সহকারী শিক্ষক
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:৩৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা ( WHO) এর বোর্ড সদস্য চাঁদপুর এর কৃতি সন্তান ড. সেঁজুতি সাহা
ড. সেঁজুতি সাহা হলেন একজন সুপরিচিত বাংলাদেশী অণুজীববিজ্ঞানী (Microbiologist) এবং চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (CHRF)-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসের (COVID-19) পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স বা জিনোম বিন্যাস উন্মোচনকারী দলের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন ও পরিচিতি লাভ করেন।
শিক্ষা ও কর্মজীবন উচ্চ শিক্ষা:
তিনি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে মলিকুলার জেনেটিক্স (Molecular Genetics) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরবর্তীতে কানাডার 'হসপিটাল ফর সিক চিলড্রেন' এবং আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পোস্টডক্টরাল প্রশিক্ষণ নেন।
দেশে প্রত্যাবর্তন: ২০১৬ সালে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা শেষে উন্নত জীবনের মোহ ত্যাগ করে শিশুদের সংক্রামক রোগ নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন
।CHRF-এ ভূমিকা:
বর্তমানে তিনি চাইল্ড হেলথ Research Foundation-এ বিশ্বমানের একটি জিনোমিক্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে জনস্বাস্থ্য ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও অবদানকরোনা জিনোম সিকোয়েন্সিং: ২০২০ সালে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারির শুরুর দিকে তাঁর নেতৃত্বেই প্রথমবার দেশে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
টাইফয়েড ও মেনিনজাইটিস গবেষণা: বাংলাদেশে টাইফয়েড (Salmonella typhi) এবং মেনিনজাইটিস সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার জিনোম সিকোয়েন্সিং নিয়ে তিনি দীর্ঘ কাজ করছেন। এর মাধ্যমে কোন কোন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (কার্যকারিতা হারাচ্ছে) তৈরি হচ্ছে, তা আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে
।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অন্তর্ভুক্তি:
তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পোলিও ট্রানজিশন ইন্ডিপেনডেন্ট মনিটরিং বোর্ডের (TIMB) একজন বোর্ড সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
বিল্ডিং সায়েন্টিস্ট ফর বাংলাদেশ: দেশব্যাপী বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি এবং তরুণদের মাঝে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি 'বিল্ডিং সায়েন্টিস্ট ফর বাংলাদেশ' নামক একটি উদ্যোগ প্রতিষ্ঠা করেন।
পারিবারিক পরিচিতিড.
সেঁজুতি সাহার পুরো পরিবারই বিজ্ঞান ও গবেষণার সাথে যুক্ত। তাঁর বাবা অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অণুজীববিজ্ঞানী ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মা ড. সেতারুন্নাহারও একজন বিজ্ঞানী এবং তাঁর ছোট ভাইও অণুজীববিজ্ঞান নিয়ে কাজ করছেন।( সংগৃহীত)
৭
৭ মন্তব্য