Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ

শুভ বিবাহ বিবি সারা ও বিবি হাজেরার
🎆শুভ বিবাহ 🎆
অত:পর বিবি সারা ইব্রাহীম(আ:) ও বিবি হাজেরার মুরব্বী হয়ে, শুভ পরিণয়ের অনুষ্ঠান করলেন।দিন যেতে যেতে একদা বিবি হাজেরা একটি পরম সুন্দর চাদের মত পুত্র সন্তান প্রসব করলেন। ইব্রাহীম (আ:) আনন্দে আল্লাহ পাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করলেন। প্রতিবেশীদের আপ্যায়ন করলেন,দীন দু:খি দরিদ্রগণকে দান খয়রাত করলেন। বিবি হাজেরার প্রাণ তৃপ্ত হলো। ইব্রাহীম (আ:)পুত্রের নাম রাখলেন ইসমাইল। কিন্তু বিবি সারা যেন কিসের আঘাতে আজ মর্মাহত।তিনি ছিলেন সদা হাস্যময়। আজ তার মুখ মলিন।তার এই অবস্থা দেখে ইব্রাহীম (আ:)দুখিত।বিবি সারা সব সময় হাজেরার দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন।বিবি হাজেরা ভেবেই পান না কোন কাজ করলে বিবি সারাকে খুশী করা যাবে। তিনি দিন রাত্র ক্রন্দন রত অবস্থায় কাটাচ্ছেন।যেই ভয় তিনি করে ছিলেন তাই-তো হলো। বিবি সারা হাজেরার নাক কান ছিদ্র করে দিলো।বিবি হাজেরা লজ্জায় অপমানে ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌছে গেলেন। তিনি কি এখন প্রাণ বিসর্জন দিবেন?না সংসার ছেড়ে কোথায়ও চলে যাবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছিলেন না।এমন সময় গভীর নিশিতে সৌভাগ্য আসতেছে। এই শুভ স্বপ্ন দেখে বিবি হাজেরার মন শান্ত হলো। জিব্রাঈল (আ:)এসে ইব্রাহীম (আ:)কে বলে দিলেন হাজেরার নাক কানের ছিদ্রে অলংকার পরিয়ে দিন।ইব্রাহীম (আ:)নাকের কানের ছিদ্রে অলংকার পরানোর সাথে সাথে হাজেরার সৌন্দর্য্য আরও বেড়ে গেল।কথিত আছে,এখান থেকেই সারা বিশ্বে সূত্রপাত হল নারীদের নাক-কানে ছিদ্র করে অলংকার পরিধান করা। একদিন ইব্রাহীম (আ:) বিবি সারাকে বললেন। প্রিয়তম! তুমি না হাজেরাকে বলেছিলে যে, তার গর্ভে একটি পুত্র সন্তান হলে তাকে তুমি তোমার নিজ পুত্রের মত আদর করে লালন পালন করবে, আর আমাকে বলেছিলে যে, আমার বংশ বৃদ্ধির জন্য তুমি তোমার জীবন ও বিসর্জন দিতে পার?তোমার সেই প্রতিজ্ঞা আজ কোথায়? তুমি আজ এতটা বিষন্ন কেন? বল,তোমার জন্য আমি কি করতে পারি? বিবি সারা বললেন, আমার প্রতি যদি আপনার দয়া থাকে তাহলে ইসমাইলকে সহ হাজেরাকে তৃণ-লতা -পানীয়হীন নির্জন মরুপ্রান্তরে নির্বাসিত করুন।
বিবি সারা যে এধরণের একটা দাবী করে বসবেন ইব্রাহীম (আ:)তা কল্পনাও করতে পারেননি, হঠাৎ তিনি থমকে গেলেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেন, কেন সারা আমার এবং হাজেরার অমত সত্ত্বেও তুমি না অনেক যুক্তিতর্ক দিয়ে আমাদের বিবাহ বন্ধনে বাধ্য করলে? বিবি সারা বললেন, ঐ সব বাদ দিন,আমি যা বলেছি তাই করুন। ইব্রাহীম (আ:) চিন্তিত হয়ে পড়লেন। এমন সময় জিব্রাঈল (আ:) আল্লাহ পাকের বাণী নিয়ে আসলেন।হে ইব্রাহীম?!তুমি চিন্তা করো না সারা যা বলেছে তুমি তা-ই কর। ইহা শুনে ইব্রাহীম (আ:) ভোরে উঠে, এক কাদি খুরমা আর এক মশক পানি নিয়ে উঠের পিঠে উঠিয়ে বিবি হাজেরাকে বলেন,হাজেরা, ইসমাইলকে কোলে নিয়ে উটের পিঠে আহোরণ কর।তখন ইসমাইল(আ:) ছয় মাসের শিশু।হাজেরা শিশু পুত্র ইসমাইলকে নিয়ে উটের পিঠে আহোরণ করলেন।উট চলতে লাগলো। হাজেরা পিছনে নিজ গৃহের দিকে তাকিয়ে অশ্রুধারা প্রবাহিত করলেন। তার মনে চিন্তা সংসার ছেড়ে কোন অজানা গন্তব্যের পানে স্বামী তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।কয়েক দিন পথ চলার পরে তারা নির্জন মরুর ময়দানে এসে পৌছালেন সেখানে গাছ পালা নেই, শুধু সূর্য্যের তাপ আর বালু,লতা পাতা নেই পানি নেই। একটু দূরে আছে ছাফা,মারওয়া পাহাড়। ইব্রাহীম (আ:)হাজেরাকে আর তার দুধের শিশুকে সেখানে নামিয়ে দিয়ে বললেন, হাজেরা,তোমরা এখানে থাক।আমার ফিরে যেতে হবে। এই বলে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র শিশু পুত্রকে রেখে রওয়ানা হলেন। বিবি হাজেরা অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে বলেন, ওগো স্বামী! আমাদেরকে এই নির্জন মরুর ময়দানে যার আশে পাশে চল্লিশ মাইলের মধ্যে ও কোন মানুষের সাড়া শব্দ নেই, এখানে একাকী রেখে কোথায় চলে যাচ্ছেন।এই শিশুকে নিয়ে আমি কি করব?তার আহার -পানি আমি যোগাড় কিভাবে করবো? ইব্রাহীম (আ:) কান্না বিজড়িত কন্ঠে হাজেরাকে বললেন, হাজেরা ধৈর্য ধর। আমি আল্লাহ পাকের আশ্রয়ে তোমাদেরকে রেখে যাচ্ছি। কাতর স্বরে হাজেরা বললেন -তবে কি ইহা আল্লাহর হুকুম? ইব্রাহীম (আ:) বলেন, ইহা আল্লাহর হুকুম। দুই চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে কাদেন আর বলেন, স্বামীগো!যেই পানি আর খুরমা দিয়ে গেলেন, ইহা খেয়ে দুই, তিন দিনের বেশি আমার শিশুও বাচবে না আমিও বাচবো না। এই এই বলে তিনি শিশু ইসমাইলকে নবীর কোলে তুলে দিলেন। পুত্রকে বুকে জড়িয়ে ধরে ইব্রাহীম (আ:)তার কপালে চুমু দিয়ে চোখের পানি ছেড়ে দিলেন। কি করবেন। আল্লাহর হুকুম। হাজেরার কোলে পুত্রকে তুলে দিলেন। হাজেরা বললেন, স্বামী বাড়ি গিয়ে বোন সারার কাছে আমার সালাম বলবেন, আর আমার জন্য দোয়া করতে বলবেন। আমার ব্যাপারে তিনি কোন দোষী নয়,দুনিয়াতে যা কিছু ঘটে আল্লাহর হুকুমেই ঘটে। ইব্রাহীম (আ:)হাজেরার নিকট থেকে অশ্রু- সিক্ত নয়নে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা হলেন। পথের মধ্যে আবাওয়া নামক স্থানে, উটের পিষ্ঠ হতে নেমে আল্লাহ পাকের দরবারে মোনাজাত করে কাদতে লাগলেন, হে প্রভু দয়াময়! আমি আমার কলিজার টুকরা পুত্র ইসমাইলকে আর প্রিয়তমা হাজেরাকে তোমারই হেফাজতে রেখে গেলাম।
★কঠিন সংকটে হাজেরা★
বিবি হাজেরা মরু ময়দানে আল্লাহর উপর ভরসা করে পড়ে রইলেন। রাত্র যখন গভীর হয়ে গেল বিরাট একটা বাঘ এসে বড় বড় আওয়াজ করে হাজেরা ও ইসমাইলের চারিপাশে ঘোরাফেরা করতে লাগলো। হাজেরা ইসমাইলকে বুকে জড়িয়ে ধরে কাদছে,আর বলছে,ওরে বাঘ আমাকে খাও আমার ইসমাঈলকে কাইও না।বাঘ চলে গেল,হাজেরা খুরমা আর পানি খেয়ে কয়েক দিন কাটালেন, এক সময় খুরমা আর পানি শেষ হয়ে গেল। বুকের দুধ শুকিয়ে গেল।মা এবং শিশুর ক্ষুধা পিপাসা চরমে পৌছাল। স্তনের বোটা চুষে দুধ না পেয়ে শিশু ইসমাঈল চিৎকার করে কাদতে লাগলেন। বিবি হাজেরা শিশুকে কোলে তুলে নিয়ে তার নিজের জিহ্বা পুত্রের মুখে দিয়ে লেহন করাতে লাগলেন। পিপাসার তাড়নায় মরু ভূমির উত্তাপে দুধের শিশু ছটফট করতে লাগল। ক্ষুধায় কাতর শিশু ইসমাঈল জিহ্বা আর লেহন করছে না। হাজেরা ঘাবড়ে গেলেন, কিসের জননী হলাম, কেন এলাম এ দুনিয়ায়, বেদনায় তার হৃদয় হু হু করে কেদে উঠলো। যে জায়গায় এখন যমযমের কুয়া সেই যায়গায় ইসমাইলকে শোয়ায়ে রেখে হাজেরা পানির সন্ধানে দৌড়াদৌড়ি করতে লাগলেন। কিছুদূর যাবার পরই তার মনে হতে লাগলো, তিনি একি করছেন, তার হৃদয়ের ধন আজ চিরতরে বিদায় হয়ে যাচ্ছে। আর তিনি তাকে ফেলে রেখে যাচ্ছেন। এ কি নিষ্ঠুর ব্যবহার? এই কি মায়ের কাজ?এই কি আমার সন্তানের প্রতি ভালোবাসা?তিনি আবার শিশু ইসমাঈলের কাছে দৌড় দিলেন। কিন্তু বসে থাকলে চলবে না। তিনি পানির সন্ধানে পুনরায় সাফা পাহাড়ের দিকে ছুটলেন।সাফা পাহাড়ের উপরে উঠে এদিকে ওদিকে তাকান আবার বাচ্চার দিকেও তাকান।বাচ্চা ক্ষুধার তাড়নায় মরে গেছে, না বেচে আছে। চার দিকে পানি তালাশ করতে লাগলেন কোথাও পানির লেশ মাত্র দেখতে পেলেন না। সেখান হতে নেমে এসে আবার মারওয়া পাহাড়ের দিকে দৌড়াতে লাগলেন।মারওয়া পাহাড়ে উঠে চারদিকে পানি তালাশ করতে লাগলেন। কোথাও এক বিন্দু পানির সন্ধান পেলেন না। উভয় পাহাড়ের মাঝখানের এলাকা একটু নীচু ছিল। যতক্ষণ মরুভূমিতে দৌড়াতে, ততক্ষণ চাতক পাখির ন্যায় ঐ কলিজার টুকরা শিশুর দিকে তাকাতেন কিন্তু ঢালু জায়গায় নামলে আর শিশুকে দেখা যেত না, তাই তিনি ঐখানে গিয়ে জোরে দৌড়িয়ে অতিক্রম করতেন। আবার বাচ্চার নিকট গিয়ে দেখতেন, বাচ্চার রূহ আছে কিনা?ক্ষুধায় শিশু ইসমাঈলের চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেছে, এখন আর কাদতেও পারছেন না। হাজেরা চিৎকার মেরে শিশুকে বুকে তুলে দেখেন, শুধু বুকটা ধুক ধুক করছে, হাজেরা থর থর করে কাপতে লাগলেন, দু'চোখ অন্ধকার হয়ে এল,হায়!হায়!তাহলে কি আমার বুকের মানিক শেষ হয়ে গেল নাকি?না,না,আমি এই দৃশ্য সইতে পারবো না। হাজেরা আবার তাকে শোয়ায়ে দিয়ে অতিকষ্টে পাহাড়ের দিকে দৌড় দিলেন।এক পাহাড় হতে অন্য পাহাড়ে ৭ বার দৌড়িয়ে মারওয়া পাহাড়ে উঠে চার দিকে তাকান,কোথায়ও হতে কোন সাহায্য আসে কিনা? হঠাৎ শুনতে পেলেন মেঘের ডাকের মতো গুডুম আওয়াজ।হাজেরা আকাশের দিকে হাত তুলে ডাক দিলেন। হে আল্লাহ! যদি কোন সাহায্য দিতে হয় এখনি দাও।আমার কলিজার টুকরা সন্তান মারা গেলে আমি আর সাহায্য দিয়ে কি করব? সন্তানের মায়ায় উন্মাদিনীর মত চিৎকার করে রোদন করছেন, শুষ্ক গলায় কাদতেও পারেন না।হাজেরার এই করুণ দৃশ্য দেখে আল্লাহ পাক বলেন, হে জিব্রাঈল! এই করুণ দৃশ্য আর দেখতে পারি না। মা তার সন্তানের জন্য এভাবে দৌড়াচ্ছে আমার রহমতের দরিয়ায় জোস মেরেছে, চলে যাও, ইসমাঈলের পায়ের আঘাতের জায়গায় তুমিও আঘাত দিয়ে পানি বের করে দাও। বিবি হাজেরা সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে ৭বার দৌড়িয়েছেন, এই দৌড়ান আল্লাহ পাকের নিকট এত পছন্দ হয়েছে যে,কেয়ামত পর্যন্ত সমস্ত হাজীদের জন্য উক্ত স্থানে ৭ বার দৌড়ানোকে এবাদতে পরিণত করেছেন। ওয়াজিব করে দেওয়া হয়েছে। আজ লক্ষ লক্ষ মুসলমান সাফা মারওয়া পাহাড়ের দৌড়াচ্ছে।আল্লাহ পাক তার বান্দীর আমল কবুল করেছেন।আল্লাহ পাক বলেছেন -হে হাজীরা!যে জায়গায় আমার হাজেরা দৌড় দিয়েছিল তোমরা ঐ জায়গায় একটু দৌড় না দিলে আমি তোমাদের হজ্জ কবুল করবো না। হাজেরা আসমানের দিকে হাত তুলে ডাকলেন, ওগো ফেরেশতারা! আমার বুকের মানিক কলিজার টুকরা শিশুর প্রাণ থাকতে যদি সাহায্য কর,তবে এগিয়ে আস,৪০ মাইলের মধ্যে মানুষের কোন সাড়া শব্দ নেই,জিব্রাঈল (আ:) শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিকট এসে মাটিতে আঘাত করার সাথে সাথে, পানির ফোয়ারা উথলিয়ে উঠলো।হাজেরা দৌড়ে গিয়ে পাথরের টুকরা এনে বাধ দিতে লাগলেন, আর বললেন যাম,যাম,অর্থাৎ থাম,থাম,এখান থেকেই এই কুয়ার নাম হয়েছে যামযাম।হাজেতরা ইসমাঈলকে পানি পান করালেন, নিজেও পান করলেন।জিব্রাঈল (আ:) কিছু খেজুর দিয়ে বল্লেন, এই খেজুর খান আর ইহার বীজ মাটিতে রোপণ করুন গাছ হয়ে যাবে,হাজেরা তাই করলেন, খেজুর গাছ হয়ে গেল।তাড়াতাড়ি খুরমা হল।জিব্রাঈল (আ:) আরো বলেছিলেন আপনি কোন চিন্তা করবেন না এখানে খানায়ে কাবা রয়েছে।এই ছেলেই তার পিতার সাথে মিলে এই ঘরের মেরামত করবে এই ভয়াবহ নির্জন মরুময় আবাদ হবে। বিবি হাজেরার রোপিত বীজগুলো চারা গজিয়ে এখন বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। চারদিক হতে পাখীরা এসে কল কাকলিতে স্থানটাকে মুখরিত করে তুলছে।এক মরু কাফেলা পানির সন্ধান পেয়ে সেখানে বিবি হাজেরার অনুমতি নিয়ে প্রান ভরে পানি পান করল। তারা চিন্তা করতে লাগল, এই বিশাল মরুর এই নির্জন বাগিচায় একটি কিশোর বালকসহ একা রমণীটি কোথা হতে আসল?বণিক প্রধান হাজেরার কাছে জিজ্ঞেস করলো।হাজেরা তাড়াতাড়ি বিস্তারিত ঘটনা তাদেরকে জানিয়ে দিলেন।নবীর স্ত্রী প্রতি শ্রদ্ধায় তাদের মনভরে গেলো স্থানটিকে তারা মহাপবিত্র স্থান বলে মনে করল।বনিক প্রধান হাজেরার নিকটে আবেদন করলো, মাননীয়া! আপনার অনুমতি পেলে আমরা এখানে স্থায়ীভাবে বাস করতে চাই।আপনাকে আমরা মুনিব হিসাবে খাজনা দিব। হাজেরা খুশী হয়ে অনুমতি দিলেন। বণিকগণ ঘর দরজা তৈরি করে নিলেন। সিরিয়া থেকে ব্যবসায়ীরা এই পথে যাতায়াত করত। হাজেরাকে পানির মালিক বলে পয়সা দিতো। আস্তে আস্তে লোকেরা সংবাদ পেয়ে হাজেরাকে খাজনা দিয়ে বসতি শুরু করে দিল।আল্লাহ পাক বিবি হাজেরাকে সেখানকার জমিদার বানিয়ে দিলেন। এ নির্জন মরু প্রান্তরই আজ বিশ্বের বুকে পবিত্র মক্কা নগরী নামে পরিচিত হয়ে গেলো। চলবে...
মন্তব্য করুন