শিক্ষার্থীদের দলবদ্ধ করে সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করার কৌশল হলো সহযোগিতামূলক শেখা। এটি শিক্ষার্থীদের মাঝে পারস্পরিক নির্ভরতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং চিন্তাশক্তি বাড়ায়। বাস্তব জীবনে যেকোনো দলে মিলে কাজ করার জন্য এই দক্ষতা খুব জরুরি।
নিচে সহযোগিতামূলক শেখার কিছু অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি দেওয়া হলো:
- জিকস (Jigsaw): এটি অনেকটা ধাঁধার মতো কাজ করে। একটি বড় বিষয়কে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে প্রতিটি দলের একেকজন সদস্যকে একেকটি অংশের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তারা অন্য দল থেকে একই অংশের দায়িত্ব পাওয়া বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে মূল দলে ফিরে আসে এবং সবাইকে শেখায়।
- থিঙ্ক-পেয়ার-শেয়ার (Think-Pair-Share): এটি একটি ৩ ধাপের পদ্ধতি। প্রথমে শিক্ষক কোনো প্রশ্ন করলে শিক্ষার্থীরা একা একা চিন্তা করে। এরপর তারা জোড়ায় বসে নিজেদের উত্তর নিয়ে আলোচনা করে। সবশেষে, তারা পুরো ক্লাসের সাথে ধারণাগুলো শেয়ার করে।
- পিয়ার টিউটরিং (Peer Tutoring): এটি হলো সহপাঠীদের একে অপরকে শেখানোর পদ্ধতি। যে শিক্ষার্থী বিষয়টি ভালো বোঝে, সে না-বোঝা শিক্ষার্থীকে বুঝিয়ে দেয়। এতে দুইজনেরই ধারণা পরিষ্কার হয়।
- দলীয় প্রকল্প (Group Projects): শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যা সমাধান করতে দেওয়া হয়। সবাই মিলে কাজ করলে জটিল সমস্যা সহজে সমাধান করা যায়।
- ব্রেইনস্টর্মিং (Brainstorming): কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে বসে মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে নতুন নতুন আইডিয়া বা সমাধান বের করে।
১৪
২৪ মন্তব্য