Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:২৩ পূর্বাহ্ণ

নিয়তের দীপশিখা - মোঃ মুজিবুর রহমান

                                                                                                    নিয়তের দীপশিখা

(সহিহ আল-বুখারী ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত "ইন্নামাল আ'মালু বিন্-নিয়্যাত" — "নিশ্চয়ই সব কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল")

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

শুরু করি নামে তাঁর,
করুণার যার নেই অবসান,
যাঁর ইচ্ছায় সূর্য ওঠে,
জাগে নতুন ভোরের গান।

তিনি দিলেন জীবনধারা,
তিনি দিলেন হৃদয়খানি,
সত্য-মিথ্যার সন্ধিক্ষণে
তিনি রাখেন পথের বাণী।

মানুষ যত কর্ম করে,
হাতে, মুখে কিংবা মনে,
প্রভু দেখেন অন্তর আগে,
লুকায় কী তার গোপন কোণে।

বাহিরখানা দীপ্ত হতে
ভিতর যদি শূন্য রয়,
সেই কর্মের জাঁকজমকও
শেষে গিয়ে ব্যর্থ হয়।

একদিন এক পবিত্র সভায়
উঠে দাঁড়ালেন মহামানব,
ন্যায়ের পথে অটল যিনি,
সত্যে ছিলেন চিরঅভ্যস্ত।

উমার নামে বিশ্বচেনা,
ঈমান যার দৃঢ় প্রাচীর,
মিম্বারের সেই উচ্চ আসনে
উচ্চারিলেন অমর বাণীর।

বললেন তিনি—
"
শুনেছি আমি নবীর মুখে,
যে বাণী আজও দীপ্যমান,
মানবজীবন আলোকিত করে
যুগে যুগে অবিরাম।

সব কাজের মূল নিয়ত,
এই তো সত্য, এই পরিচয়;
অন্তরের যে উদ্দেশ্য থাকে,
ফলও তারই অনুরূপ হয়।

যে যা চায় কর্মের মাঝে,
সেই ফলই ফিরে পায়;
প্রভুর কাছে গোপন কিছু
কখনো কোথাও লুকায় না।"

কত মানুষ পথে নামে
একই রকম বেশভূষায়,
কেউ বা চলে সত্যের তরে,
কেউ চলে কেবল লোকদেখায়।

দু'জন যদি দানই করে,
দৃশ্য যেন একই রূপ,
একজন চায় আল্লাহর সন্তোষ,
অন্যজনের খ্যাতির ধূপ।

বাহির থেকে এক মনে হয়,
অন্তর কিন্তু ভিন্ন গান;
একটি ফুল সুবাস ছড়ায়,
অন্যটি কেবল রঙের টান।

নদী যেমন সাগর চেনে,
মূলের দিকে ফেরে ধারা,
কর্ম তেমনি নিয়তেরই
ধরে থাকে সত্যপাড়া।

নামাজ যদি দাঁড়াও তুমি,
মন না থাকে রবের পানে,
শরীর কেবল নত হয়,
হৃদয় থাকে অন্যখানে।

রোজা যদি ক্ষুধা হয় শুধু,
সংযম না জাগে প্রাণে,
তবে সে ক্ষুধা কেবল দেহের,
আত্মা থাকে শূন্য টানে।

জ্ঞান যদি হয় অহংকারের
উঁচু মিনার গড়ার তরে,
সে জ্ঞানের দীপ নিভে যায়
অহমিকার অন্ধ ঘোরে।

কলম যদি সত্য না লেখে,
প্রশংসা কেবল কুড়ায়,
কালির দাগে ইতিহাসও
মিথ্যার বোঝা বয়ে যায়।

হৃদয় যদি নির্মল থাকে,
ছোট কাজও মহৎ হয়;
একফোঁটা জল মরুর বুকে
জীবনেরই বীজ বয়।

নিয়ত যেন বীজের মতো,
কর্ম তারই সবুজ ডাল,
যেমন বীজ তেমনি ফলে
সাজে জীবনের বিশাল তাল।

বৃক্ষ যদি মূলে পচে,
পাতা কি আর টিকে থাকে?
অন্তর যদি মলিন থাকে,
সৎকর্ম কোথায় প্রাণে জাগে?

হিজরতের সেই শিক্ষা আজও
জাগায় নবীন প্রেরণা,
পথ বদলায় শুধু নয়,
বদলাতে হয় অন্তরখানা।

যে ঘর ছাড়ে রবের ডাকে,
ধন নয় তার লক্ষ্য হয়,
প্রভুর সন্তোষ একমাত্র
হৃদয়জুড়ে আলো বয়।

আর যে চলে দুনিয়ার তরে,
খ্যাতি কিংবা লাভের নেশায়,
তার পদচিহ্ন মাটিতে থাকে,
আসমানে তা স্থান না পায়।

নিয়ত যদি আকাশছোঁয়া,
কর্ম ছোটও বড় হয়ে যায়;
একটি হাসি, একটি কথা
সদকার মালা গেঁথে যায়।

মায়ের সেবা, পিতার দোয়া,
অতিথিরে জল বাড়ানো,
ক্ষুধার্ত মুখে অন্ন তুলে
অশ্রু মুছে হাসি আনানো—

এসব যদি প্রভুর তরে,
ইবাদতেরই রূপ তা পায়;
সাধারণ সব দৈনন্দিনে
জান্নাতেরই সুবাস ছায়।

হে তরুণ, রাখো হৃদয়
লোভের ধুলো থেকে দূরে,
সত্যকে নাও জীবনের সাথী,
আলোক ধরো অন্তঃপুরে।

হে জ্ঞানীজন, জ্ঞানের আগে
নম্রতারই শিক্ষা নাও;
যে জ্ঞান মানুষ গড়ে তোলে,
সেই জ্ঞানেরই প্রদীপ জ্বালাও।

হে ধনীজন, সম্পদ তোমার
আমানত এক ক্ষণিককাল,
নিয়ত যদি নির্মল থাকে,
দানেই ফুটে জান্নাতের লাল।

হে দরিদ্র, ভেবো না কভু
শূন্য হাতে তুমি হারা,
সত্য নিয়ত সোনার চেয়ে
প্রভুর কাছে অতি সারা।

আল্লাহ দেখেন হৃদয়খানি,
দেখেন না কেবল বাহির;
যেখানে থাকে খাঁটি নিয়ত,
সেখানেই তাঁর নূরের নীড়।

জীবন ক্ষণিক সন্ধ্যাতারা,
মুছে যাবে একদিন সব;
থাকবে শুধু কর্মের পাতা,
থাকবে অন্তরেরই রব।

এসো তবে প্রতিটি কাজে
শুদ্ধ করি অন্তর প্রাণ,
নিয়তেরই দীপ জ্বালিয়ে
চলি সত্যের মহাসোপান।

লোভের মেঘ সরুক দূরে,
অহংকারের ভাঙুক বাঁধ,
বিশ্বমানব শিখুক আবার
সত্য-নিয়তের পবিত্র সাধ।

শেষ প্রহরে যখন হবে
হিসাব দিনের অবসান,
বলব তখন—
"
হে পরম রব,
তোমার তরে ছিল প্রাণ।

যা করেছি, যতটুকু পারি,
ছিল তোমার সন্তোষ চাই;
ত্রুটি যত ক্ষমা করে
রহমতেরই ছায়ায় ঠাঁই।"

নিয়ত হোক জীবনের আলো,
কর্ম হোক তার পুষ্পমালা,
আল্লাহর প্রেমে দীপ্ত হৃদয়
হোক মানবতার শ্রেষ্ঠ জ্বালা।

যতদিন সূর্য উঠবে ভোরে,
চাঁদ ভাসাবে নীল গগন,
ততদিন এই অমর বাণী
জাগাক মানবের জীবন—

"কর্মের প্রাণ নিয়তখানি,
অন্তরই তার সত্য মান;
শুদ্ধ হৃদয়, শুদ্ধ উদ্দেশ্য—
সেখানেই রবের সন্তোষস্থান।"

নিয়তের দীপশিখা

পরম দয়াল নাম স্মরি,
যাঁর কৃপায় জাগে প্রাণ,
যাঁর ইচ্ছাতে নক্ষত্র হাসে,
ফোটে ভোরের সোনালি গান।

তিনি আদি, তিনি অন্ত,
তিনি সীমাহীন মহীয়ান,
তাঁরই হুকুমে বিশ্বজগৎ
চলছে অবিরাম, অনিঃশেষ প্রাণ।

তিনি দিলেন আলো-বাতাস,
নীল আকাশের বিস্তার,
তিনি দিলেন নদীর কলতান,
সবুজ মাঠের অপরূপ হার।

তিনি দিলেন বিবেক-বুদ্ধি,
সত্যের পানে চলার পথ,
তিনি দিলেন হৃদয়ভূমি,
যেখানে জাগে প্রেমের রথ।

হৃদয় যেন আয়নাখানি,
নিয়ত তার নির্মল দীপ,
যেখানে থাকে সত্যের শিখা,
সেথায় নামে রহমতের স্রোতধারার নীড়।

মানুষ গড়ে অট্টালিকা,
সাগর পাড়ি, জয় করে গিরি,
তবু যদি অন্তর অন্ধ,
সবই যেন মরুর ধূলি।

বাহির যত উজ্জ্বল হোক,
অন্তর যদি মলিন রয়,
সোনার খাঁচায় বন্দী পাখি
স্বাধীনতার গান না কয়।

তাই তো প্রভু দেখেন আগে
হৃদয়েরই গভীর দেশ,
কী উদ্দেশ্যে কাজটি হলো,
সেই হিসাবেই ফলের রেশ।

কর্ম যেন এক বিশাল বৃক্ষ,
নিয়ত তার মূলের প্রাণ,
মূল যদি হয় নির্মল জলে,
সবুজ হবে শাখা-প্রাণ।

মূল যদি হয় বিষে ভরা,
পাতায় লাগে শুষ্ক ক্ষয়,
বাহিরখানা সবুজ হলেও
ফলের মাঝে মাধুর্য নয়।

এমন সময় মদিনার বুকে
জমল এক পবিত্র সভা,
ঈমানদীপ্ত মুখের সারি,
শান্ত নীরব পরিবেশ যেন দোয়ার ধ্বজা।

মিম্বারের সেই উচ্চ আসনে
উঠলেন এক মহামানব,
ন্যায়ের দীপ্ত প্রতিমূর্তি,
সাহস যার ছিল অনবদ্য।

তিনি ছিলেন সত্যের প্রহরী,
ন্যায়ের পথে অটল প্রাণ,
আল্লাহভীরু বিনয়ী নেতা,
উমার—ঈমানের উজ্জ্বল জ্ঞান।

নীরব হলো সভার বুকে
প্রত্যেক প্রাণ, প্রত্যেক মন,
তাঁর কণ্ঠে ঝরে পড়ল
চিরন্তনের পবিত্র ধ্বনন।

বললেন তিনি—
“
শুনেছি আমি প্রিয় নবীর
মহিমান্বিত অমৃত বাণী,
যুগে যুগে যার আলোকধারা
পথ দেখাবে মানবপ্রাণী।

কর্ম সকল নিয়তের সাথে,
এই তো সত্য, এই বিধান;
যে উদ্দেশ্যে মানুষ চলে,
সে-ই হবে তার প্রাপ্য দান।

যার হিজরত আল্লাহর তরে,
তাঁরই নিকট হবে গমন;
যার উদ্দেশ্য দুনিয়ার লাভ,
সেইটুকুই হবে অর্জন।

যে বিবাহের আশায় চলে,
তার পথও সেথায় থামে;
নিয়তেরই রঙে রঙিন হয়
মানবজীবন, কর্মনামে।”

এই বাণী নয় ক্ষণিক কথা,
এ মানবতার শাশ্বত গান,
অন্তরেরই নির্মলতা
গড়ে তোলে সোনার প্রাণ।

নদী যেমন সাগর খোঁজে,
শিশির যেমন ফুলের কোলে,
মানবজীবন শান্তি খুঁজে
খাঁটি নিয়তের নির্মল তলে।

সূর্য যেমন আলো বিলায়,
চায় না কোনো প্রতিদান,
খাঁটি নিয়ত তেমনি জাগায়
ত্যাগের পবিত্র সম্মান।

বাতাস যেমন ছুঁয়ে যায়
ধনী-দরিদ্র সব ঘর,
নির্মল নিয়ত তেমনি ছড়ায়
সত্যের সুধা নিরন্তর।

নিয়ত যদি আল্লাহমুখী,
পথের কাঁটা ফুল হয়ে যায়,
ক্ষুদ্র কাজও মহৎ হয়ে
চিরকল্যাণ বয়ে আনে।

একটি হাসি, একটি কথা,
এক গ্লাস জল তৃষ্ণার তরে,
এক মুঠো অন্ন ক্ষুধার্ত মুখে—
ইবাদত হয় রবের দ্বারে।

তাই হে মানুষ, অন্তর গড়ো,
শুদ্ধ করো প্রাণের দেশ,
নিয়তেরই পবিত্র আলো
জাগুক হৃদয় সর্বশেষ।

যেখানে নিয়ত নির্মল থাকে,
সেখানে নামে নূরের ধারা,
সেই হৃদয়েই ফুটে ওঠে
ঈমান, প্রেম আর সত্যতারা।

এই আলোকেই গড়ুক জীবন,
এই আলোকেই হোক অভিযান,
নিয়তের দীপ হাতে নিয়ে
চলি চিরকল্যাণের সন্ধান।

***

ভোরের আগে গভীর আঁধার,
তারার চোখে নীরব ক্ষয়,
সত্যের পথে চলতে গিয়ে
কত হৃদয় অশ্রু বয়।

মক্কার পথে ধূলি উড়ে,
তপ্ত বালু জ্বলে আগুন,
ঈমান বুকে যারা বাঁচে,
তাদের জীবন কণ্টকময় গুণ।

কেউ হারিয়েছে আপন ঘর,
কেউ হারিয়েছে স্বজন-ছায়া,
কেউ বা বুকে লুকিয়ে রাখে
অশ্রুভেজা দীর্ঘ মায়া।

তবু তাদের চোখে ছিল
আশার দীপ অনির্বাণ,
আল্লাহরই সন্তোষ পেতে
করেছিল তারা প্রাণ বিসর্জন।

হিজরত শুধু পথের বদল,
নয় কেবল স্থান পরিবর্তন,
হিজরত মানে অন্তরজুড়ে
সত্যের প্রতি পূর্ণ সমর্পণ।

যে হৃদয় ছাড়ে পাপের পথ,
ন্যায়ের পানে করে গমন,
সেই হৃদয়েই হিজরতের
জাগে চিরন্তন স্পন্দন।

যে ত্যাগ করে লোভের বাঁধন,
অহংকারের মিথ্যা শান,
তার প্রতিটি নীরব পদক্ষেপ
লেখে দেয় নতুন সম্মান।

একজন চলে রবের ডাকে,
আরেকজন লাভের তরে,
দুজন হাঁটে একই পথে,
গন্তব্য দুই ভিন্ন ঘরে।

বাহির দেখে মানুষ ভাবে—
একই যেন কর্মধারা;
অন্তর কিন্তু জানে শুধু
কার উদ্দেশ্য কত সারা।

একজন চায় প্রভুর সন্তোষ,
চায় না কোনো বাহবা কভু,
অন্যজনের চোখে কেবল
খ্যাতির মুকুট, দুনিয়ার রব।

বাতাস যেমন গন্ধ বয়ে
ফুলের পরিচয় দেয়,
নিয়ত তেমনি কর্মের মাঝে
সত্য-মিথ্যার বিচার করে।

নদীর জলে চাঁদের ছবি
মুহূর্তে যায় ভেঙে,
খাঁটি নয় যে বাহিরের রূপ,
অন্তরেই তার রঙ ম্লান রঙ্গে।

সোনা যেমন আগুন পুড়ে
হারায় না তার দীপ্তিমান,
পরীক্ষাতে তেমনি জ্বলে
সত্য নিয়তের সম্মান।

ঝড়ের মুখে অটল বৃক্ষ
মূলের জোরেই টিকে রয়,
ঈমানভরা নির্মল নিয়ত
বিপদেও পথ হারায় না কভু।

হিজরত মানে শুধু নয়
দেশের সীমানা অতিক্রম,
হিজরত মানে অন্যায় ছেড়ে
ন্যায়ের পথে অবিরাম।

হিংসা ছেড়ে ভালোবাসা,
মিথ্যা ছেড়ে সত্যবাণী,
অন্যায় ছেড়ে ন্যায়ের পথে
ফিরে আসার মহাকাহিনি।

অহংকারের উঁচু মিনার
এক নিমেষে ভেঙে যায়,
বিনয়ভরা ক্ষুদ্র হৃদয়
আল্লাহর কাছে ঠাঁই পায়।

যে মানুষটি নীরব রাতে
অশ্রু নিয়ে করে দোয়া,
লোকের চোখে সে অচেনা,
রবের কাছে শ্রেষ্ঠ ছোঁয়া।

যে দান করে গোপন হাতে,
ডান হাত জানে না বাম,
সেই নিয়তের স্নিগ্ধ সুবাস
ভরে তোলে আসমান।

যে নামাজে হৃদয় জাগে,
প্রতিটি সিজদা প্রেমময়,
তারই জীবন ফুলের মতো
রহমতেরই বাগান হয়।

যে রোজাতে জাগে সংযম,
ক্ষুধা শেখায় মমতার গান,
সেই উপবাস আত্মাকে দেয়
পবিত্রতার সম্মান।

যে জ্ঞানের সাথে বিনয় থাকে,
সেই জ্ঞান আলো বিলায়,
অহংকারের শৃঙ্খল ভেঙে
মানবতাকে পথ দেখায়।

যে কলমে সত্যের অক্ষর,
ন্যায়ের বাণী দীপ্তিমান,
সেই কলমের কালির ফোঁটায়
জেগে ওঠে যুগের প্রাণ।

হে পথিক, মনে রেখো,
কর্মের আগে হৃদয় গড়ো,
নিয়তেরই নির্মল জলে
জীবনের সব স্বপ্ন ভরো।

হিজরত আজও থেমে নেই,
চলছে নীরব অন্তর-মাঝে,
যে পাপ ছেড়ে সত্যে ফেরে,
সে-ই সফল জীবন সাজে।

প্রতিটি ভোর নতুন ডাকে—
"
শুদ্ধ করো অন্তরখানি,
রবের তরে গড়ো সকল কর্ম,
হোক নির্মল প্রতিটি বাণী।"

নিয়তের দীপ হাতে নিয়ে
যে চলে সত্যের পথ,
তার জীবনের প্রতিটি ক্ষণ
ইবাদতেরই অমল রথ।

তাই এসো আজ, হৃদয় জাগাই,
ইখলাস হোক প্রাণের মান,
আল্লাহর সন্তোষই হোক
জীবনভরের একমাত্র জ্ঞান।

মন্তব্য করুন