প্রধান শিক্ষক
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৩:২৭ অপরাহ্ণ
যে কারণে প্রতিদিন বই পড়া উচিত
শেষ কবে বই পড়েছেন? এর উত্তর যদি হয় ‘মনে নেই’, তাহলে বুঝতে হবে আপনি ঠিক পথে নেই। জেনজিদের যে বই পড়া নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই, তা খানিকটা বোঝা গেল রাজধানীর কাঁটাবনে পাঠক সমাবেশে গিয়ে। এক সন্ধ্যায় এক হাতে কফি, আরেক হাতে আড়াই বছরের কন্যার হাত ধরে কাঁচের দরজা ঠেলে ঢুকলাম পরিচিত পাঠক সমাবেশে। এক দশক আগে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই, তখন পাঠক সমাবেশে যাওয়া-আসা শুরু হয়। সে সময় নিয়মিত সন্ধায় আড্ডা চলত। এখন রীতিমতো সুনসান। আমার কন্যা ‘এত বড় ফাঁকা মাঠ’ পেয়ে দিল এক দৌড়। কোথায় বইয়ের স্তূপের আড়ালে উধাও হয়ে গেল। মনটা একটু খারাপই হলো।
কিন্তু আপনি কেন পড়বেন বই? গবেষকরা বইপড়ার বেশ কয়েকটি ভালো দিক খুঁজে পেয়েছেন। সেরকম কয়েকটা কারণ জেনে নিন।
১. মস্তিষ্ককে কাজে লাগান
মস্তিষ্ককে যত কাজে লাগাবেন, স্নায়ুতন্ত্র ততই সচল আর কার্যকরী থাকবে। গবেষকরা বলেন, বই পড়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্রের নিউরনগুলোর ভেতর সংযোগ বাড়ে। অবশ্য সমস্যা সমাধান করে, সৃজনশীল কাজ করে বা দাবা খেলেও একই উপকারিতা পাওয়া যায়।
২. থেরাপিস্টের খরচ বাঁচাবে
বিজ্ঞানীরা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিজের আবেগীয় অনুভূতির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যখন বইয়ের দুনিয়ায় ঘুরে বেড়াবেন, তখন বাস্তবের দুনিয়া থেকে বিরতি নিতে পারবেন। এই বিরতি আপনাকে প্রশান্তি দেয়, মানসিক চাপ কমায়। নতুন করে আপনার বাস্তবের দুনিয়ায় পুনঃসংযোগ করতে সাহায্য করে। আপনার ভাবনা ও চিন্তার পরিসরকে ক্রমাগত প্রসারিত করতে থাকে।
১৪
২৪ মন্তব্য