সহকারী শিক্ষক
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
AI থেকে মানব বিলুপ্তি
anthropic‑এ কাজ করা তিনজন গবেষক সাম্প্রতিকই Ai‑এর সম্ভাব্য অস্তিত্বগত ঝুঁকি নিয়ে খোলামেলা কথা বলছেন। তবে শুরুতেই একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার যে এগুলো anthropic‑এর কোনো অফিসিয়াল ভবিষ্যদ্বাণী নয়, বরং গবেষকদের ব্যক্তিগত মতামত ও আশঙ্কা।
anthropic‑এর গবেষক জেকব কোক্সন সম্প্রতি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বলছেন, openai আর anthropic খুব দ্রুত এমন Ai বানাতে চাচ্ছে, যেটা নিজের সক্ষমতা বাড়াতে পারবে। তার মতে, এই দৌড়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তার প্রস্তুতি পিছিয়ে। তিনি আরও বলছেন যে, Ai নিয়ে কাজ করা অনেক মানুষ ব্যক্তিগতভাবে ভয় করছেন, দশকের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য বড় অস্তিত্বগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
কক্সনের কথা শুনে এভান হিউবিঙ্গার, anthropic‑এর অ্যালাইনমেন্ট গবেষক, একমত হয়েছেন। তিনি বলছেন, অত্যন্ত উন্নত Ai ভবিষ্যতে মানুষের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এটা তারা খুব গম্ভীরভাবে বিবেচনা করছে। হিউবিঙ্গার ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে AI‑এর কারণে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি। তার মতে, anthropic নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করলেও সুপারইন্টেলিজেন্ট Ai‑কে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনো কোনো নিশ্চিত সমাধান নেই।
আরেকজন গবেষক, স্যামুয়েল মার্কসের কথাও কম নয়। তিনি দাবি করেন, Ai নিয়ে কাজ করা অনেক ডেভেলপারই ভয় করছেন, এই প্রযুক্তি একদিন মানবজাতির বিলুপ্তি বা সমান স্তরের ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমন ঘটনা কয়েক বছরের মধ্যেও ঘটতে পারে, এটাই তার আশঙ্কা। মার্কসের মতে, প্রতিষ্ঠান যত বড় হয়, এই ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তত বাড়ে।
অবশ্যই, এর মানে এই নয় যে ২০৩০ সালের মধ্যে Ai মানুষকে ধ্বংস করে দেবে। এমন কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়নি। বিষয়টা হলো, ভবিষ্যতে খুব শক্তিশালী Ai আসলে কী ঝুঁকি আনতে পারে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা নিয়ে গম্ভীর আলোচনা চলছে।
anthropic বলছে, তারা Ai নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী Ai তৈরি ও প্রকাশের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছে। একই সঙ্গে, শক্তিশালী Ai নিয়ন্ত্রণে আইনগত ও যাচাইযোগ্য সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাও তারা তুলে ধরছে।
১৪
২৪ মন্তব্য