Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ

নমরুদ, হজরত ইব্রাহিম (আঃ)- এর সাথে দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েছিল
নমরুদ আল্লাহর সাথে সরাসরি কোনো যুদ্ধ করতে পারেনি, কারণ আল্লাহ হলেন মহাবিশ্বের স্রষ্টা ও সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। তবে অহংকারবশত প্রাচীনকালের অত্যাচারী রাজা নমরুদ নিজেকে খোদা দাবি করে আল্লাহর সাথে বিদ্রোহ করেছিল এবং হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছিল। সে আকাশে তীর ছুড়ে এবং মশার আক্রমণে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে মৃত্যুবরণ করে। [1, 2, 3, 4, 5, 6, 7]
নমরুদের ঔদ্ধত্য ও কর্মকাণ্ড
নমরুদ নিজেকে সর্বেসর্বা ও খোদা বলে দাবি করত। [1]
হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর একত্ববাদের প্রচার করলে নমরুদ তাকে আগুনে পুড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আল্লাহর হুকুমে আগুন ইবরাহিম (আ.)-এর জন্য ঠান্ডা ও নিরাপদ হয়ে যায়। [1]
সে অসম্ভব এক বোকামি করে আকাশ বা ঊর্ধ্বজগতের খোদার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ঘোষণা দেয়। সে উঁচুতে তীর ছুড়ে এবং রক্তমাখা তীর নিচে ফিরিয়ে এনে মিথ্যা প্রমাণ করতে চায় যে সে আসমানের প্রভুকে ঘায়েল করেছে। [1, 2]
নমরুদের করুণ পরিণতি
আল্লাহ তাআলা তার অহংকার ভাঙার জন্য একদল ক্ষুদ্র ও দুর্বল মশা প্রেরণ করেন।
সেই মশার একটি ঝাঁক নমরুদের ওপর আক্রমণ চালায়। একটি মশা তার নাক দিয়ে মাথায় প্রবেশ করে।
ফলে সে পাগলপ্রায় হয়ে যায় এবং নিজের মাথায় জুতার আঘাত খেয়ে দীর্ঘ সময় কষ্ট পেয়ে মারা
মন্তব্য করুন