প্রধান শিক্ষক
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ, আচরণবিধিতে কঠোর নির্দেশনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ, আচরণবিধিতে কঠোর নির্দেশনা
নির্বাচনি প্রচারণায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনি প্রচারণাকালে উস্কানিমূলক বক্তব্য, ব্যক্তিগত কুৎসা, অশালীন ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে—এমন বক্তব্য দেওয়া যাবে না বলে জানানো হয়। সম্প্রতি নির্বাচনি আচরণবিধিতে এসব বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে।আচরণবিধিতে বলা হয়, নির্বাচনি প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন এবং আক্রমণাত্মক বা ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করিয়া বক্তব্য দিলে বা কোনো ধরনের তিক্ত বা উস্কানিমূলক বা মানহানিকর বা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো বক্তব্য দিতে পারবেন না। মসজিদ, মন্দির, ক্যায়াং (প্যাগোডা), গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় এবং কোনো সরকারি অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে শর্ত থাকে যে, শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত না করিয়া কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে মাঠ ব্যবহার করা যাবে। এতে আরো বলা হয়, নির্বাচন উপলক্ষে কোনো নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির কোনোরূপ ক্ষতিসাধন এবং অনভিপ্রেত গোলযোগ ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ দ্বারা কারও শান্তি বিনষ্ট করতে পারবেন না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে কেউ কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করতে পারবেন না, এবং কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ভোটারের বা পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর সংগ্রহ এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এ লেনদেনের উদ্দেশ্যে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন না।
৭
৬ মন্তব্য