সহকারী অধ্যাপক
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো - মোঃ মুজিবুর রহমান
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর
কথার মাঝে ফুটুক মধু, হৃদয় হোক আলো,
মুমিনের মুখে শোভা পায় কথা শুধু ভালো।
আল্লাহ ও পরকালে যার অটুট ঈমান,
তার মুখে মন্দ কথা নয়—সুন্দর হোক বয়ান।
রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈমান যার অন্তরে রয়,
সে যেন উত্তম কথা বলে, মন্দ কথা নয়।
ভালো কথা হৃদয় জাগায়, মুছে মনের ক্ষত,
একটি মধুর বাক্যেই জাগে ভালোবাসার রথ।
কথা যেন ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
কথা যেন শান্তির বার্তা—দুঃখী মানুষের কানে।
কথা দিয়ে কাউকে যেন দিও না তুমি ব্যথা,
মুমিনের মুখে মানায় শুধু কল্যাণময় কথা।
কটু কথা আগুন জ্বালে, বাড়ায় মনের দূর,
মিষ্টি কথায় বরফ গলে, হৃদয় হয় সুরভিত নূর।
একটি কথা গড়তে পারে ভ্রাতৃত্বেরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত।
তাই তো আগে ভাবো তুমি—কী বলবে আজ মুখে,
কথাটি কি শান্তি দেবে, নাকি দুঃখ ঢোকে বুকে?
সত্য হলে বলো সুন্দর, নম্রতারই সাথে,
কল্যাণ যদি না থাকে—নীরব থাকো তাতে।
হাসিমুখে তাকানোও সদকার এক দান,
ভালোবাসায় ভরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
ভ্রাতার দিকে হাসিমুখে তাকাও স্নেহভরে,
একটি হাসি আনন্দ আনে বিষণ্ন হৃদয়জুড়ে।
হাসি কোনো ক্ষুদ্র বিষয় নয় ইসলামের দৃষ্টিতে,
এতে ভালোবাসা জাগে মানুষেরই চিত্তে।
ক্লান্ত মানুষ সান্ত্বনা পায় একটি মধুর হাসি,
বিষণ্ন মনে জেগে ওঠে আশার নতুন বাঁশি।
হাসিমুখে সালাম দাও, ভালোবেসে কথা বলো,
অহংকারের কালো ছায়া হৃদয় থেকে তাড়াও।
বড়-ছোটের ভেদ ভুলে মানবতার বন্ধন গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটিয়ে ভালোবাসায় ভরো।
কেউ যদি আসে দুঃখ নিয়ে, দিও সান্ত্বনার বাণী,
কেউ যদি হয় পথহারা, দেখাও আলোর নিশানি।
কেউ যদি পড়ে বিপদে, বাড়িয়ে দাও হাত,
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মহৎ জীবনের প্রভাত।
আরেকটি শিক্ষা মনে রেখো সারাটি জীবনভর—
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও নিরন্তর।
যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জানে না কোনোদিন,
সে আল্লাহর নেয়ামতেরও করে না যথার্থ ঋণ।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ইসলামেরই শিক্ষা,
কৃতজ্ঞ হৃদয় পায় জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য, দীক্ষা।
মায়ের সেবা, বাবার দোয়া—ভুলে যেও না কভু,
শিক্ষকের ঋণ, বন্ধুর ঋণ—স্মরণ রেখো সবই।
যে তোমাকে বিপদকালে দিয়েছে সাহায্যের হাত,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম পথ।
যে তোমাকে জ্ঞান দিয়েছে, আলোর পথ দেখিয়েছে,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হৃদয় সম্মান দিয়ে ফিরেছে।
কেউ যদি দেয় এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার সময়,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই মানবতার জয়।
ছোট উপকার ছোট নয়, মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নাই।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুনে দেখো মনে,
জীবন, স্বাস্থ্য, জ্ঞান ও সময়—সবই তাঁর দানে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য, আকাশ, মাটি, প্রাণ—
অগণিত তাঁর নেয়ামত, শেষ হবে না গান।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া হে রব,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানে সব।
সুখে যেমন শুকরিয়া দাও, দুঃখেও ধৈর্য ধরো,
তাঁরই ওপর ভরসা রেখে সোজা পথে চলো।
কৃতজ্ঞ মানুষ অহংকারী হয় না কখনো মনে,
সে তো দেখে দয়ার ছায়া প্রতিটি প্রাপ্তিতে।
নিজের যোগ্যতার অহংকারে ডুবে যায় না প্রাণ,
জানে—সবই রবের দয়া, সবই তাঁর দান।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর কৃতজ্ঞতার আলো,
এই তিন গুণে জীবন হোক নির্মল, সুন্দর, ভালো।
ঘরে ঘরে শান্তি আসুক, দূর হোক হিংসা-দ্বেষ,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক, মুছে যাক সব ক্লেশ।
কথায় যেন মধুরতা থাকে, ব্যবহারে থাকুক মান,
হৃদয়ে থাকুক দয়া-মায়া, মুখে থাকুক ঈমান।
অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিও স্নেহে,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও ভালোবেসে।
কাউকে তুমি অপমান কোরো না কথার তীরে,
কাউকে দিও না কষ্ট তোমার রাগের অগ্নিঝড়ে।
রাগ এলে চুপ থাকো, সংযম করো মন,
মুমিন তো সে-ই, যে রাখে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পরনিন্দা, মিথ্যা, গালি—দূরে রাখো মুখ,
কথার মাধ্যমে কাউকে দিয়ো না কোনো দুঃখ।
সত্য কথা বলো, তবে বলো কোমল ভাষায়,
সত্য যদি হয় কঠিনও—হিকমতের সাথে চাওয়ায়।
হাসিমুখে শিশুকে দেখো, বয়োজ্যেষ্ঠকে মানো,
অতিথিকে সম্মান দাও, প্রতিবেশীর খবর জানো।
ভাইয়ের দুঃখ নিজের ভেবে পাশে গিয়ে দাঁড়াও,
ভালোবাসার বন্ধনে সব হৃদয়কে জড়াও।
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে জীবন সাজাও আজ,
মানুষের উপকার করলে বাড়ে তোমারই সাজ।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া আছে, সে হৃদয় ধনী,
আল্লাহর রহমতের আশায় তার জীবন হয় ঋণী।
উত্তম কথা হোক তোমার প্রতিদিনের গান,
হাসিমুখ হোক তোমার মধুর পরিচয়-জ্ঞান।
কৃতজ্ঞতা হোক হৃদয়ের চিরন্তন অলংকার,
এই গুণেই সুন্দর হোক জীবন ও সংসার।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, রাগের বদলে ক্ষমা,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক জীবনের জমা।
কটু ভাষা ত্যাগ করে দাও মধুর বাণী,
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দাও ইসলামেরই নিশানি।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা বলো,
যে কথা ভাঙন সৃষ্টি করে—সে কথা এড়িয়ে চলো।
যে হাসি দুঃখ ভোলায়—সেই হাসি দাও প্রাণে,
যে দয়া মানুষ জাগায়—সেই দয়া আনো মনে।
যে উপকার পেয়েছ তুমি, মনে রেখো তার ঋণ,
কৃতজ্ঞতার ফুল ফুটুক হৃদয়জুড়ে প্রতিদিন।
মানুষকে ধন্যবাদ দাও, আল্লাহর শুকরিয়া করো,
দুনিয়াতে কল্যাণ বুনে আখিরাতের পাথেয় ধরো।
মনে রেখো—সুন্দর কথা ইবাদতেরই দ্বার,
মধুর হাসি ভালোবাসার অমূল্য উপহার।
কৃতজ্ঞ হৃদয় আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী,
এ তিন গুণে জীবন হোক শান্তিময় ও হাসি।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও দয়া-মায়া, সত্যের নিশানি।
হাসিমুখে মানুষের সাথে চলার তাওফিক দাও,
অকৃতজ্ঞতার কালো ছায়া হৃদয় থেকে সরাও।
যে কথা শুনে মানুষ পায় শান্তির পরশধারা,
সে কথা বলার তাওফিক দাও, হে দয়াময় খোদা।
যে কাজে মানুষ উপকৃত হয়, সে কাজ করাই দাও,
তোমার সন্তুষ্টির পথে আমাদের জীবন সাজাও।
ঈমান হোক কথায়-কাজে, চরিত্র হোক নির্মল,
মানবসেবার মাধ্যমে হোক জীবন সত্যিই সফল।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
দুনিয়ার পথে চলতে গিয়ে ভুলে যেন না যাই—
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই মুমিনের পরিচয় ভাই।
আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে করি সবার কল্যাণ,
উত্তম চরিত্রে গড়ে উঠুক সুন্দর সমাজ-প্রাণ।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া,
এই হোক মোদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা—
এই তো হোক মুমিন জীবনের সুন্দর মহত্ত্ব।
আল্লাহ ও পরকালে রেখে দৃঢ় বিশ্বাস,
উত্তম চরিত্রে গড়ি জীবন—এই হোক আমাদের আশ্বাস।
যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে প্রাণের আলো,
ততদিন মানুষের জন্য করব কাজ ভালো।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর শুকরিয়ার গান—
এই তিনে গড়ব আমরা সুন্দর মানবজ্ঞান।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়,
এই গুণে মানুষ হোক সত্যিকারের জয়।
রবের পথে চলুক জীবন, হোক কল্যাণময়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
***
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো
কথার মাঝে ফুটুক মধু, হৃদয় হোক আলো,
মুমিনের মুখে শোভা পায় কথা শুধু ভালো।
আল্লাহ ও পরকালে যার অটুট ঈমান,
তার মুখে মন্দ কথা নয়—সুন্দর হোক বয়ান।
রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈমান যার অন্তরে রয়,
সে যেন উত্তম কথা বলে, মন্দ কথা নয়।
ভালো কথা হৃদয় জাগায়, মুছে মনের ক্ষত,
একটি মধুর বাক্যেই জাগে ভালোবাসার রথ।
কথা যেন ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
কথা যেন শান্তির বার্তা—দুঃখী মানুষের কানে।
কথা দিয়ে কাউকে যেন দিও না তুমি ব্যথা,
মুমিনের মুখে মানায় শুধু কল্যাণময় কথা।
কটু কথা আগুন জ্বালে, বাড়ায় মনের দূর,
মিষ্টি কথায় বরফ গলে, হৃদয় হয় সুরভিত নূর।
একটি কথা গড়তে পারে ভ্রাতৃত্বেরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত।
তাই তো আগে ভাবো তুমি—কী বলবে আজ মুখে,
কথাটি কি শান্তি দেবে, নাকি দুঃখ ঢোকে বুকে?
সত্য হলে বলো সুন্দর, নম্রতারই সাথে,
কল্যাণ যদি না থাকে—নীরব থাকো তাতে।
হাসিমুখে তাকানোও সদকার এক দান,
ভালোবাসায় ভরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
ভ্রাতার দিকে হাসিমুখে তাকাও স্নেহভরে,
একটি হাসি আনন্দ আনে বিষণ্ন হৃদয়জুড়ে।
হাসি কোনো ক্ষুদ্র বিষয় নয় ইসলামের দৃষ্টিতে,
এতে ভালোবাসা জাগে মানুষেরই চিত্তে।
ক্লান্ত মানুষ সান্ত্বনা পায় একটি মধুর হাসি,
বিষণ্ন মনে জেগে ওঠে আশার নতুন বাঁশি।
হাসিমুখে সালাম দাও, ভালোবেসে কথা বলো,
অহংকারের কালো ছায়া হৃদয় থেকে তাড়াও।
বড়-ছোটের ভেদ ভুলে মানবতার বন্ধন গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটিয়ে ভালোবাসায় ভরো।
কেউ যদি আসে দুঃখ নিয়ে, দিও সান্ত্বনার বাণী,
কেউ যদি হয় পথহারা, দেখাও আলোর নিশানি।
কেউ যদি পড়ে বিপদে, বাড়িয়ে দাও হাত,
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মহৎ জীবনের প্রভাত।
আরেকটি শিক্ষা মনে রেখো সারাটি জীবনভর—
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও নিরন্তর।
যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জানে না কোনোদিন,
সে আল্লাহর নেয়ামতেরও করে না যথার্থ ঋণ।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ইসলামেরই শিক্ষা,
কৃতজ্ঞ হৃদয় পায় জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য, দীক্ষা।
মায়ের সেবা, বাবার দোয়া—ভুলে যেও না কভু,
শিক্ষকের ঋণ, বন্ধুর ঋণ—স্মরণ রেখো সবই।
যে তোমাকে বিপদকালে দিয়েছে সাহায্যের হাত,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম পথ।
যে তোমাকে জ্ঞান দিয়েছে, আলোর পথ দেখিয়েছে,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হৃদয় সম্মান দিয়ে ফিরেছে।
কেউ যদি দেয় এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার সময়,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই মানবতার জয়।
ছোট উপকার ছোট নয়, মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নাই।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুনে দেখো মনে,
জীবন, স্বাস্থ্য, জ্ঞান ও সময়—সবই তাঁর দানে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য, আকাশ, মাটি, প্রাণ—
অগণিত তাঁর নেয়ামত, শেষ হবে না গান।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া হে রব,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানে সব।
সুখে যেমন শুকরিয়া দাও, দুঃখেও ধৈর্য ধরো,
তাঁরই ওপর ভরসা রেখে সোজা পথে চলো।
কৃতজ্ঞ মানুষ অহংকারী হয় না কখনো মনে,
সে তো দেখে দয়ার ছায়া প্রতিটি প্রাপ্তিতে।
নিজের যোগ্যতার অহংকারে ডুবে যায় না প্রাণ,
জানে—সবই রবের দয়া, সবই তাঁর দান।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর কৃতজ্ঞতার আলো,
এই তিন গুণে জীবন হোক নির্মল, সুন্দর, ভালো।
ঘরে ঘরে শান্তি আসুক, দূর হোক হিংসা-দ্বেষ,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক, মুছে যাক সব ক্লেশ।
কথায় যেন মধুরতা থাকে, ব্যবহারে থাকুক মান,
হৃদয়ে থাকুক দয়া-মায়া, মুখে থাকুক ঈমান।
অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিও স্নেহে,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও ভালোবেসে।
কাউকে তুমি অপমান কোরো না কথার তীরে,
কাউকে দিও না কষ্ট তোমার রাগের অগ্নিঝড়ে।
রাগ এলে চুপ থাকো, সংযম করো মন,
মুমিন তো সে-ই, যে রাখে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পরনিন্দা, মিথ্যা, গালি—দূরে রাখো মুখ,
কথার মাধ্যমে কাউকে দিয়ো না কোনো দুঃখ।
সত্য কথা বলো, তবে বলো কোমল ভাষায়,
সত্য যদি হয় কঠিনও—হিকমতের সাথে চাওয়ায়।
হাসিমুখে শিশুকে দেখো, বয়োজ্যেষ্ঠকে মানো,
অতিথিকে সম্মান দাও, প্রতিবেশীর খবর জানো।
ভাইয়ের দুঃখ নিজের ভেবে পাশে গিয়ে দাঁড়াও,
ভালোবাসার বন্ধনে সব হৃদয়কে জড়াও।
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে জীবন সাজাও আজ,
মানুষের উপকার করলে বাড়ে তোমারই সাজ।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া আছে, সে হৃদয় ধনী,
আল্লাহর রহমতের আশায় তার জীবন হয় ঋণী।
উত্তম কথা হোক তোমার প্রতিদিনের গান,
হাসিমুখ হোক তোমার মধুর পরিচয়-জ্ঞান।
কৃতজ্ঞতা হোক হৃদয়ের চিরন্তন অলংকার,
এই গুণেই সুন্দর হোক জীবন ও সংসার।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, রাগের বদলে ক্ষমা,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক জীবনের জমা।
কটু ভাষা ত্যাগ করে দাও মধুর বাণী,
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দাও ইসলামেরই নিশানি।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা বলো,
যে কথা ভাঙন সৃষ্টি করে—সে কথা এড়িয়ে চলো।
যে হাসি দুঃখ ভোলায়—সেই হাসি দাও প্রাণে,
যে দয়া মানুষ জাগায়—সেই দয়া আনো মনে।
যে উপকার পেয়েছ তুমি, মনে রেখো তার ঋণ,
কৃতজ্ঞতার ফুল ফুটুক হৃদয়জুড়ে প্রতিদিন।
মানুষকে ধন্যবাদ দাও, আল্লাহর শুকরিয়া করো,
দুনিয়াতে কল্যাণ বুনে আখিরাতের পাথেয় ধরো।
মনে রেখো—সুন্দর কথা ইবাদতেরই দ্বার,
মধুর হাসি ভালোবাসার অমূল্য উপহার।
কৃতজ্ঞ হৃদয় আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী,
এ তিন গুণে জীবন হোক শান্তিময় ও হাসি।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও দয়া-মায়া, সত্যের নিশানি।
হাসিমুখে মানুষের সাথে চলার তাওফিক দাও,
অকৃতজ্ঞতার কালো ছায়া হৃদয় থেকে সরাও।
যে কথা শুনে মানুষ পায় শান্তির পরশধারা,
সে কথা বলার তাওফিক দাও, হে দয়াময় খোদা।
যে কাজে মানুষ উপকৃত হয়, সে কাজ করাই দাও,
তোমার সন্তুষ্টির পথে আমাদের জীবন সাজাও।
ঈমান হোক কথায়-কাজে, চরিত্র হোক নির্মল,
মানবসেবার মাধ্যমে হোক জীবন সত্যিই সফল।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
দুনিয়ার পথে চলতে গিয়ে ভুলে যেন না যাই—
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই মুমিনের পরিচয় ভাই।
আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে করি সবার কল্যাণ,
উত্তম চরিত্রে গড়ে উঠুক সুন্দর সমাজ-প্রাণ।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া,
এই হোক মোদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা—
এই তো হোক মুমিন জীবনের সুন্দর মহত্ত্ব।
আল্লাহ ও পরকালে রেখে দৃঢ় বিশ্বাস,
উত্তম চরিত্রে গড়ি জীবন—এই হোক আমাদের আশ্বাস।
যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে প্রাণের আলো,
ততদিন মানুষের জন্য করব কাজ ভালো।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর শুকরিয়ার গান—
এই তিনে গড়ব আমরা সুন্দর মানবজ্ঞান।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়,
এই গুণে মানুষ হোক সত্যিকারের জয়।
রবের পথে চলুক জীবন, হোক কল্যাণময়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
***
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো
কথার মাঝে ফুটুক মধু, হৃদয় হোক আলো,
মুমিনের মুখে শোভা পায় কথা শুধু ভালো।
আল্লাহ ও পরকালে যার অটুট ঈমান,
তার মুখে মন্দ কথা নয়—সুন্দর হোক বয়ান।
রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈমান যার অন্তরে রয়,
সে যেন উত্তম কথা বলে, মন্দ কথা নয়।
ভালো কথা হৃদয় জাগায়, মুছে মনের ক্ষত,
একটি মধুর বাক্যেই জাগে ভালোবাসার রথ।
কথা যেন ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
কথা যেন শান্তির বার্তা—দুঃখী মানুষের কানে।
কথা দিয়ে কাউকে যেন দিও না তুমি ব্যথা,
মুমিনের মুখে মানায় শুধু কল্যাণময় কথা।
কটু কথা আগুন জ্বালে, বাড়ায় মনের দূর,
মিষ্টি কথায় বরফ গলে, হৃদয় হয় সুরভিত নূর।
একটি কথা গড়তে পারে ভ্রাতৃত্বেরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত।
তাই তো আগে ভাবো তুমি—কী বলবে আজ মুখে,
কথাটি কি শান্তি দেবে, নাকি দুঃখ ঢোকে বুকে?
সত্য হলে বলো সুন্দর, নম্রতারই সাথে,
কল্যাণ যদি না থাকে—নীরব থাকো তাতে।
হাসিমুখে তাকানোও সদকার এক দান,
ভালোবাসায় ভরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
ভ্রাতার দিকে হাসিমুখে তাকাও স্নেহভরে,
একটি হাসি আনন্দ আনে বিষণ্ন হৃদয়জুড়ে।
হাসি কোনো ক্ষুদ্র বিষয় নয় ইসলামের দৃষ্টিতে,
এতে ভালোবাসা জাগে মানুষেরই চিত্তে।
ক্লান্ত মানুষ সান্ত্বনা পায় একটি মধুর হাসি,
বিষণ্ন মনে জেগে ওঠে আশার নতুন বাঁশি।
হাসিমুখে সালাম দাও, ভালোবেসে কথা বলো,
অহংকারের কালো ছায়া হৃদয় থেকে তাড়াও।
বড়-ছোটের ভেদ ভুলে মানবতার বন্ধন গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটিয়ে ভালোবাসায় ভরো।
কেউ যদি আসে দুঃখ নিয়ে, দিও সান্ত্বনার বাণী,
কেউ যদি হয় পথহারা, দেখাও আলোর নিশানি।
কেউ যদি পড়ে বিপদে, বাড়িয়ে দাও হাত,
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মহৎ জীবনের প্রভাত।
আরেকটি শিক্ষা মনে রেখো সারাটি জীবনভর—
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও নিরন্তর।
যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জানে না কোনোদিন,
সে আল্লাহর নেয়ামতেরও করে না যথার্থ ঋণ।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ইসলামেরই শিক্ষা,
কৃতজ্ঞ হৃদয় পায় জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য, দীক্ষা।
মায়ের সেবা, বাবার দোয়া—ভুলে যেও না কভু,
শিক্ষকের ঋণ, বন্ধুর ঋণ—স্মরণ রেখো সবই।
যে তোমাকে বিপদকালে দিয়েছে সাহায্যের হাত,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম পথ।
যে তোমাকে জ্ঞান দিয়েছে, আলোর পথ দেখিয়েছে,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হৃদয় সম্মান দিয়ে ফিরেছে।
কেউ যদি দেয় এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার সময়,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই মানবতার জয়।
ছোট উপকার ছোট নয়, মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নাই।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুনে দেখো মনে,
জীবন, স্বাস্থ্য, জ্ঞান ও সময়—সবই তাঁর দানে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য, আকাশ, মাটি, প্রাণ—
অগণিত তাঁর নেয়ামত, শেষ হবে না গান।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া হে রব,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানে সব।
সুখে যেমন শুকরিয়া দাও, দুঃখেও ধৈর্য ধরো,
তাঁরই ওপর ভরসা রেখে সোজা পথে চলো।
কৃতজ্ঞ মানুষ অহংকারী হয় না কখনো মনে,
সে তো দেখে দয়ার ছায়া প্রতিটি প্রাপ্তিতে।
নিজের যোগ্যতার অহংকারে ডুবে যায় না প্রাণ,
জানে—সবই রবের দয়া, সবই তাঁর দান।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর কৃতজ্ঞতার আলো,
এই তিন গুণে জীবন হোক নির্মল, সুন্দর, ভালো।
ঘরে ঘরে শান্তি আসুক, দূর হোক হিংসা-দ্বেষ,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক, মুছে যাক সব ক্লেশ।
কথায় যেন মধুরতা থাকে, ব্যবহারে থাকুক মান,
হৃদয়ে থাকুক দয়া-মায়া, মুখে থাকুক ঈমান।
অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিও স্নেহে,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও ভালোবেসে।
কাউকে তুমি অপমান কোরো না কথার তীরে,
কাউকে দিও না কষ্ট তোমার রাগের অগ্নিঝড়ে।
রাগ এলে চুপ থাকো, সংযম করো মন,
মুমিন তো সে-ই, যে রাখে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পরনিন্দা, মিথ্যা, গালি—দূরে রাখো মুখ,
কথার মাধ্যমে কাউকে দিয়ো না কোনো দুঃখ।
সত্য কথা বলো, তবে বলো কোমল ভাষায়,
সত্য যদি হয় কঠিনও—হিকমতের সাথে চাওয়ায়।
হাসিমুখে শিশুকে দেখো, বয়োজ্যেষ্ঠকে মানো,
অতিথিকে সম্মান দাও, প্রতিবেশীর খবর জানো।
ভাইয়ের দুঃখ নিজের ভেবে পাশে গিয়ে দাঁড়াও,
ভালোবাসার বন্ধনে সব হৃদয়কে জড়াও।
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে জীবন সাজাও আজ,
মানুষের উপকার করলে বাড়ে তোমারই সাজ।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া আছে, সে হৃদয় ধনী,
আল্লাহর রহমতের আশায় তার জীবন হয় ঋণী।
উত্তম কথা হোক তোমার প্রতিদিনের গান,
হাসিমুখ হোক তোমার মধুর পরিচয়-জ্ঞান।
কৃতজ্ঞতা হোক হৃদয়ের চিরন্তন অলংকার,
এই গুণেই সুন্দর হোক জীবন ও সংসার।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, রাগের বদলে ক্ষমা,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক জীবনের জমা।
কটু ভাষা ত্যাগ করে দাও মধুর বাণী,
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দাও ইসলামেরই নিশানি।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা বলো,
যে কথা ভাঙন সৃষ্টি করে—সে কথা এড়িয়ে চলো।
যে হাসি দুঃখ ভোলায়—সেই হাসি দাও প্রাণে,
যে দয়া মানুষ জাগায়—সেই দয়া আনো মনে।
যে উপকার পেয়েছ তুমি, মনে রেখো তার ঋণ,
কৃতজ্ঞতার ফুল ফুটুক হৃদয়জুড়ে প্রতিদিন।
মানুষকে ধন্যবাদ দাও, আল্লাহর শুকরিয়া করো,
দুনিয়াতে কল্যাণ বুনে আখিরাতের পাথেয় ধরো।
মনে রেখো—সুন্দর কথা ইবাদতেরই দ্বার,
মধুর হাসি ভালোবাসার অমূল্য উপহার।
কৃতজ্ঞ হৃদয় আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী,
এ তিন গুণে জীবন হোক শান্তিময় ও হাসি।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও দয়া-মায়া, সত্যের নিশানি।
হাসিমুখে মানুষের সাথে চলার তাওফিক দাও,
অকৃতজ্ঞতার কালো ছায়া হৃদয় থেকে সরাও।
যে কথা শুনে মানুষ পায় শান্তির পরশধারা,
সে কথা বলার তাওফিক দাও, হে দয়াময় খোদা।
যে কাজে মানুষ উপকৃত হয়, সে কাজ করাই দাও,
তোমার সন্তুষ্টির পথে আমাদের জীবন সাজাও।
ঈমান হোক কথায়-কাজে, চরিত্র হোক নির্মল,
মানবসেবার মাধ্যমে হোক জীবন সত্যিই সফল।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
দুনিয়ার পথে চলতে গিয়ে ভুলে যেন না যাই—
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই মুমিনের পরিচয় ভাই।
আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে করি সবার কল্যাণ,
উত্তম চরিত্রে গড়ে উঠুক সুন্দর সমাজ-প্রাণ।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া,
এই হোক মোদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা—
এই তো হোক মুমিন জীবনের সুন্দর মহত্ত্ব।
আল্লাহ ও পরকালে রেখে দৃঢ় বিশ্বাস,
উত্তম চরিত্রে গড়ি জীবন—এই হোক আমাদের আশ্বাস।
যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে প্রাণের আলো,
ততদিন মানুষের জন্য করব কাজ ভালো।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর শুকরিয়ার গান—
এই তিনে গড়ব আমরা সুন্দর মানবজ্ঞান।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়,
এই গুণে মানুষ হোক সত্যিকারের জয়।
রবের পথে চলুক জীবন, হোক কল্যাণময়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
***
মোঃ মুজিবুর রহমান
কথার মাঝে ফুটুক মধু, হৃদয় হোক আলো,
মুমিনের মুখে শোভা পায় কথা শুধু ভালো।
আল্লাহ ও পরকালে যার অটুট ঈমান,
তার মুখে মন্দ কথা নয়—সুন্দর হোক বয়ান।
রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈমান যার অন্তরে রয়,
সে যেন উত্তম কথা বলে, মন্দ কথা নয়।
ভালো কথা হৃদয় জাগায়, মুছে মনের ক্ষত,
একটি মধুর বাক্যেই জাগে ভালোবাসার রথ।
কথা যেন ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
কথা যেন শান্তির বার্তা—দুঃখী মানুষের কানে।
কথা দিয়ে কাউকে যেন দিও না তুমি ব্যথা,
মুমিনের মুখে মানায় শুধু কল্যাণময় কথা।
কটু কথা আগুন জ্বালে, বাড়ায় মনের দূর,
মিষ্টি কথায় বরফ গলে, হৃদয় হয় সুরভিত নূর।
একটি কথা গড়তে পারে ভ্রাতৃত্বেরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত।
তাই তো আগে ভাবো তুমি—কী বলবে আজ মুখে,
কথাটি কি শান্তি দেবে, নাকি দুঃখ ঢোকে বুকে?
সত্য হলে বলো সুন্দর, নম্রতারই সাথে,
কল্যাণ যদি না থাকে—নীরব থাকো তাতে।
হাসিমুখে তাকানোও সদকার এক দান,
ভালোবাসায় ভরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
ভ্রাতার দিকে হাসিমুখে তাকাও স্নেহভরে,
একটি হাসি আনন্দ আনে বিষণ্ন হৃদয়জুড়ে।
হাসি কোনো ক্ষুদ্র বিষয় নয় ইসলামের দৃষ্টিতে,
এতে ভালোবাসা জাগে মানুষেরই চিত্তে।
ক্লান্ত মানুষ সান্ত্বনা পায় একটি মধুর হাসি,
বিষণ্ন মনে জেগে ওঠে আশার নতুন বাঁশি।
হাসিমুখে সালাম দাও, ভালোবেসে কথা বলো,
অহংকারের কালো ছায়া হৃদয় থেকে তাড়াও।
বড়-ছোটের ভেদ ভুলে মানবতার বন্ধন গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটিয়ে ভালোবাসায় ভরো।
কেউ যদি আসে দুঃখ নিয়ে, দিও সান্ত্বনার বাণী,
কেউ যদি হয় পথহারা, দেখাও আলোর নিশানি।
কেউ যদি পড়ে বিপদে, বাড়িয়ে দাও হাত,
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মহৎ জীবনের প্রভাত।
আরেকটি শিক্ষা মনে রেখো সারাটি জীবনভর—
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও নিরন্তর।
যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জানে না কোনোদিন,
সে আল্লাহর নেয়ামতেরও করে না যথার্থ ঋণ।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ইসলামেরই শিক্ষা,
কৃতজ্ঞ হৃদয় পায় জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য, দীক্ষা।
মায়ের সেবা, বাবার দোয়া—ভুলে যেও না কভু,
শিক্ষকের ঋণ, বন্ধুর ঋণ—স্মরণ রেখো সবই।
যে তোমাকে বিপদকালে দিয়েছে সাহায্যের হাত,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম পথ।
যে তোমাকে জ্ঞান দিয়েছে, আলোর পথ দেখিয়েছে,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হৃদয় সম্মান দিয়ে ফিরেছে।
কেউ যদি দেয় এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার সময়,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই মানবতার জয়।
ছোট উপকার ছোট নয়, মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নাই।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুনে দেখো মনে,
জীবন, স্বাস্থ্য, জ্ঞান ও সময়—সবই তাঁর দানে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য, আকাশ, মাটি, প্রাণ—
অগণিত তাঁর নেয়ামত, শেষ হবে না গান।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া হে রব,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানে সব।
সুখে যেমন শুকরিয়া দাও, দুঃখেও ধৈর্য ধরো,
তাঁরই ওপর ভরসা রেখে সোজা পথে চলো।
কৃতজ্ঞ মানুষ অহংকারী হয় না কখনো মনে,
সে তো দেখে দয়ার ছায়া প্রতিটি প্রাপ্তিতে।
নিজের যোগ্যতার অহংকারে ডুবে যায় না প্রাণ,
জানে—সবই রবের দয়া, সবই তাঁর দান।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর কৃতজ্ঞতার আলো,
এই তিন গুণে জীবন হোক নির্মল, সুন্দর, ভালো।
ঘরে ঘরে শান্তি আসুক, দূর হোক হিংসা-দ্বেষ,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক, মুছে যাক সব ক্লেশ।
কথায় যেন মধুরতা থাকে, ব্যবহারে থাকুক মান,
হৃদয়ে থাকুক দয়া-মায়া, মুখে থাকুক ঈমান।
অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিও স্নেহে,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও ভালোবেসে।
কাউকে তুমি অপমান কোরো না কথার তীরে,
কাউকে দিও না কষ্ট তোমার রাগের অগ্নিঝড়ে।
রাগ এলে চুপ থাকো, সংযম করো মন,
মুমিন তো সে-ই, যে রাখে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পরনিন্দা, মিথ্যা, গালি—দূরে রাখো মুখ,
কথার মাধ্যমে কাউকে দিয়ো না কোনো দুঃখ।
সত্য কথা বলো, তবে বলো কোমল ভাষায়,
সত্য যদি হয় কঠিনও—হিকমতের সাথে চাওয়ায়।
হাসিমুখে শিশুকে দেখো, বয়োজ্যেষ্ঠকে মানো,
অতিথিকে সম্মান দাও, প্রতিবেশীর খবর জানো।
ভাইয়ের দুঃখ নিজের ভেবে পাশে গিয়ে দাঁড়াও,
ভালোবাসার বন্ধনে সব হৃদয়কে জড়াও।
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে জীবন সাজাও আজ,
মানুষের উপকার করলে বাড়ে তোমারই সাজ।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া আছে, সে হৃদয় ধনী,
আল্লাহর রহমতের আশায় তার জীবন হয় ঋণী।
উত্তম কথা হোক তোমার প্রতিদিনের গান,
হাসিমুখ হোক তোমার মধুর পরিচয়-জ্ঞান।
কৃতজ্ঞতা হোক হৃদয়ের চিরন্তন অলংকার,
এই গুণেই সুন্দর হোক জীবন ও সংসার।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, রাগের বদলে ক্ষমা,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক জীবনের জমা।
কটু ভাষা ত্যাগ করে দাও মধুর বাণী,
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দাও ইসলামেরই নিশানি।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা বলো,
যে কথা ভাঙন সৃষ্টি করে—সে কথা এড়িয়ে চলো।
যে হাসি দুঃখ ভোলায়—সেই হাসি দাও প্রাণে,
যে দয়া মানুষ জাগায়—সেই দয়া আনো মনে।
যে উপকার পেয়েছ তুমি, মনে রেখো তার ঋণ,
কৃতজ্ঞতার ফুল ফুটুক হৃদয়জুড়ে প্রতিদিন।
মানুষকে ধন্যবাদ দাও, আল্লাহর শুকরিয়া করো,
দুনিয়াতে কল্যাণ বুনে আখিরাতের পাথেয় ধরো।
মনে রেখো—সুন্দর কথা ইবাদতেরই দ্বার,
মধুর হাসি ভালোবাসার অমূল্য উপহার।
কৃতজ্ঞ হৃদয় আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী,
এ তিন গুণে জীবন হোক শান্তিময় ও হাসি।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও দয়া-মায়া, সত্যের নিশানি।
হাসিমুখে মানুষের সাথে চলার তাওফিক দাও,
অকৃতজ্ঞতার কালো ছায়া হৃদয় থেকে সরাও।
যে কথা শুনে মানুষ পায় শান্তির পরশধারা,
সে কথা বলার তাওফিক দাও, হে দয়াময় খোদা।
যে কাজে মানুষ উপকৃত হয়, সে কাজ করাই দাও,
তোমার সন্তুষ্টির পথে আমাদের জীবন সাজাও।
ঈমান হোক কথায়-কাজে, চরিত্র হোক নির্মল,
মানবসেবার মাধ্যমে হোক জীবন সত্যিই সফল।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
দুনিয়ার পথে চলতে গিয়ে ভুলে যেন না যাই—
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই মুমিনের পরিচয় ভাই।
আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে করি সবার কল্যাণ,
উত্তম চরিত্রে গড়ে উঠুক সুন্দর সমাজ-প্রাণ।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া,
এই হোক মোদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা—
এই তো হোক মুমিন জীবনের সুন্দর মহত্ত্ব।
আল্লাহ ও পরকালে রেখে দৃঢ় বিশ্বাস,
উত্তম চরিত্রে গড়ি জীবন—এই হোক আমাদের আশ্বাস।
যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে প্রাণের আলো,
ততদিন মানুষের জন্য করব কাজ ভালো।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর শুকরিয়ার গান—
এই তিনে গড়ব আমরা সুন্দর মানবজ্ঞান।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়,
এই গুণে মানুষ হোক সত্যিকারের জয়।
রবের পথে চলুক জীবন, হোক কল্যাণময়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
***
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো
মোঃ মুজিবুর রহমান
কথার মাঝে ফুটুক মধু, হৃদয় হোক আলো,
মুমিনের মুখে শোভা পায় কথা শুধু ভালো।
আল্লাহ ও পরকালে যার অটুট ঈমান,
তার মুখে মন্দ কথা নয়—সুন্দর হোক বয়ান।
রাসুল (সা.) বলেছেন—ঈমান যার অন্তরে রয়,
সে যেন উত্তম কথা বলে, মন্দ কথা নয়।
ভালো কথা হৃদয় জাগায়, মুছে মনের ক্ষত,
একটি মধুর বাক্যেই জাগে ভালোবাসার রথ।
কথা যেন ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
কথা যেন শান্তির বার্তা—দুঃখী মানুষের কানে।
কথা দিয়ে কাউকে যেন দিও না তুমি ব্যথা,
মুমিনের মুখে মানায় শুধু কল্যাণময় কথা।
কটু কথা আগুন জ্বালে, বাড়ায় মনের দূর,
মিষ্টি কথায় বরফ গলে, হৃদয় হয় সুরভিত নূর।
একটি কথা গড়তে পারে ভ্রাতৃত্বেরই সেতু,
একটি কথা ভেঙে দিতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত।
তাই তো আগে ভাবো তুমি—কী বলবে আজ মুখে,
কথাটি কি শান্তি দেবে, নাকি দুঃখ ঢোকে বুকে?
সত্য হলে বলো সুন্দর, নম্রতারই সাথে,
কল্যাণ যদি না থাকে—নীরব থাকো তাতে।
হাসিমুখে তাকানোও সদকার এক দান,
ভালোবাসায় ভরে ওঠে মানুষের প্রাণ।
ভ্রাতার দিকে হাসিমুখে তাকাও স্নেহভরে,
একটি হাসি আনন্দ আনে বিষণ্ন হৃদয়জুড়ে।
হাসি কোনো ক্ষুদ্র বিষয় নয় ইসলামের দৃষ্টিতে,
এতে ভালোবাসা জাগে মানুষেরই চিত্তে।
ক্লান্ত মানুষ সান্ত্বনা পায় একটি মধুর হাসি,
বিষণ্ন মনে জেগে ওঠে আশার নতুন বাঁশি।
হাসিমুখে সালাম দাও, ভালোবেসে কথা বলো,
অহংকারের কালো ছায়া হৃদয় থেকে তাড়াও।
বড়-ছোটের ভেদ ভুলে মানবতার বন্ধন গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের ফুল ফুটিয়ে ভালোবাসায় ভরো।
কেউ যদি আসে দুঃখ নিয়ে, দিও সান্ত্বনার বাণী,
কেউ যদি হয় পথহারা, দেখাও আলোর নিশানি।
কেউ যদি পড়ে বিপদে, বাড়িয়ে দাও হাত,
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মহৎ জীবনের প্রভাত।
আরেকটি শিক্ষা মনে রেখো সারাটি জীবনভর—
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও নিরন্তর।
যে মানুষের কৃতজ্ঞতা জানে না কোনোদিন,
সে আল্লাহর নেয়ামতেরও করে না যথার্থ ঋণ।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ইসলামেরই শিক্ষা,
কৃতজ্ঞ হৃদয় পায় জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য, দীক্ষা।
মায়ের সেবা, বাবার দোয়া—ভুলে যেও না কভু,
শিক্ষকের ঋণ, বন্ধুর ঋণ—স্মরণ রেখো সবই।
যে তোমাকে বিপদকালে দিয়েছে সাহায্যের হাত,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম পথ।
যে তোমাকে জ্ঞান দিয়েছে, আলোর পথ দেখিয়েছে,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হৃদয় সম্মান দিয়ে ফিরেছে।
কেউ যদি দেয় এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার সময়,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই মানবতার জয়।
ছোট উপকার ছোট নয়, মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নাই।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুনে দেখো মনে,
জীবন, স্বাস্থ্য, জ্ঞান ও সময়—সবই তাঁর দানে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য, আকাশ, মাটি, প্রাণ—
অগণিত তাঁর নেয়ামত, শেষ হবে না গান।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া হে রব,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানে সব।
সুখে যেমন শুকরিয়া দাও, দুঃখেও ধৈর্য ধরো,
তাঁরই ওপর ভরসা রেখে সোজা পথে চলো।
কৃতজ্ঞ মানুষ অহংকারী হয় না কখনো মনে,
সে তো দেখে দয়ার ছায়া প্রতিটি প্রাপ্তিতে।
নিজের যোগ্যতার অহংকারে ডুবে যায় না প্রাণ,
জানে—সবই রবের দয়া, সবই তাঁর দান।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর কৃতজ্ঞতার আলো,
এই তিন গুণে জীবন হোক নির্মল, সুন্দর, ভালো।
ঘরে ঘরে শান্তি আসুক, দূর হোক হিংসা-দ্বেষ,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক, মুছে যাক সব ক্লেশ।
কথায় যেন মধুরতা থাকে, ব্যবহারে থাকুক মান,
হৃদয়ে থাকুক দয়া-মায়া, মুখে থাকুক ঈমান।
অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিও স্নেহে,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও ভালোবেসে।
কাউকে তুমি অপমান কোরো না কথার তীরে,
কাউকে দিও না কষ্ট তোমার রাগের অগ্নিঝড়ে।
রাগ এলে চুপ থাকো, সংযম করো মন,
মুমিন তো সে-ই, যে রাখে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
পরনিন্দা, মিথ্যা, গালি—দূরে রাখো মুখ,
কথার মাধ্যমে কাউকে দিয়ো না কোনো দুঃখ।
সত্য কথা বলো, তবে বলো কোমল ভাষায়,
সত্য যদি হয় কঠিনও—হিকমতের সাথে চাওয়ায়।
হাসিমুখে শিশুকে দেখো, বয়োজ্যেষ্ঠকে মানো,
অতিথিকে সম্মান দাও, প্রতিবেশীর খবর জানো।
ভাইয়ের দুঃখ নিজের ভেবে পাশে গিয়ে দাঁড়াও,
ভালোবাসার বন্ধনে সব হৃদয়কে জড়াও।
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা নিয়ে জীবন সাজাও আজ,
মানুষের উপকার করলে বাড়ে তোমারই সাজ।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া আছে, সে হৃদয় ধনী,
আল্লাহর রহমতের আশায় তার জীবন হয় ঋণী।
উত্তম কথা হোক তোমার প্রতিদিনের গান,
হাসিমুখ হোক তোমার মধুর পরিচয়-জ্ঞান।
কৃতজ্ঞতা হোক হৃদয়ের চিরন্তন অলংকার,
এই গুণেই সুন্দর হোক জীবন ও সংসার।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, রাগের বদলে ক্ষমা,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক জীবনের জমা।
কটু ভাষা ত্যাগ করে দাও মধুর বাণী,
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দাও ইসলামেরই নিশানি।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা বলো,
যে কথা ভাঙন সৃষ্টি করে—সে কথা এড়িয়ে চলো।
যে হাসি দুঃখ ভোলায়—সেই হাসি দাও প্রাণে,
যে দয়া মানুষ জাগায়—সেই দয়া আনো মনে।
যে উপকার পেয়েছ তুমি, মনে রেখো তার ঋণ,
কৃতজ্ঞতার ফুল ফুটুক হৃদয়জুড়ে প্রতিদিন।
মানুষকে ধন্যবাদ দাও, আল্লাহর শুকরিয়া করো,
দুনিয়াতে কল্যাণ বুনে আখিরাতের পাথেয় ধরো।
মনে রেখো—সুন্দর কথা ইবাদতেরই দ্বার,
মধুর হাসি ভালোবাসার অমূল্য উপহার।
কৃতজ্ঞ হৃদয় আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী,
এ তিন গুণে জীবন হোক শান্তিময় ও হাসি।
হে আল্লাহ! আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও দয়া-মায়া, সত্যের নিশানি।
হাসিমুখে মানুষের সাথে চলার তাওফিক দাও,
অকৃতজ্ঞতার কালো ছায়া হৃদয় থেকে সরাও।
যে কথা শুনে মানুষ পায় শান্তির পরশধারা,
সে কথা বলার তাওফিক দাও, হে দয়াময় খোদা।
যে কাজে মানুষ উপকৃত হয়, সে কাজ করাই দাও,
তোমার সন্তুষ্টির পথে আমাদের জীবন সাজাও।
ঈমান হোক কথায়-কাজে, চরিত্র হোক নির্মল,
মানবসেবার মাধ্যমে হোক জীবন সত্যিই সফল।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
দুনিয়ার পথে চলতে গিয়ে ভুলে যেন না যাই—
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই মুমিনের পরিচয় ভাই।
আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে করি সবার কল্যাণ,
উত্তম চরিত্রে গড়ে উঠুক সুন্দর সমাজ-প্রাণ।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া,
এই হোক মোদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা—
এই তো হোক মুমিন জীবনের সুন্দর মহত্ত্ব।
আল্লাহ ও পরকালে রেখে দৃঢ় বিশ্বাস,
উত্তম চরিত্রে গড়ি জীবন—এই হোক আমাদের আশ্বাস।
যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে প্রাণের আলো,
ততদিন মানুষের জন্য করব কাজ ভালো।
উত্তম কথা, হাসিমুখ আর শুকরিয়ার গান—
এই তিনে গড়ব আমরা সুন্দর মানবজ্ঞান।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়,
এই গুণে মানুষ হোক সত্যিকারের জয়।
রবের পথে চলুক জীবন, হোক কল্যাণময়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
***
উত্তম কথা, হাসিমুখ ও কৃতজ্ঞতার আলো
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞতার মন—
এই তিন গুণে সুন্দর হয় মানুষের জীবন।
ঈমান শুধু মুখের কথা নয়, আচরণেও তার ছাপ,
সুন্দর চরিত্রে ফুটে ওঠে মুমিনেরই মাপ।
আল্লাহ ও পরকালে যে রাখে দৃঢ় বিশ্বাস,
তার কথায় থাকুক মাধুর্য, সত্য, কল্যাণের সুবাস।
জিহ্বা যেন বিষ না ছড়ায়, না দেয় কারও ক্ষত,
কথার মাঝে ফুটুক সদা ভালোবাসার রত্ন।
আল্লাহ ও পরকালের প্রতি যার রয়েছে ঈমান,
সে যেন বলে উত্তম কথা—কল্যাণময় বয়ান।
রাসুল (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন—সুন্দর হোক ভাষা,
অকল্যাণের কথা ছেড়ে নীরব থাকাই আশা।
কথা হলো আমানত যেন—ভেবেচিন্তে বলো,
মনের কথা বলার আগে সত্য-মিথ্যা চলো।
কথাটি কি উপকার করবে? দেবে কারও সুখ?
নাকি তোমার একটি কথায় বাড়বে কারও দুঃখ?
মধুর কথা ফুলের মতো, সুবাস ছড়ায় প্রাণে,
শান্তির বার্তা হয়ে যায় ক্লান্ত মানুষের কানে।
একটি কথা সেতু গড়ে দুটি হৃদয় মাঝে,
একটি কথা ভাঙন আনে ভালোবাসার কাজে।
তাই তো আগে ভাবো—কথা বলার আগে,
কী ফল হবে তোমার কথার মানুষের অনুরাগে?
সত্য বলো, সুন্দর বলো, বলো বিনয় ধরে,
কঠিন সত্যও কোমল করো প্রজ্ঞার মধু ভরে।
মিথ্যা কথা, কটু কথা, গালি ও অপবাদ,
মুমিনের মুখে যেন না পায় কোনো আসন-স্বাদ।
পরনিন্দার বিষে যেন কলুষিত না প্রাণ,
অকারণে কারও মনে দিয়ো না অপমান।
রাগের বশে এমন কথা বলো না আর কখনো,
যে কথা পরে কাঁদাবে তোমাকেই সারাক্ষণ।
রাগ এলে থেমে যাও, সংযম ধরো মনে,
জিহ্বাকে পাহারা দাও আল্লাহর ভয় মনে।
কথায় যদি শান্তি থাকে—সে কথাই বলো ভাই,
যে কথাতে কল্যাণ নেই—সে কথা বলো নাই।
যে কথা মানুষ জোড়া লাগায়—সেই কথা হোক মুখে,
যে কথা মানুষ ভেঙে দেয়—তা থাক দূরে বুকে।
ভাইয়ের দিকে হাসিমুখে তাকানোও যে দান,
এ শিক্ষা নবীজি দিয়েছেন—অমূল্য সেই জ্ঞান।
একটি হাসি বিনা মূল্যে আনন্দ বিলায় প্রাণে,
দুঃখী মানুষের আশার আলো জ্বালায় ক্ষণেক টানে।
হাসিমুখে সালাম দাও, মিষ্টি করে বলো,
অহংকারের কালো পর্দা হৃদয় থেকে সরাও।
ছোট-বড়ের ভেদ ভুলে ভালোবাসা গড়ো,
ভ্রাতৃত্বের পবিত্র বন্ধন হৃদয় দিয়ে ধরো।
একটি হাসি ক্লান্ত মনে এনে দিতে পারে সুখ,
একটি মধুর সম্ভাষণে মুছে যেতে পারে দুঃখ।
হাসি যেন অবহেলা নয়, নয় বিদ্রূপের ভাষা,
হাসি হোক আন্তরিকতার, ভালোবাসার আশা।
যে মানুষটি বিষণ্ন হয়ে বসে আছে একাকী,
হাসিমুখে কাছে গিয়ে বলো—“কেমন আছ, ভাই?”
হয়তো তোমার সামান্য সেই আন্তরিকতা,
তার অন্ধকার মনে জাগাবে নতুন সম্ভাবনা।
শিশুর প্রতি স্নেহ রাখো, বৃদ্ধকে দাও মান,
অতিথিকে সম্মান করো, রাখো প্রতিবেশীর খোঁজখবর।
অসহায়ের পাশে দাঁড়াও, দুঃখীর দুঃখ শোনো,
মানুষের কষ্টকে নিজের কষ্টের মতো জেনো।
মানুষের উপকার পেলে কৃতজ্ঞ হও মনে,
উপকারীর কথা রেখো শ্রদ্ধাভরা স্মরণে।
যে মানুষের কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহরও নয়—
কৃতজ্ঞতার শিক্ষা তাই জীবনে অমূল্য হয়।
কেউ যদি বিপদকালে বাড়িয়ে দেয় হাত,
ভালোবাসায় স্মরণ রেখো তার সেই অবদান।
কেউ যদি আঁধার রাতে দেখায় আলোর পথ,
তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও—এটাই উত্তম রথ।
মায়ের স্নেহ, বাবার ত্যাগ—ভুলো না কোনোদিন,
শিক্ষকের জ্ঞান, বন্ধুর সেবা—মনে রেখো প্রতিদিন।
যে তোমাকে ভালোবেসে শিখিয়েছে ভালো হতে,
তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখো হৃদয়ের গভীর কোণে।
এক গ্লাস পানি তৃষ্ণার মাঝে অমূল্য উপহার,
ক্ষুদ্র মনে হলেও তাতে থাকে মমতার ভার।
ছোট উপকার ছোট নয়—মনে রেখো ভাই,
কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্যের তুলনা কোথাও নাই।
“ধন্যবাদ” বলতে লজ্জা কিসের? বলো ভালোবেসে,
শুকরিয়া দাও উপকারীর আন্তরিকতা নিয়ে।
কৃতজ্ঞ হৃদয় মানুষকে করে বিনয়ী, মহান,
অহংকারের শৃঙ্খল ছিঁড়ে জাগায় মানবজ্ঞান।
জীবন দিয়েছেন আল্লাহ, দিয়েছেন শ্বাস-প্রশ্বাস,
চোখ দিয়েছেন দেখার জন্য, দিয়েছেন জ্ঞানের আভাস।
কান দিয়েছেন শুনতে, মুখ দিয়েছেন বলার তরে,
হাত-পা দিয়েছেন কর্মের পথে চলার পরে।
বাতাস, পানি, আলো, খাদ্য—সবই তাঁর দান,
আকাশভরা নক্ষত্রমালা, পৃথিবী তাঁর মহান দান।
সকাল আসে, রাত নামে, ঋতু বদলায় ধীরে—
রহমতের কত নিদর্শন ছড়িয়ে আছে ঘিরে।
তাই বলো—আলহামদুলিল্লাহ, হে পরম দয়াময়,
তোমার দানে জীবন আমার, তোমার দানেই সবই হয়।
সুখে তোমার শুকরিয়া, দুঃখে রাখো সবর,
তোমার ওপর ভরসা রেখে চলব সোজা পথ ধরে।
নিজের শক্তি, জ্ঞান, যোগ্যতা নিয়ে করো না অহংকার,
সবই তো তাঁর অনুগ্রহ—সবই তাঁর উপহার।
যে হৃদয়ে শুকরিয়া থাকে, সে হৃদয় হয় ধনী,
কমের মাঝেও শান্তি পায়, সুখী থাকে সে জনই।
শুধু মুখে ভালো কথা—তাতেই নয় পূর্ণতা,
কাজের মাঝে ফুটতে হবে ঈমানেরই মহত্ত্ব।
মুখে যদি মধুর বাণী, কাজে যদি অন্যায়,
তবে সে কথার সৌন্দর্য কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়?
সত্য বলো, সত্য চলো, ন্যায়ের পথে থাকো,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে সত্যের পতাকা রাখো।
কথায় যেমন মিষ্টতা চাই, কাজে চাই সততা,
আচরণে ফুটুক তোমার ইসলামের পবিত্রতা।
প্রতিশ্রুতি দিলে রাখো, আমানত রেখো সুরক্ষিত,
অন্যের অধিকার দিও না কখনো করে ক্ষুণ্নিত।
ক্ষমতা পেলে বিনয়ী হও, সম্পদ পেলে দয়ালু,
জ্ঞান পেলে অহংকার নয়—হও আরো বিনয়ী।
ঘরে যদি মধুর ভাষা, ঘর হয় শান্তির নীড়,
কটু কথায় সেই ঘরেই জমে দুঃখের ভিড়।
স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি রাখো সম্মান,
ভালো কথায় গড়ে ওঠে সুখের সংসার-প্রাণ।
মা-বাবার সঙ্গে বলো কোমল মধুর কথা,
তাঁদের মনে দিও না তুমি অকারণের ব্যথা।
ভাই-বোনের সঙ্গে রাখো ভালোবাসার বন্ধন,
ক্ষমা, দয়া, সহমর্মিতায় সাজাও আপনজন।
সন্তানের সামনে সুন্দর ভাষার দৃষ্টান্ত রাখো,
তাদের ছোট ভুলে ভালোবেসে সঠিক শিক্ষা দাও।
শাসন যদি করতেই হয়, করো স্নেহের সাথে,
কঠোরতার বদলে দাও প্রজ্ঞার মধুর হাতে।
সমাজে ছড়িয়ে দাও আলো
একজনের ভালো কথায় বদলে যেতে পারে মন,
একটি হাসি জাগিয়ে দিতে পারে নতুন জীবন।
একটি কৃতজ্ঞ হৃদয় শেখায় বিনয়ের পাঠ,
একটি ভালো আচরণ গড়তে পারে সমাজের ভীত।
হিংসার বদলে ভালোবাসা, বিদ্বেষের বদলে মায়া,
অহংকারের বদলে বিনয়—এই হোক মনের ছায়া।
ক্ষমার মাঝে মহত্ত্ব আছে, দয়ার মাঝে মান,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মহৎ দান।
যে পড়ে যায়, হাত বাড়িয়ে তাকে তুলে ধরো,
যে পথ হারায়, ভালোবেসে তার পথটি দেখাও।
যে কাঁদে, তার চোখের পানি মুছে দাও স্নেহে,
মানবতার এই শিক্ষা ছড়িয়ে দাও পৃথিবীজুড়ে।
জিহ্বা দিয়ে কুরআন পড়ো, জিকির করো প্রাণে,
সত্য কথা বলো সদা মানুষের কল্যাণে।
জিহ্বা দিয়ে কাউকে যেন করো না অপমান,
জিহ্বা দিয়ে ছড়াও ভালোবাসা, শান্তি ও সম্মান।
মিথ্যার কালো ছায়া যেন মুখে না আসে আর,
পরনিন্দার বিষে যেন না পোড়ে হৃদয়-দ্বার।
কথা যদি হয় ইবাদত—তবে হোক পবিত্র,
তোমার ভাষায় ফুটে উঠুক চরিত্রেরই চিত্র।
নীরবতাও কখনো হয় জ্ঞানের পরিচয়,
অপ্রয়োজনীয় কথায় কোনো কল্যাণ নেই।
যেখানে কথা কল্যাণ আনে—সেখানে বলো কথা,
যেখানে কথা অশান্তি আনে—নীরবতাই ভালো পথ।
উত্তম কথা—মুখের আলো,
হাসিমুখ—হৃদয়ের আলো,
কৃতজ্ঞতা—আত্মার আলো,
এই তিনে জীবন হোক ভালো।
কথায় মধু, মুখে হাসি, হৃদয়ে শুকরিয়া,
এভাবেই গড়ে উঠুক জীবনের পরিচয়।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা, রবের প্রতি শোকর,
এই পথেই ফুটুক জীবনে ঈমানেরই কুসুম।
কথা হবে সত্যের,
হাসি হবে মমতার,
কৃতজ্ঞতা হবে অন্তরের—
রবের প্রতি ভালোবাসার।
ভালো কথা বলব মোরা, মন্দ কথা নয়,
হাসিমুখে মিলব সবার—ভালোবাসার জয়।
উপকারীর প্রতি মোরা কৃতজ্ঞ থাকব সদা,
প্রতিটি নেয়ামতের জন্য করব রবের শুকরিয়া।
কাউকে দেব না কষ্ট মোরা কথার আঘাত দিয়ে,
দুঃখী মানুষকে জড়াব ভালোবাসার বুকে নিয়ে।
অহংকারকে দূরে রাখব, রাখব বিনয় প্রাণে,
সত্য-ন্যায়ের পথে চলব আল্লাহর সন্তুষ্টি মানে।
পরনিন্দা ও মিথ্যা ছেড়ে সত্যের পথে যাব,
রাগ এলে নিজেকে আগে সংযত করে নেব।
ক্ষমা, দয়া, মায়া দিয়ে হৃদয় করব নির্মল,
মানুষের কল্যাণে গড়ব জীবন সুন্দর ও সফল।
হে আল্লাহ, আমাদের মুখে দাও উত্তম বাণী,
হৃদয়ে দাও সত্য, দয়া, ঈমানের নিশানি।
কথায় দাও মাধুর্য, আচরণে দাও আলো,
মানুষের উপকারে জীবন করো ভালো।
হাসিমুখে সবার সাথে চলার তাওফিক দাও,
অহংকার ও বিদ্বেষ থেকে হৃদয়কে বাঁচাও।
যে উপকার করে আমাদের, রাখি যেন তার মান,
কৃতজ্ঞ হৃদয়ে স্মরণ করি তার অবদান।
তোমার দেওয়া নেয়ামতের শুকরিয়া করি সদা,
“আলহামদুলিল্লাহ” হোক আমাদের প্রাণের কথা।
সুখে যেন ভুলে না যাই তোমার মহান দান,
দুঃখে যেন হারিয়ে না ফেলি ধৈর্য ও ঈমান।
হে রব, আমাদের জিহ্বা করো সত্যের বাহন,
কথায় দাও কল্যাণ, কাজে দাও পরোপকারের জ্ঞান।
মানুষের মনে শান্তি দিক আমাদের প্রতিটি কথা,
আমাদের জীবন হোক তোমার সন্তুষ্টির পথগাঁথা।
উত্তম কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞতার মন—
এই তিন গুণে সুন্দর হোক মানবজীবন।
কথায় ফুটুক ভালোবাসা, আচরণে সম্মান,
কৃতজ্ঞ হৃদয়ে জাগুক রবের প্রতি ঈমান।
যে মুখে মধুর কথা, সে মুখ হোক পবিত্র,
যে মুখে হাসির আলো, সে জীবন হোক মিত্র।
যে হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা, সে হৃদয় হোক মহান,
মানুষের কল্যাণে হোক তার জীবন উৎসর্গদান।
উত্তম কথা বলব মোরা—এ হোক দৃঢ় পণ,
হাসিমুখে মিলব সবার—জাগুক ভালোবাসার মন।
মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ হব, রবের শুকরিয়া করব,
দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের পথ ধরব।
মধুর কথা, মধুর হাসি, কৃতজ্ঞ হৃদয়—
এই তিন আলোয় আলোকিত হোক মানবজীবনময়।
ঈমান, আমল, উত্তম চরিত্র হোক জীবনের জয়,
আল্লাহর সন্তুষ্টি পেয়ে জীবন হোক কল্যাণময়।
কথায় মধু, মুখে হাসি, অন্তরে শুকরিয়া—
এই হোক মুমিন জীবনের শ্রেষ্ঠ পরিচয়।
রবের পথে চলুক জীবন, দূর হোক সব ভয়—
দুনিয়া ও আখিরাতে মিলুক সফলতার জয়।
১৪
২৪ মন্তব্য