বিদ্যালয়ে প্রাত্যহিক সমাবেশ বা অ্যাসেম্বলি প্রতিদিনের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ মাধ্যম।
শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা: নিয়মিত সমাবেশে অংশ নিলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সময়মতো উপস্থিত হওয়ার ও নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস তৈরি হয়।
দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ: সমস্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনে দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনা জাগ্রত হয়।নৈতিক শিক্ষা: সমাবেশের সময় ধর্মগ্রন্থ পাঠ, শপথ গ্রহণ ও নৈতিক উপদেশ দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা: হালকা শারীরিক কসرت বা পিটি (PT) এবং মুক্ত বাতাসে কিছু সময় কাটানো শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে।
আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: সমাবেশে দলগত কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং সামনে কথা বলার সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত হয়।
ঐক্য ও সম্প্রীতি: শিক্ষক ও সব শিক্ষার্থী একত্রে মিলিত হওয়ায় পারস্পরিক সৌহার্দ্য, দলীয় মনোভাব ও সম্প্রদায়গত বন্ধন দৃঢ় হয়।
১
১ মন্তব্য