Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:১৮ অপরাহ্ণ

শিক্ষার নেতৃত্বে একজন শিক্ষানুরাগী শিক্ষক

প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল

মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ 


বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৬ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। শিক্ষা প্রশাসন, নীতি বাস্তবায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন দক্ষ প্রশাসক। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশের শিক্ষার ক্রান্তিকালীন মাধ্যমিক শিক্ষার পরিচালক (মাধ্যমিক) হাল ধরে দেশ সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁকে প্রথমে অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং পরে মহাপরিচালক হিসেবে বর্তমান দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। 


সংক্ষিপ্ত পরিচয়

নাম: প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল

বর্তমান পদ: মহাপরিচালক (ডিজি), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)

ক্যাডার: ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)

পূর্ববর্তী দায়িত্ব: পরিচালক (মাধ্যমিক), মাউশি; 

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।


শিক্ষাগত যোগ্যতা:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক(সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) ফেলোশিপ লাভ। 


কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য দিক:

সরকারি কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) হিসেবে নীতি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব প্রদান করে দক্ষতার পরিচয় দেন।

২০২৬ সালে মাউশির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।


শিক্ষা নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি:

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন—❝শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা। শিক্ষকতার মর্যাদা, পেশাগত নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা জরুরি। নকলমুক্ত নয়, বরং এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার যেখানে শিক্ষার্থীরা নকল করার প্রয়োজনই বোধ করবে না। তিনি বলেন, শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান অর্জনে শিক্ষকতার গুণগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


বর্তমান দায়িত্ব

মাউশির মহাপরিচালক হিসেবে তিনি— মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সরকারি কলেজের প্রশাসনিক তদারকি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়ন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বাস্তবায়ন, শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন