড়াল থাকে না।

একদিন
সব হিসাব খুলে যাবে।

যে অশ্রু মাটিতে পড়েছিল,
তা সাক্ষ্য দেবে।

যে দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর বন্দী ছিল,
তা ভাষা পাবে।

যে আমানত আত্মসাৎ করা হয়েছিল,
তার দাবিদার উপস্থিত হবে।

সেদিন
ধন-সম্পদ নয়,
ক্ষমতা নয়,
অহংকার নয়—
শুধু সত্যই কথা বলবে।

তাই হে মানুষ,
কাউকে কাঁদিয়ে সুখ খুঁজো না।

কাউকে নিঃস্ব করে
নিজেকে ধনী ভাবো না।

কাউকে অপমান করে
নিজেকে সম্মানিত মনে করো না।

কারণ
অন্যের হৃদয় ভাঙা
কাবা ভাঙার চেয়েও ভয়ংকর—
যদি তা অন্যায়, জুলুম ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে হয়।

এসো,
আমরা নিজেদেরই বিচার করি
বিবেকের আয়নায়।

আমার কথায় কি কেউ আহত হয়েছে?

আমার কারণে কি
কারও রাত নির্ঘুম কেটেছে?

আমার লোভে কি
কারও অধিকার নষ্ট হয়েছে?

যদি হয়ে থাকে—
আজই ফিরে আসি।

ক্ষমা চাই,
হক ফিরিয়ে দিই,
অন্যায় থেকে তওবা করি।

কারণ
ফিরে আসার দরজা
সূর্য পশ্চিমে উদিত হওয়ার আগে পর্যন্ত
রহমতের আলোয় উন্মুক্ত।

হে পরম দয়াময় আল্লাহ!

আমাদের এমন হৃদয় দিন,
যা প্রতারণা জানে না।

এমন বিবেক দিন,
যা অন্যায়ে নীরব থাকে না।

এমন চরিত্র দিন,
যা মানুষের আস্থাকে সম্মান করে।

এমন ঈমান দিন,
যা দুঃখে ধৈর্যশীল,
সুখে কৃতজ্ঞ,
ক্ষমতায় বিনয়ী,
সম্পদে উদার,
আর প্রতিটি কাজে
আপনার সন্তুষ্টিকেই সর্বোচ্চ লক্ষ্য মনে করে।

হে আল্লাহ!

কপটতার অন্ধকার থেকে
আমাদের অন্তরকে মুক্ত করুন।

লোভের শৃঙ্খল ছিন্ন করুন।

অন্যের হক নষ্ট করার প্রবৃত্তি
আমাদের অন্তর থেকে মুছে দিন।

যারা জুলুমের শিকার,
তাদের ধৈর্য দিন।

যারা অন্যায় করেছে,
তাদের সত্যিকার তওবার তাওফিক দিন।

আর আমাদের সবাইকে
আপনার ন্যায়, রহমত ও ক্ষমার ছায়ায়
এমন জীবন দান করুন,
যাতে দুনিয়ায় শান্তি
এবং আখিরাতে জান্নাতুল ফিরদাউস
আমাদের চিরস্থায়ী আবাস হয়।

মন্তব্য করুন