Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:১৮ পূর্বাহ্ণ

মাইক্রোপ্লাস্টিক কীভাবে রক্তে মেশে, বাঁচার উপায় কী

মাইক্রোপ্লাস্টিক কীভাবে রক্তে মেশে, বাঁচার উপায় কী

পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিকের কণাকে বলে মাইক্রোপ্লাস্টিক। নিজেদের অজান্তে প্রতিনিয়ত আমরা গ্রহণ করছি মাইক্রোপ্লাস্টিক। বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা বলছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় ৫ গ্রাম প্লাস্টিক কণা প্রবেশ করছে। বাতাস, পানি কিংবা প্রিয় খাবার—কোনোটিই আজ এই অদৃশ্য বিষ থেকে মুক্ত নয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ঢাকার স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আফলাতুন আকতার জাহান

আমাদের অজান্তে ও প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের কারণে মূলত তিনটি প্রধান উপায়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করে
আমাদের অজান্তে ও প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের কারণে মূলত তিনটি প্রধান উপায়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করেছবি: ফ্রিপিক, গ্রাফিকস: প্রথম আলো

যেভাবে রক্তে মিশছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

আমাদের অজান্তে ও প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের কারণে মূলত তিনটি প্রধান উপায়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করে।

১. খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে: বোতলজাত পানি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, সামুদ্রিক ও প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছ, প্রক্রিয়াজাত লবণ, এমনকি টি-ব্যাগেও মিলছে এই কণা। প্লাস্টিক বা ওয়ান-টাইম পাত্রে গরম খাবার ও পানীয় রাখলে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক গলে সরাসরি খাবারে মিশে যায়।

২. শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে: কৃত্রিম বা সিন্থেটিক তন্তুর পোশাক, ঘরের কার্পেট, আসবাবের ধুলা এবং যানবাহনের টায়ার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়ায়। শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজে যা ফুসফুসে পৌঁছে যায়।

৩. ত্বক ও প্রসাধন: ফেসওয়াশ, স্ক্রাব ও টুথপেস্টে ব্যবহৃত ‘মাইক্রোবিডস’ এবং সিন্থেটিক কাপড়ের ঘর্ষণে ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়েও এসব কণা শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

মন্তব্য করুন