সহকারী শিক্ষক
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
পিতা-মাতার ছায়া এবং আমাদের দায় পর্ব:০০১
কলমে: মোস্তাফিজুর রহমান
কবি ও শিক্ষক
ভবের হাটে পাঠালেন যাঁরা বুকে আগলে রাখি,
তাঁদের ত্যাগের ঋণ শুধিতে হয় কি কিছু বাকি?
রক্ত জলিল, ঘাম ঝরিল, বিলিয়ে দিলেন সুখ,
সন্তানেরই হাসিতে আজ হাসে তাঁদের মুখ।
দিনে দিনে বয়স বাড়ে, চুল যে পাকে চুলে,
আমরা যেন সেই অবদান কভু না যাই ভুলে।
বৃদ্ধ বয়সে তাঁদের প্রতি বিনয় যেন রয়,
নম্র দেহে, নরম সুরে করতে হবে জয়।
চাহিদা তাঁদের ক্ষুদ্র অতি, একটু ভালোবাসার,
সেবা যত্নে আগলে রাখা, এই তো আশা তাঁর।
রাসূল বলেন, নেক দৃষ্টিতে তাকাবে যার চোখ,
কবুল হজের সওয়াব পাবে, জুড়াবে তার বুক।
'নাজরুন' সে তো শুধুই দেখা নয়কো চোখের টানে,
দেখাশোনা আর পরম যত্নে চাহিদা মেটানোর মানে।
পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তোষ মেলে,
জান্নাত পাবে সেই সে সুধী, সেবা যে করে চলে।
পিতা-মাতা যে জান্নাতেরই পরম চাবির ঘর,
তাঁদের কাঁদালে ইহ-পরকাল সবই যে বর্বর।
তবুও কাঁদে এই সমাজে কিছু করুন প্রাণ,
সন্তানহারা পিতা-মাতার উথলে ওঠে গান।
বেঁচে আছেন বৃদ্ধ বাবা, মা-ও যে ধুঁকে মরে,
আগলে রাখার সন্তানটি আজ নেইকো তাঁদের ঘরে।
সমাজ এবং রাষ্ট্র রে ভাই, জাগো রে এবার তবে,
সন্তানহারা পিতা-মাতার দায়িত্ব নিতে হবে।
তাদের অন্ন, তাদের বস্ত্র, চিকিৎসারও দায়,
মানবিক এই সমাজ যেন পাশে এসে দাঁড়ায়।
শেষ বয়সে কেউ যেন না অশ্রু ফেলে একা,
আর্তের মাঝে লুকিয়ে আছে পরম প্রভুর দেখা।
পিতা-মাতাকে আগলে রাখি খোদার হুকুম মেনে,
আখেরাতের আসল আলো আসবে ঘরে টেনে।
১
১ মন্তব্য