সহকারী অধ্যাপক
২৯ জুন, ২০২৬ ০৪:২৭ অপরাহ্ণ
জিহ্বার হেফাজত - মোঃ মুজিবুর রহমান
জিহ্বার হেফাজত
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
বুকের মাঝে ঈমান যদি জ্বলে নূরের দীপ,
জিহ্বার বাণী হবে তবে সত্যের মধুর সিপ।
মুখের কথা ফুলের মতো সুবাস ছড়াক ধরা,
কারো প্রাণে কাঁটা হয়ে না-ই বা বিঁধুক ধরা।
একটি কথা গড়তে পারে হৃদয়েরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সুখের ক্ষেত্র।
একটি বাক্য জাগায় আশা, মুছে শত অশ্রুধারা,
একটি বাক্য আগুন হয়ে পোড়ায় সংসার সারা।
হে মানুষ! জিহ্বা তোমার অমূল্য এক দান,
এই জিহ্বাতেই প্রকাশ পায় হৃদয়ের পরিচয়-জ্ঞান।
এই জিহ্বাতেই কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াত,
এই জিহ্বাতেই ওঠে আবার বিষের মতো আঘাত।
কখনো যদি মুখের ভাষা দয়ার নদী হয়,
শুষ্ক প্রাণে শান্তি নামে, মুছে শত সংশয়।
আর যদি সে জিহ্বা ছুটে অহংকারের তরে,
ভেঙে দেয় সে ভালোবাসার অমূল্য বন্ধন ঘরে।
গালমন্দের বিষাক্ত ভাষা আগুনেরই শিখা,
একটি বাক্য জীবনভর বয়ে আনে দুঃখ-দীঘা।
মানুষকে ছোট করলে যে, বড় হওয়া নয়,
নম্র ভাষায় জয় করা হৃদয়—সেটাই সত্যময়।
গীবত কত ভয়ংকর এক অদৃশ্য কালো ক্ষয়,
অজান্তেই সে পাপের বোঝা বুকের ওপর রয়।
যার কথা সে শুনছে না, তারই দোষের গান,
এ কেমন সেই অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া প্রাণ!
যদি সত্যও হয় সে দোষ, তবু নয় তা হালাল,
মানুষকে ছোট করতে নেই কথার অবহেলায় কাল।
মিথ্যা হলে অপবাদ তার আরও ভয়াবহ,
সত্য হলেও গীবত তবে সমান গুনাহ বহ।
চলো তবে প্রতিজ্ঞা করি হৃদয় খুলে আজ,
পরনিন্দার আসর হতে ফিরব নীরব সাজ।
যেখানে শুধু দোষের মেলা, বিদ্বেষেরই সুর,
সেখান থেকে সরে আসাই মুমিনের গৌরবপুর।
কারো দোষে হাসব না আর, করব না উপহাস,
মানুষ তো ভুল করবেই—এটাই জীবনের বাস।
ভালোবেসে শুধরে দেব, ধরব না অপমান,
করুণাতেই ফুটে ওঠে মানবতার গান।
জিহ্বা যেন না হয় কভু কারো অশ্রুর কারণ,
না হয় কারো সম্মানহানির নির্মম আয়োজন।
ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগুক কোমল ভাষার ছোঁয়ায়,
মানবতা আর ভ্রাতৃত্ব ফুটুক প্রতিটি পরিচয়ে।
সত্য বলব, ন্যায় বলব, বলব মধুর বাণী,
তিক্ত সত্যও বলব তবে শিষ্টতারই টানি।
মিথ্যার সাথে আপস নয়, কটুভাষাও নয়,
ভদ্রতারই আলো ছড়াক প্রতিটি মানবময়।
যে মুখে থাকে আল্লাহর নাম, দরূদেরই ধ্বনি,
সে মুখ কেন বিষ ছড়াবে হিংসা-বিদ্বেষ গুণি?
যে মুখেতে কুরআনেরই নূর ঝরে অবিরাম,
সে মুখেতে কেন জ্বলবে পরনিন্দারই ঘাম?
আসুন সবাই মিলেই গড়ি পবিত্র ভাষার দেশ,
যেখানে নেই অপমানের অন্ধকার পরিবেশ।
যেখানে মুখে সত্যবাণী, অন্তরে ভালোবাসা,
মানুষ মানুষকে জড়িয়ে ধরে ভাঙে বিভেদের ভাষা।
যে জিহ্বা আজ সংযত হবে আল্লাহরই ভয়ে,
সেই জিহ্বাই সাক্ষী হবে কিয়ামতের প্রভাতে।
যে হৃদয় আজ ক্ষমা করে, ভুলে যায় অভিমান,
রহমতেরই ছায়ায় সে পাবে জান্নাতের সম্মান।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখ করুন পবিত্র, নির্মল,
সত্য, ন্যায় ও কল্যাণে হোক প্রতিটি উচ্চারণ সফল।
গীবত, অপবাদ, গালমন্দ, কটুবাক্য হতে রক্ষা করুন,
অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে অন্তরকে পবিত্র করুন।
***
জিহ্বার হেফাজত
সৃষ্টির সেরা মানুষ তুমি, সেরা তোমার প্রাণ,
আল্লাহ দিলেন অমূল্য উপহার—বিবেক আর জবান।
এই জিহ্বাতেই উচ্চারিত ঈমানের কালিমা,
এই জিহ্বাতেই ঝরে পড়ে কুরআনের মহিমা।
এই জিহ্বাতেই মায়ের ডাকে জাগে স্নেহের সুর,
এই জিহ্বাতেই হৃদয় ভরে ওঠে প্রেমে ভরপুর।
এই জিহ্বাতেই সত্যবাণী আলোকিত করে প্রাণ,
এই জিহ্বাতেই অন্ধকারে ডুবে যায় সম্মান।
কত ঘর যে ভেঙে গেছে একটি তিক্ত কথায়,
কত হৃদয় রক্ত ঝরায় অপমানের ব্যথায়।
কত বন্ধু হয়েছে শত্রু, কত প্রেম হয়েছে ক্ষয়,
অবিবেচক একটি বাক্য এনেছে শুধু ভয়।
বাক্য যেন তীরের চেয়েও অধিক ধারালো হয়,
মুখ থেকে একবার বেরুলে আর ফিরে নাহি রয়।
ক্ষত শুকালেও কথার দাগ শুকায় না যে কভু,
জীবনভর বয়ে বেড়ায় সে ব্যথা নিরবধি।
তাই তো হে মুমিন! জিহ্বাকে রাখো সদা সংযত,
সত্য বলো, মিষ্টি বলো, করো না কটু উক্ত।
যে ভাষাতে মানুষ হাসে, সে ভাষা করো দান,
যে ভাষাতে মানুষ কাঁদে, রুখে দাও সে গান।
গীবত এক নীরব আগুন, অন্তর করে ক্ষয়,
অন্যের দোষ বলতে বলতে নিজের অজান্তে ক্ষয়।
যার কথা সে শুনছে না, তারই নিন্দার সুর,
এ কেমন সেই অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া নূর!
সত্য হলেও গীবত যদি কষ্ট দেয় যে প্রাণ,
তবে কেন সেই বিষ ঢালো নিজেরই জবান?
মিথ্যা হলে অপবাদ তার আরও ভয়ংকর,
দুনিয়া জুড়ে ছড়ায় শুধু অবিচারের ঘর।
মদ, জুয়া, ব্যভিচারের মতোই ভয়াবহ পাপ,
গীবতেরও বিচার হবে, খুলবে আমলখাতার চাপ।
বান্দার হক যে লঙ্ঘন করে, সে কি পাবে রেহাই?
ক্ষমা না করলে সেই বান্দা মুক্তি কোথায় ভাই?
যেখানে বসে গীবত হয়, বদনামেরই মেলা,
সেখানে নীরব বসে থাকাও নয় কোনো খেলা।
সক্ষম হলে থামিয়ে দাও কলুষিত সে ধারা,
না পারিলে উঠে এসো—এটাই মুমিন সারা।
জিহ্বা শুধু মাংসের টুকরো—ভাবো না এতটুকু,
এটাই তো খুলে দেয় ভাগ্যের জান্নাত কিংবা দুঃখ।
এটাই পারে আল্লাহর জিকিরে ভরিয়ে দিতে প্রাণ,
এটাই পারে ডেকে আনতে চির অনুতাপের টান।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখ করুন সত্যের প্রদীপ,
প্রতিটি শব্দ হোক যেন রহমতেরই নীড়।
অহংকারের আগুন থেকে রক্ষা করুন প্রাণ,
নম্রতারই সৌরভে ভরুক আমাদের জবান।
হিংসা যেন মুখে না আসে, না আসে বিদ্বেষ,
কাউকে যেন অপমান না করি কোনো বেশ।
অন্যের দোষ খুঁজে নয়, দেখি নিজের ভুল,
আত্মশুদ্ধির বাগান গড়ি, ফুটুক সৎফুল।
আমাদের জিহ্বা হোক কুরআনের তিলাওয়াতে ব্যস্ত,
দরূদ, জিকির, দোয়ার সুরে থাকুক সদা মস্ত।
মুখে ফুটুক শান্তির বাণী, হৃদয় ভরে নূর,
মানবতার পথে চলুক আমাদের প্রতিটি সুর।
কাউকে যেন লাঞ্ছিত না করি বাক্যের আঘাতে,
কাউকে যেন ভেঙে না দিই অপমানের প্রভাতে।
বরং ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগাই ভালোবাসার ডোরে,
সৌজন্যের ফুল ফুটুক প্রতিটি ঘরে ঘরে।
***
জিহ্বার হেফাজত
স্রষ্টার অশেষ দানে মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ নাম,
বিবেক তার দীপ্ত মুকুট, জিহ্বা তারই সম্মান।
এই জিহ্বাতে উচ্চারিত ঈমানের কালিমা,
এই জিহ্বাতেই ধ্বনিত হয় কুরআনের মহিমা।
এই জিহ্বাতে মায়ের ডাকে শিশুর প্রথম হাসি,
এই জিহ্বাতেই প্রেমের ভাষা, শান্তির ভালোবাসি।
আবার এই জিহ্বাতেই যদি বিষের বাণী ঝরে,
হাজার হৃদয় ভেঙে যায় নীরব অশ্রুধারে।
একটি বাক্য সেতু গড়ে বিচ্ছিন্ন দুটি প্রাণ,
একটি বাক্য নিমেষে ভাঙে বছরের সম্মান।
তাই তো কথা বলার আগে বিবেককে কর সাথি,
মধুর বচন মানুষ গড়ে, কটু ভাষা আনে ক্ষতি।
গীবত এক অদৃশ্য ব্যাধি, আত্মার গোপন ক্ষয়,
অন্যের দোষ বলতে বলতে নিজেরই অধঃপতন হয়।
যার অনুপস্থিতিতে তার দোষের আলোচনা,
সত্য হলেও সে-ই গীবত—এ নববী ঘোষণা।
কেউ যদি শুনে ব্যথা পায়, থেমে যাও সেই ক্ষণে,
মানুষের সম্মান রক্ষা ইবাদতেরই সনে।
অপবাদ তো আরও ভয়ংকর, মিথ্যার কালো জাল,
নির্দোষ প্রাণকে পোড়ায় সে অন্যায়েরই জ্বাল।
কত মজলিস, কত আসর নিন্দার আগুন জ্বালে,
হাসির ছলে সম্মানহানি ছড়ায় চারিধারে।
মুমিন সে নয়, যে নীরবে শুনে অন্যের লাঞ্ছনা;
মুমিন সে-ই, যে রুখে দাঁড়ায় সত্যের প্রেরণায়।
যদি পারো বদলে দাও আলোচনারই ধারা,
না পারিলে সরে এসো—এটাই উত্তম সারা।
গীবত যেমন মহাপাপ, শুনে যাওয়াও দোষ,
পবিত্র প্রাণ রক্ষা করে নীরব হও নির্ভয়।
জিহ্বা শুধু মাংসখণ্ড নয়, আমানতের ভার,
এরই তরে জান্নাত মেলে, এরই তরে অন্ধকার।
জিকিরে যদি ভিজে থাকে প্রতিটি উচ্চারণ,
তবে সে মুখে নেমে আসে রহমতেরই বরণ।
মুখের ভাষা ফুলের মতো সুবাস বিলাক প্রাণে,
করুণা, ক্ষমা, সত্যবাণী ফুটুক প্রতিটি টানে।
কারও মনে ক্ষত না দিই বিদ্রূপের আঘাতে,
হাসি হোক সান্ত্বনার, নয় অপমানের রাতে।
শত্রুকেও দাও সম্মান, বলো নম্র বাণী,
ক্ষমাই মানুষের শ্রেষ্ঠ অলংকার, শ্রেষ্ঠ জ্ঞানি।
অহংকারের কণ্টকপথ ছেড়ে বিনয় ধরো,
মানবতার নির্মল নদী হৃদয়জুড়ে ভরো।
যে জিহ্বাতে দরূদ ঝরে, ঝরে কুরআনের সুর,
সে জিহ্বাতে কেন তবে জাগে বিদ্বেষের নূর?
যে মুখেতে আল্লাহর নাম, সে মুখ হোক পবিত্র,
কল্যাণময় প্রতিটি শব্দ করুক বিশ্বচিত্র।
***
জিহ্বার হেফাজত
মানুষ তুমি সৃষ্টির সেরা, মর্যাদারই দান,
রবের দেওয়া শ্রেষ্ঠ আমানত—বিবেক আর জবান।
এই জিহ্বাতে ঈমান ফোটে, জাগে তাওহীদের গান,
এই জিহ্বাতেই ভেঙে যায় কত জীবনের সম্মান।
এই জিহ্বাতে মায়ের ডাকে শিশুর প্রথম হাসি,
এই জিহ্বাতে প্রেমের ভাষা, স্নেহের ভালোবাসি।
এই জিহ্বাতে কুরআনের নূর, জিকিরের সুবাস,
এই জিহ্বাতেই জ্বলে ওঠে অহংকারের সর্বনাশ।
বাক্য যেন বীজের মতো—যেখানে তাকে বুনো,
ফুলও ফলে, কাঁটাও ফলে, ফলটি তেমনই গুনো।
মধুর বচন হৃদয় জয় করে নীরব অনুরাগে,
কটু বাক্য ক্ষতের চিহ্ন রেখে যায় অনুরাগে।
একটি কথা সেতু গড়ে ভাঙা দুটি প্রাণে,
একটি কথা আগুন ধরায় সুখেরই অঙ্গনে।
একটি হাসি ফিরিয়ে আনে হারানো বিশ্বাস,
একটি তির্যক বাক্য করে সম্পর্কের সর্বনাশ।
তাই বলি হে মানুষ সকল, বলার আগে ভাবো,
বিবেককে করো পথের সাথী, সত্যের দীপ জ্বালো।
যে বাক্যে শান্তি নেমে আসে, সে বাক্যই উচ্চারো,
যে বাক্যে মানুষ কাঁদে শুধু, সে বাক্য দূরে সরাও।
গীবত এক নিঃশব্দ বিষ, অন্তর করে ক্ষয়,
অন্যের দোষ বলতে বলতে নিজের পতন হয়।
যে নেই পাশে, তারই কথা নিন্দার সুরে বলা,
আত্মাকে করে অন্ধকারে বন্দী অবহেলা।
দোষটি যদি সত্যও হয়, তবু গীবতের নাম,
তবু কেন সে বিষ ঢালবে নিজেরই জবান?
আর যদি তা মিথ্যা হয়, অপবাদের আগুন,
নির্দোষ প্রাণ পুড়ে যায়, কাঁদে আকাশ-বাতাস গুণ।
কত সভা, কত আড্ডা, কত আলাপচারী,
অন্যের দোষ নিয়েই যেন আনন্দেরই ভারী।
হাসির ছলে বিদ্রূপ করে, ভাঙে কত প্রাণ,
কেউ বোঝে না সেই ক্ষতের গভীর অবসান।
যেখানে শুধু নিন্দার ঢেউ, বিদ্বেষেরই মেলা,
সেখানে বসে নীরব থাকা নয় তো কোনো খেলা।
পারলে স্নেহে ফিরিয়ে দাও আলাপেরই ধারা,
না পারিলে উঠে এসো—এটাই মুমিন সারা।
গালমন্দের আগুন যখন জ্বলে ক্রোধের বেগে,
মানুষ তখন হারিয়ে ফেলে বিবেক আপন রেগে।
শব্দগুলো ছুটে গিয়ে বিদ্ধ করে প্রাণ,
ফিরে এসে আর মুছতে পারে না সে অপমান।
অপমানের অশ্রুবিন্দু অদৃশ্য হলেও রয়,
বছর পেরিয়েও বুকের ভেতর নীরব ব্যথা বয়।
ক্ষত শুকিয়ে যায় শরীরে, কথার ক্ষত নয়,
স্মৃতির ভাঁজে বেঁচে থাকে দীর্ঘশ্বাসময়।
যে মানুষটি ভুল করেছে, শুধরে দাও তাকে,
অপমানের অগ্নিবাণে দগ্ধ কোরো না তাকে।
করুণাই তো শ্রেষ্ঠ শক্তি, ক্ষমাই শ্রেষ্ঠ মান,
ভালোবাসাই জয় করে প্রতিটি মানবপ্রাণ।
নিজের দোষ ভুলে গিয়ে অন্যের দোষ খুঁজি,
এ কেমন সে আত্মভোলা, এ কেমন সে পুঁজি!
আয়নাতে মুখ দেখার আগে দেখো অন্তরখানি,
আত্মশুদ্ধির পথেই লুকায় মুক্তির কল্যাণী।
জিহ্বা যদি জিকিরে ভেজে, হৃদয় হয় নির্মল,
জিহ্বা যদি কুরআন পড়ে, জীবন হয় সফল।
দরূদের সুর, দোয়ার ভাষা, সত্যের দীপ্ত বাণী,
এসব দিয়েই সাজুক মোদের প্রতিটি জীবনী।
মানুষ যেন মানুষ থাকে, ভাঙে না তার মন,
আমাদেরই কথায় যেন না ঝরে অশ্রুবিন্দু ক্ষণ।
সম্মান দেওয়া শিখি সবাই, এ হোক জীবনধর্ম,
মানবতার এই শিক্ষাতেই লুকিয়ে মহাকর্ম।
নম্রতারই ফুল ফুটুক প্রতিটি উচ্চারণে,
সৌজন্যের সুবাস ছড়াক প্রতিটি ব্যবহারে।
হিংসা, ক্রোধ, অহংকার সব দূরে যাক আজ,
সত্য, ধৈর্য, বিনয়ে হোক চরিত্রের সাজ।
যে জিহ্বাতে আল্লাহর নাম, সে জিহ্বা হোক পবিত্র,
যে জিহ্বাতে কুরআনের নূর, সে জিহ্বা হোক চরিত্র।
যে মুখেতে দোয়া ঝরে, ঝরে রহমতের গান,
সে মুখেতে না ফুটুক আর কারও অপমান।
এসো তবে অঙ্গীকার করি অন্তর খুলে আজ,
গীবতের পথ ছেড়ে দেব, সত্যই হবে সাজ।
অপবাদ আর কটুবাক্য হবে না আর সাথী,
শান্তির পথে চলব সবাই বিবেককে করে সাথী।
ভালোবাসা বুনব মোরা প্রতিটি কথায় কথায়,
ক্ষত নয়, সান্ত্বনা দেব দুঃখভরা ব্যথায়।
আমাদেরই বাক্য হোক আশার আলোকধারা,
মানবতার আকাশজুড়ে জ্বালুক নতুন তারা।
৭
৭ মন্তব্য