Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ জুলাই, ২০২৬ ০২:১৫ অপরাহ্ণ

থাকলে মোরা সচেতন ,জলবায়ু থাকবে নিয়ন্ত্রণ।

যদি আমরা সচেতন থাকি, তাহলে জলবায়ু থাকবে নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষ ও প্রাণী (ফানা) অপরিহার্য। গাছ অক্সিজেন সরবরাহ করে, কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং মাটির ক্ষয় রোধ করে। বনভূমি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমায়।অন্যদিকে, বন্যপ্রাণী ও জীবজন্তু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। খাদ্যশৃঙ্খল, পরাগায়ন ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখে তারা। বৃক্ষ ও প্রাণী হারালে পরিবেশ বিপর্যয় অনিবার্য। 

তাই বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় সক্রিয় হোন। প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপই বিশ্বকে বাসযোগ্য করে তুলবে। সচেতনতাই আমাদের শক্তি।


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: জলবায়ু পরিবর্তন মূলত মানুষের কার্যকলাপের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফল। এর প্রভাব ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী দেখা যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ হবে।

প্রধান প্রভাবসমূহ:

১. আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ:  তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত গরম, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও খরার তীব্রতা বেড়েছে। বাংলাদেশের মতো নিম্নভূমির দেশে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আরও ঘনঘন হচ্ছে।

২. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:  মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ায় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে। ফলে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হচ্ছে, লাখ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হচ্ছে (যেমন: সুন্দরবন ও বাংলাদেশের উপকূল)।

৩. জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি: অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী বিলুপ্তির পথে। প্রবাল প্রাচীর মরে যাচ্ছে, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হচ্ছে।

৪. কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: অনিয়মিত আবহাওয়ায় ফসলের উৎপাদন কমছে। লবণাক্ততা বেড়ে ধান, মাছ চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

৫. মানুষের স্বাস্থ্য: তাপজনিত রোগ, ম্যালেরিয়া-ডেঙ্গুর বিস্তার, পানিবাহিত রোগ বাড়ছে। খাদ্যাভাব ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৬. অর্থনৈতিক ক্ষতি: প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতি বছর বিপুল অর্থ ও সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

আমাদের করণীয়:বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার, প্লাস্টিক কমানো এবং সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সচেতনতা বাড়ানো।  সচেতন থাকলে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।আসুন পরিবর্তন এখনই শুরু করি,আমাদের পৃথিবী আমরাই সাজাই ।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম

সহকারী শিক্ষক

কুশাখালী এ্যানি চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়

লক্ষ্মীপুর সদর,লক্ষ্মীপুর।

০১৭৩১২৭৩১৮৫

মন্তব্য করুন