Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৫৮ অপরাহ্ণ

সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা, গেজেট প্রকাশ

   সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা, গেজেট প্রকাশ

সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা। ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দের দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধনী আইনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জীবদ্দশায় কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি দান করলেও সেই সম্পত্তি আজীবন ভোগদখলের অধিকার নিজের কাছে রাখলে, নির্দিষ্ট শর্তে ওই দান বৈধ থাকবে। একই সঙ্গে একবার নিবন্ধিত হওয়ার পর এ ধরনের দান সহজে পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে না। এ বিষয় আইনে বিধান রাখা হয়েছে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ আইন সংশোধনীর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।প্রকাশিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তার জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর করলেও যদি হস্তান্তরের সময় ওই সম্পত্তি আজীবন ভোগদখলের অধিকার নিজের কাছে সংরক্ষণ করেন, তাহলে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ওই হস্তান্তর বৈধ হবে।

আইনের ১২২এ ধারায় বলা হয়েছে, এ ধরনের দান বাবা-মা বা দাদা-দাদি, নানা-নানির মাধ্যমে সন্তান বা নাতি-নাতনির অনুকূলে হতে পারে। একইভাবে স্বামী বা স্ত্রী, ভাই-বোন কিংবা তাদের সন্তানদের অনুকূলেও এ ধরনের দান করা যাবে।

এ ধরনের স্থাবর সম্পত্তির দান রেজিস্টার্ড দলিলের মাধ্যমে করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন আইনের বিধান অনুযায়ী তা নিবন্ধিত হতে হবে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, দাতার জীবদ্দশায় তার মৃত্যু হলেও দানের সময় সংরক্ষিত আজীবন ভোগদখলের অধিকার আইন অনুযায়ী দান করা সম্পত্তির সঙ্গে সংযুক্ত থেকে কার্যকর থাকবে।

তবে এ ধরনের হস্তান্তর এমন কোনো সীমাবদ্ধতা, অবসান বা শর্তের অধীন করা যাবে না, যার ফলে তা কার্যত বাতিলযোগ্য হয়ে যায়—যদি না সেই সীমাবদ্ধতা বা শর্ত বিদ্যমান আইনে স্বীকৃত থাকে।

১২২বি ধারায় বলা হয়েছে, ১২২এ ধারার অধীনে কোনো দান একবার নিবন্ধিত হয়ে গেলে তা সাধারণভাবে অপরিবর্তনীয় থাকবে।তবে দাতা ও দানগ্রহীতা পারস্পরিক সম্মতিতে লিখিতভাবে দান পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কোনো কারণ থাকতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষাগত, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন থাকতে পারে।

দানগ্রহীতার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে দাতা জেলা জজের কাছে আবেদন করে দান পরিবর্তন বা বাতিলের অনুমতি চাইতে পারবেন। দানগ্রহীতা অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অক্ষম, অজ্ঞাতস্থানে থাকা কিংবা অন্য কোনো কারণে তার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে এ ধরনের আবেদন করা যাবে।

তবে জেলা জজ আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিকে নোটিশ দেবেন, প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করবেন এবং আবেদনটি সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন।

ফলে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করা সম্পত্তির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, দাতার আজীবন ভোগদখল এবং পরবর্তীতে দান পরিবর্তন বা বাতিলের প্রক্রিয়া—সবকিছুই নির্দিষ্ট আইনি শর্তের আওতায় থাকবে।তবে দাতা ও দানগ্রহীতা পারস্পরিক সম্মতিতে লিখিতভাবে দান পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কোনো কারণ থাকতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষাগত, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন থাকতে পারে।

দানগ্রহীতার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে দাতা জেলা জজের কাছে আবেদন করে দান পরিবর্তন বা বাতিলের অনুমতি চাইতে পারবেন। দানগ্রহীতা অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অক্ষম, অজ্ঞাতস্থানে থাকা কিংবা অন্য কোনো কারণে তার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে এ ধরনের আবেদন করা যাবে।

তবে জেলা জজ আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিকে নোটিশ দেবেন, প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করবেন এবং আবেদনটি সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন।

ফলে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করা সম্পত্তির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, দাতার আজীবন ভোগদখল এবং পরবর্তীতে দান পরিবর্তন বা বাতিলের প্রক্রিয়া—সবকিছুই নির্দিষ্ট আইনি শর্তের আওতায় থাকবে।তবে দাতা ও দানগ্রহীতা পারস্পরিক সম্মতিতে লিখিতভাবে দান পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কোনো কারণ থাকতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষাগত, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন থাকতে পারে।

দানগ্রহীতার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে দাতা জেলা জজের কাছে আবেদন করে দান পরিবর্তন বা বাতিলের অনুমতি চাইতে পারবেন। দানগ্রহীতা অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অক্ষম, অজ্ঞাতস্থানে থাকা কিংবা অন্য কোনো কারণে তার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে এ ধরনের আবেদন করা যাবে।

তবে জেলা জজ আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিকে নোটিশ দেবেন, প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করবেন এবং আবেদনটি সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন।

ফলে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করা সম্পত্তির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, দাতার আজীবন ভোগদখল এবং পরবর্তীতে দান পরিবর্তন বা বাতিলের প্রক্রিয়া—সবকিছুই নির্দিষ্ট আইনি শর্তের আওতায় থাকবে।তবে দাতা ও দানগ্রহীতা পারস্পরিক সম্মতিতে লিখিতভাবে দান পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কোনো কারণ থাকতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষাগত, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন থাকতে পারে।

দানগ্রহীতার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে দাতা জেলা জজের কাছে আবেদন করে দান পরিবর্তন বা বাতিলের অনুমতি চাইতে পারবেন। দানগ্রহীতা অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অক্ষম, অজ্ঞাতস্থানে থাকা কিংবা অন্য কোনো কারণে তার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে এ ধরনের আবেদন করা যাবে।

তবে জেলা জজ আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিকে নোটিশ দেবেন, প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করবেন এবং আবেদনটি সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন।

ফলে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করা সম্পত্তির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, দাতার আজীবন ভোগদখল এবং পরবর্তীতে দান পরিবর্তন বা বাতিলের প্রক্রিয়া—সবকিছুই নির্দিষ্ট আইনি শর্তের আওতায় থাকবে।তবে দাতা ও দানগ্রহীতা পারস্পরিক সম্মতিতে লিখিতভাবে দান পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কোনো কারণ থাকতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষাগত, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন থাকতে পারে।

দানগ্রহীতার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে দাতা জেলা জজের কাছে আবেদন করে দান পরিবর্তন বা বাতিলের অনুমতি চাইতে পারবেন। দানগ্রহীতা অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অক্ষম, অজ্ঞাতস্থানে থাকা কিংবা অন্য কোনো কারণে তার সম্মতি পাওয়া সম্ভব না হলে এ ধরনের আবেদন করা যাবে।

তবে জেলা জজ আদেশ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিকে নোটিশ দেবেন, প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করবেন এবং আবেদনটি সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন।

ফলে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে দান করা সম্পত্তির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন, দাতার আজীবন ভোগদখল এবং পরবর্তীতে দান পরিবর্তন বা বাতিলের প্রক্রিয়া—সবকিছুই নির্দিষ্ট আইনি শর্তের আওতায় থাকবে।

মন্তব্য করুন