Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০৫ অপরাহ্ণ

সরকারি বেতন বাড়লেও বেসরকারিতে অনিশ্চয়তা

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন বাড়াতে মন্ত্রিসভা নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুমোদন করেছে, যেখানে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। তবে এতে সরকারি চাকরিজীবীদের একটি অংশ লাভবান হলেও সামগ্রিক বাজারব্যবস্থায় জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকট, ব্যাহত উৎপাদন এবং স্থবির বিনিয়োগের কারণে দেশের বেসরকারি খাতের পক্ষে এই মুহূর্তে বেতন বাড়ানো কতটা সম্ভব—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। আগামী ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে সব ভাতা একসাথে কার্যকর করা হলে বছরে বেতন-ভাতা খাতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক।

অর্থনৈতিক মন্দার মাঝে এত বিপুল পরিমাণ অর্থের জোগান কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, এ ঘাটতি মেটাতে সরকারকে বাড়তি রাজস্ব আদায়ে মূলত বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করতে হবে। ফলে পরোক্ষভাবে এই অতিরিক্ত করের চাপ গিয়ে পড়বে বেসরকারি খাতের সাধারণ কর্মীদের কাঁধেই।

বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের একটি অংশ অবশ্য বলছে, বেসরকারি খাতে কোনো একক বেতন কাঠামো নেই। সরকারি পে স্কেলের সঙ্গে বেসরকারি খাতের মজুরি পুনর্গঠনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। বেসরকারি খাতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিয়মিত বেতন বেড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাড়লেও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। আবার কোথাও হয়তো দীর্ঘদিন বাড়েনি। একটি মিশ্র চিত্র রয়েছে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ