Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:১৩ অপরাহ্ণ

শিক্ষার নতুন দিগন্তে আগামীর প্রজন্ম


‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’—বহুল উচ্চারিত এই কথাটির তাৎপর্য নিয়ে দ্বিমত নেই। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় অতিক্রম করার পরও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন কাঠামোগত ও নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে একাধিক সংস্কার ও নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হলেও সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফল আসেনি। নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাব, ঘন ঘন শিক্ষাক্রম পরিবর্তন, বাস্তবায়ন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিকল্পনার ঘাটতি এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।

এর সঙ্গে রয়েছে শিক্ষার সুযোগ ও মানের বৈষম্য। সরকারি-বেসরকারি এবং গ্রামীণ-শহুরে বিদ্যালয়ের মধ্যে অবকাঠামো, দক্ষ শিক্ষক, প্রযুক্তি, শিক্ষাসম্পদ ও সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের সুযোগে এখনো বড় পার্থক্য রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যেকোনো পরিকল্পনায় শুধু নতুন শিক্ষাক্রম নয়, তার বাস্তবায়ন সক্ষমতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। 

সম্প্রতি ‘নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া ২০২৬’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণ প্রজন্মের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, ক্রীড়া, সংগীত, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে—বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও নেতৃত্বের সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করবে বর্তমান প্রজন্মকে আমরা কতটা কার্যকরভাবে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তার ওপর।

এই লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তি হতে পারে একটি মানসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যত্মুখী শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন কিংবা পরীক্ষায় ভালো ফল করার মাধ্যম নয়। প্রকৃত শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীর যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণী সক্ষমতা, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তন, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ বিকাশের ক্ষেত্র। দক্ষ ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন সম্ভব নয়।

এই বাস্তবতায় সরকার ২০২৮ সাল থেকে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রবর্তনের যে পরিকল্পনা করছে, তা গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমুখী উদ্যোগ।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে বিদ্যমান শিক্ষাক্রমে কিছু সংশোধন এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক হালনাগাদের পরিকল্পনা রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে ‘ক্রীড়া, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি’, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির সঙ্গে তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু পাঠ্যক্রম আধুনিক হলেই শিক্ষা আধুনিক হয়ে যায় না। এর সঙ্গে শিক্ষণপদ্ধতি, শিক্ষক, অবকাঠামো এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশেরও পরিবর্তন প্রয়োজন। অনুসন্ধানভিত্তিক শিক্ষণ, সৃজনশীল সমস্যা সমাধান, এসটিইএম, রোবটিকস, বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক, গবেষণা ও বিভিন্ন শিক্ষার্থীভিত্তিক ক্লাব জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে ক্রীড়া, সংগীত, শিল্প-সংস্কৃতি ও নেতৃত্বমূলক কার্যক্রম আত্মবিশ্বাস, সহযোগিতার মানসিকতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়ক।

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীর আবেগীয় ও সামাজিক কল্যাণের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। প্রয়োজন নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ, কাউন্সেলিং, স্বাস্থ্য সহায়তা, জীবনদক্ষতা শিক্ষা এবং ইতিবাচক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক। সততা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা, পারস্পরিক সম্মান ও নাগরিক মূল্যবোধকেও বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রমের অংশ করতে হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শুধু প্রচলিত বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক থাকাও যথেষ্ট নয়। বিজ্ঞান ক্লাব, এসটিইএম ও রোবটিকস, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, জীবনদক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশের মতো ক্ষেত্রে বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষক ও প্রশিক্ষক প্রয়োজন। তাই শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।

এই জায়গায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও শিক্ষা-দর্শনের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। ‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে’ মূলমন্ত্র সামনে রেখে বসুন্ধরা গ্রুপ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, দক্ষ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ জাতীয় শিক্ষাক্রমের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের অনুমোদন নিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।

প্রায় ১০ বিঘা বিস্তৃত ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলেছে। আটতলা ভবনে রয়েছে ৮৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ। ইন্টার‌্যাক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ডিসপ্লে, উচ্চগতির ইন্টারনেট ও অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও আইসিটি, ভাষা শিক্ষা, এসটিইএম ও রোবটিকস এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের বিশেষায়িত সুবিধা। এগুলো শিক্ষার্থীদের ব্যাবহারিক ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করছে।

প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টিও পরিকল্পনাধীন। একাধিক ভাষায় দক্ষতা শিক্ষার্থীর যোগাযোগের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে বাড়তি সক্ষমতা তৈরি করে। বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে আধুনিক ভাষা শিক্ষা ল্যাব রয়েছে। বর্তমানে ইংরেজি, আরবি ও ফরাসি ভাষা শেখানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো নতুন ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে নিজের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ওপর শিক্ষার্থীদের দৃঢ় ভিত্তি তৈরিতে বাংলা অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।

প্রস্তুাবিত শিক্ষাক্রমে ক্রীড়া ও শারীরিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও সময়োপযোগী। সুস্থ দেহ, মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরিতে ক্রীড়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীরা সাঁতার, ফুটবল, ক্রিকেট, ফুটসাল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, অ্যাথলেটিকস, তায়কোয়ান্দো, টেবিল টেনিস, স্কোয়াশসহ বিভিন্ন খেলায় প্রশিক্ষিত কোচের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়। সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের উচ্চতর পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য কাউন্সেলিং, স্বাস্থ্য সহায়তা, জীবনদক্ষতা, নেতৃত্ব বিকাশ, বিভিন্ন ক্লাব ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য শিক্ষক সম্পদ কেন্দ্র, প্রশিক্ষণ ও সম্মেলন কক্ষ রয়েছে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি, প্রযুক্তি ও কার্যকর শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

জাতীয় পর্যায়ে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এই প্রস্তুতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি বিদ্যালয়ে রোবটিকস শেখানোর কথা বলা সহজ, কিন্তু প্রয়োজনীয় ল্যাব, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক না থাকলে সেই লক্ষ্য কাগজেই থেকে যাবে। একইভাবে কারিগরি শিক্ষা, ক্রীড়া, তৃতীয় ভাষা কিংবা অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা চালু করতে হলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও মানবসম্পদ নিশ্চিত করতে হবে। শহরের একটি আধুনিক বিদ্যালয় যে সুযোগ সহজে দিতে পারে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়ের জন্য একই সুযোগ নিশ্চিত করা অনেক কঠিন। রাষ্ট্রের বড় দায়িত্ব হবে এই ব্যবধান কমিয়ে আনা।

এ কারণেই প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমকে শুধু পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি পুরো বিদ্যালয় শিক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা পুনর্গঠনের সুযোগ। কোন শ্রেণিতে কোন বিষয় থাকবে কিংবা পরীক্ষার পদ্ধতি কী হবে—এসব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, আমরা কেমন শিক্ষার্থী তৈরি করতে চাই? সে কি শুধু পরীক্ষার উত্তর মুখস্থ করবে, নাকি নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজতে শিখবে? প্রযুক্তি শুধু ব্যবহার করবে, নাকি উদ্ভাবনের সক্ষমতাও অর্জন করবে? নিজের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে কি না—ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থাকে এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

 একইসঙ্গে শিক্ষানীতিতে ধারাবাহিকতা জরুরি। শিক্ষার ফল তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায় না। আজ যে শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে, তাকে আগামী ১২ থেকে ১৫ বছরের পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করতে হবে। তাই রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার মৌলিক দর্শন বারবার বদলে গেলে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া কঠিন। প্রয়োজন জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি স্থিতিশীল শিক্ষা-দর্শন।

নীতিগত ধারাবাহিকতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, শিক্ষক প্রস্তুতি ও কার্যকর পরিবীক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে প্রস্তাবিত উদ্যোগ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অর্থবহ পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করতে পারে। সেই পরিবর্তন শহরের কিছু উন্নত বিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুটিকেও একই স্বপ্নের অংশীদার করতে হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রমের সার্থকতা তখনই, যখন দেশের প্রতিটি শিশু তার সম্ভাবনা বিকাশের ন্যায্য সুযোগ পাবে।

এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা শুধু জ্ঞানসমৃদ্ধ নয়, একই সঙ্গে সৃজনশীল, দক্ষ, নৈতিক, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল; যারা নিজের দেশ, ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আবার পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতাও অর্জন করবে।

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজও শুরু থেকে একই লক্ষ্য সামনে রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমে ক্রীড়া, সংস্কৃতি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ভাষা, জীবনদক্ষতা এবং আনন্দময় ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার যে রূপকল্প সামনে এসেছে, তার সঙ্গে আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা-দর্শনের স্বাভাবিক সাযুজ্য রয়েছে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ