সিনিয়র শিক্ষক
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা Global Warming বলা হয়। মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইডসহ গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব গ্যাস পৃথিবীর তাপ আটকে রাখে এবং পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায়।
ক. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো
কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়।
খ. বন উজাড়
গাছপালা কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। বন ধ্বংস হলে এই গ্যাস শোষণের পরিমাণ কমে যায় এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।
গ. শিল্পায়ন
কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
ঘ. যানবাহনের ধোঁয়া
পেট্রোল ও ডিজেলচালিত যানবাহন থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ বিভিন্ন গ্যাস নির্গত হয়।
ঙ. কৃষি ও পশুপালন
ধান চাষ ও গবাদিপশু পালনের মতো কর্মকাণ্ড থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মিথেন নির্গত হতে পারে।
চ. অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অতিরিক্ত ভোগ
শক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার, নির্মাণকাজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাও গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সমস্যা। এর প্রধান কারণ মানুষের কর্মকাণ্ড থেকে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, বন সংরক্ষণ ও বনায়ন, জ্বালানি সাশ্রয়, দূষণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মোঃ কামাল ইদ্রিস আমীন
সিনি ঃ শিক্ষক
জুম্মাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
উলিপুর , কুড়িগ্রাম
১৪
২১ মন্তব্য