Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০১:০৮ অপরাহ্ণ

৫ বিষয়ে ৪০০ নম্বরে কোন বিষয়ে কত, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বৃত্তি পাওয়ার লড়াইয়ে নামার আগে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পেরোতে হবে ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে থাকবে ১০০ করে নম্বর। বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে পরীক্ষা হবে ৫০ করে নম্বরে। তবেঅষ্টম শ্রেণির সবাই এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে না।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত ‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা’ থেকে পরীক্ষার কাঠামো ও বিভিন্ন শর্তের এসব তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই অনুসরণ করেই প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে।বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিন বিষয়ে পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। প্রতিটির জন্য সময় থাকবে তিন ঘণ্টা। বাংলা বিষয়ের কোড ১০১, ইংরেজির ১০৭ এবং গণিতের ১০৯।বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে থাকবে ৫০ করে নম্বর। দুটি বিষয়ের পরীক্ষা একই দিনে একসঙ্গে নেয়া হবে। মোট ১০০ নম্বরের এই পরীক্ষার সময়ও তিন ঘণ্টা। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা করে সময় নির্ধারিত থাকবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা পাবেন অতিরিক্ত ৩০ মিনিট। এ সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে। শ্রুতিলেখকের প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া কোনো শিক্ষার্থীকে এ দায়িত্ব দেয়া যাবে।

জুনিয়র বৃত্তির পরীক্ষার্থী বাছাইয়ে থাকছে নির্দিষ্ট শর্ত। সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক ও সামগ্রিক মূল্যায়নের ফল বিবেচনায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত ২০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার জন্য মনোনয়ন দেয়া যাবে। প্রয়োজনে এই হার পরিবর্তনের ক্ষমতা জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির থাকবে।কোনো শিক্ষার্থী টিসি নিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও আগের প্রতিষ্ঠানের মেধাক্রম বিবেচনায় নিয়ে তাকে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিতে বোর্ড ফি ৪০০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি ২০০ টাকা, সব মিলিয়ে দিতে হবে ৬০০ টাকা। অনলাইনে ফরম পূরণের সময় বোর্ড ফি এবং কেন্দ্র নির্ধারণের পর কেন্দ্রসচিবের কাছে কেন্দ্র ফি জমা দিতে হবে।

পরীক্ষার হলে প্রতি বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষার্থী বসতে পারবে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রসচিবের উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের গোপন প্যাকেট খোলা হবে।

ওএমআর শিটের নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রোল নম্বরের ক্রমানুসারে জমা নেয়া হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ১০০ গজের মধ্যে পরীক্ষা চলাকালে ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে। দায়িত্বে অবহেলা করলে শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও নীতিমালায় বলা হয়েছে।এ বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণ শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর, চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩১ আগস্ট।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রবেশ করে সম্ভাব্য তালিকা থেকে নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। তালিকা যাচাই, চূড়ান্তকরণ ও ফি জমার পরই ফরম পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

পরীক্ষার ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ১৩ সেপ্টেম্বর। ফি জমা দেয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ না করলে ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে না এবং পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রও দেয়া হবে না।

মন্তব্য করুন