শিক্ষকের ডায়েরি লেখার
প্রয়োজনীয়তাঃ
একজন শিক্ষকের প্রতিদিনের ডায়েরি লেখা
খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। প্রতিদিনের ডায়েরি লেখার কয়েকটি প্রয়োজনীয়তা তুলেধরা হলোঃ
- আত্মমূল্যায়ন ও সেলফ লার্নিং: ডায়েরিতে নিজের দুর্বলতা ও
সফলতার কথা লেখার মাধ্যমে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারা যায়, যা পরবর্তীতে
স্ব-শিক্ষণের মাধ্যমে শুধরে নেওয়া সহজ হয়।
- পাঠ পরিকল্পনা (Lesson Plan): শ্রেণিকক্ষে কী পড়াতে হবে, কোন
পদ্ধতি কার্যকর ছিল এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কেমন ছিল তা জানা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সংরক্ষণ: দৈনিক উপস্থিতির হিসাব, দুর্বল
শিক্ষার্থীদের তালিকা এবং অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগের নোট সংরক্ষণ করা যায়।
- শিক্ষাদানে ধারাবাহিকতা: পূর্ববর্তী দিনের কার্যক্রম
দেখে পরের দিনের শিক্ষাদানের পরিকল্পনা আরও নিখুঁত করা যায়।
- মুল্যায়ন
তথ্য সংরক্ষণঃ শিক্ষার্থীদের
ক্লাসের ধারাবাহিক/গাঠনিক মুল্যায়নের
তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায় যা পরবর্তীতে প্রান্তিক/সামষ্টিক মুল্যায়নের কাজে
ব্যবহার করা যায়।
ডায়েরি লেখার নিয়মঃ
- তারিখ ও সময়:
প্রতিটি পাতা শুরুর আগে অবশ্যই তারিখ এবং ক্লাসের সময়কাল উল্লেখ করুন।
- লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: আজকের ক্লাসের মূল বিষয় এবং আপনি কী শেখাতে চান তা সংক্ষেপে
লিখুন।
- শ্রেণিপদ্ধতি ও মূল্যায়ন: কোন শিক্ষাদান কৌশল সবচেয়ে ভালো
কাজ করেছে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কেমন ছিল তা নোট করুন।
- শিক্ষার্থীর আচরণ: বিশেষ কোনো শিক্ষার্থীর অগ্রগতি বা মনোযোগের অভাব হলে তা
ডায়রিতে লিখে রাখুন।
- স্ব-মূল্যায়ন :
ক্লাস শেষে নিজের শিক্ষকতা নিয়ে ভাবুন এবং কোথায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন তা
লিখুন।
১৪
২৪ মন্তব্য