প্রভাষক
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীর নতুন করে জিপিএ ৫, ফেল থেকে পাস, গ্রেড পরিববর্তন ও সর্বোচ্চ সংখ্যক খাতার নম্বর পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে গত ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের পর থেকে টানা এক মাস ধরে চলা মানসিক ট্রমা থেকে মুক্তি পেয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী।
ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়ন পদ্ধতি, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর চরম গাফিলতির কারণেই ফি বছর শিক্ষার্থীদের এসব মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে অভিযোগ অনেক পুরনো। এমন অবহেলার জন্য দায়ী পরিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়ার কথা প্রতিবছরই পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর বলে থাকেন দায়িত্বশীল কর্তব্যক্তিরা। দায়ী শিক্ষকদের কালো তালিকাভুক্ত করার কথাও বলা হয়। কিন্তু কিছু দিন পরই তাদের প্রতিশ্রুতি ও উদ্যোগ আষাঢ়ের তর্জন গর্জন সারে পরিণত হয়। আর এ বছর এ প্রতিবেদন লেখার সময় অবধি দায়িত্বশীল কোনো কর্তাব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে কোনো কথাই বলেননি। কিন্তু শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভুক্তভোগী অভিভাবকরা মনে করেন, খাতার সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ার কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে তীব্র মানসিক যাতনা, সামাজিক লাঞ্ছনা ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তার জের রয়ে যায় পরবর্তী শিক্ষা জীবনেও। তাই শিক্ষার্থীদের এমন মানসিক ট্রমায় ঠেলে দেয়ার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
৭
৭ মন্তব্য