প্রধান শিক্ষক
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
এমপিও শিক্ষকদের বদলি: আবেদন ১২ হাজার ছাড়াল
এমপিও শিক্ষকদের বদলি: আবেদন ১২ হাজার ছাড়াল
এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলিতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরুর পর এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ২২৬টি আবেদন জমা পড়েছে। আগামীকাল ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকায় এ সংখ্যা আরো বাড়বে বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ সংখ্যা তথ্য জানা গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত ১২হাজার ২২৬ জনের বেশি শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করেছেন। আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ থাকায় আবেদনের সংখ্যা আরো বাড়বে।এর আগে গত ২১ আগস্ট বেলা ১১টা থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষকরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বদলির আবেদন করতে পারছেন।
গত ১৮ আগস্ট বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের—প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব শিক্ষক—‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী বদলি করা হবে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
একজন আবেদনকারী পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবেন।
বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকরা চাকরির আবেদনে উল্লিখিত নিজ জেলায় আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করা যাবে।
এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের জেলায়ও বদলির আবেদন করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত হতে হবে। বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া এ-সংক্রান্ত তথ্য ভুল হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক বদলির আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।
১৪
২৪ মন্তব্য