প্রভাষক
২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
কল্পনা করুন, কয়েক দশক আগেও একটি চিঠি এক দেশ থেকে আরেক দেশে পৌঁছাতে সপ্তাহ পেরিয়ে যেত। অথচ আজ আমরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে সেকেন্ডের মধ্যে ভিডিও কলে কথা বলতে পারি। এই আমূল পরিবর্তনকেই কানাডীয় দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান নাম দিয়েছিলেন 'গ্লোবাল ভিলেজ' বা বিশ্বগ্রাম।
তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে দূরত্ব যেন আর কোনো বাধা নয়। ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে সংবাদ, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্য মুহূর্তের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে। একজন কৃষক এখন মোবাইল ফোনে বাজারদর জেনে ফসল বিক্রি করছেন, আবার একজন শিক্ষার্থী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কোর্সে ভর্তি হচ্ছেন।
বিশ্বগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কর্মসংস্থান। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক বাজারে সেবা দিয়ে আয় করছেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিং প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক অংশীদার।
তবে এই সংযুক্ত বিশ্বের সুফল পেতে হলে প্রয়োজন যথাযথ প্রযুক্তি,দক্ষতা ও সচেতনতা। গ্লোবাল ভিলেজের ধারণা আমাদের শেখায়, প্রযুক্তি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি সুযোগ, যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে যেকোনো প্রান্তের মানুষও বিশ্ব অর্থনীতির অংশীদার হতে পারে।
১৪
২৪ মন্তব্য