Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৬ ০৬:০৩ পূর্বাহ্ণ

মুস্তাফা মনোয়ার (১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৫ – ২৯ জুন ২০২৬) ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী, পাপেটশিল্পের পথিকৃৎ, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, শিল্পশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক।

মুস্তাফা মনোয়ার (১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৫ – ২৯ জুন ২০২৬) ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী, পাপেটশিল্পের পথিকৃৎ, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, শিল্পশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। তিনি শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। সম্প্রতি ২০২৬ সালের ২৯ জুন তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনী

জন্ম: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৫

জন্মস্থান: তৎকালীন যশোর জেলার শ্রীপুর (বর্তমান মাগুরা অঞ্চলের নাকোল); পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহের শৈলকূপা। 

পিতা: কবি গোলাম মোস্তফা

ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকা, সংগীত ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল।

শিক্ষা ও কর্মজীবন

কলকাতার চারুকলা কলেজে (Government College of Art & Craft) শিল্পশিক্ষা গ্রহণ করেন।

পরে পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (এফডিসি) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখযোগ্য অবদান

বাংলাদেশে পাপেট (পুতুলনাট্য) শিল্পকে জনপ্রিয় করে তোলার অন্যতম পথিকৃৎ।

শিশুদের জন্য জনপ্রিয় পাপেট চরিত্র "পারুল" সৃষ্টি করেন।

ইউনিসেফের শিশুতোষ চরিত্র "মীনা"–এর ধারণা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বিটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান "নতুন কুঁড়ি" ও "মনের কথা" নির্মাণ ও পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনের লাল সূর্যের নকশা তৈরিতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। 

পুরস্কার ও সম্মাননা

একুশে পদক (২০০৪)

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সুলতান স্বর্ণপদক (২০১৮)সহ আরও বহু সম্মাননা লাভ করেন। 


মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন এমন একজন শিল্পী, যিনি চিত্রকলা, পাপেট, টেলিভিশন ও শিশু-কিশোর সংস্কৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর কর্ম ও সৃজনশীলতা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

মন্তব্য করুন