Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:২৮ অপরাহ্ণ

শিশুর খাদ্যাভাসে করনীয়

শিশুর সঠিক পুষ্টি ও সুস্থ বর্ধনের জন্য ভালো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া উচিত:

খাবার পরিবেশন ও সময়সূচী

  • নির্দিষ্ট সময় বজায় রাখা: প্রতিদিন সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকেলের নাস্তা ও রাতের খাবারের একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন।

  • ধৈর্য ধরা ও জোর না করা: শিশু খেতে না চাইলে জোর করে খাওয়ানো যাবে না। জোর করলে খাবারের প্রতি তার ভয় ও অরুচি তৈরি হয়।

  • প্লেটে রঙিন খাবারের বৈচিত্র্য: বিভিন্ন রঙের শাকসবজি ও ফলমূল সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। আকর্ষণীয় পরিবেশন খাবারের প্রতি শিশুর আগ্রহ বাড়ায়।

পুষ্টিকর খাবারের নির্বাচন

  • সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা: খাবারে শর্করা (ভাত, রুটি), প্রোটিন (মাছ, মাংস, ডিম, ডাল), স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটাামিল ও খনিজ উপাদান (সবজি ও ফল) যেন সুষম পরিমাণে থাকে।

  • ফিঙ্গার ফুড দেওয়া: শিশু নিজে থেকে খেতে চাইলে হাত দিয়ে সহজে ধরা যায় এমন খাবার (যেমন: সেদ্ধ গাজর, আপেলের টুকরো, ডিমের কুসুম) দিন। এতে শিশুর নিজের হাতে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়।

পারিবারিক পরিবেশ ও মনোযোগ

  • একসাথে বসে খাওয়া: পরিবারের সবাই একসাথে বসে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বড়দের দেখে শিশুরা সহজেই নানা ধরনের খাবার খেতে শেখে।

  • স্ক্রিনটাইম বন্ধ রাখা: খাওয়ার সময় টিভি, মোবাইল বা ট্যাব একদম চালানো যাবে না। টিভির দিকে তাকিয়ে খেলে খাবারের পুষ্টি ও রুচির প্রতি শিশুর মনোযোগ থাকে না।

যেসব বিষয় এড়িয়ে চলবেন

  • প্রসেসড ও জাঙ্ক ফুড দূর রাখা: চিপস, সফট ড্রিংকস, চকলেট, ক্যানডি ও অতিরিক্ত মিষ্টি বা নোনতা খাবার নিয়মিত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • খাবার নিয়ে ব্ল্যাকমেইল না করা: "খাবার খেলে কার্টুন দেখতে দেব" বা "মোবাইল দেব"এ ধরনের শর্ত বা প্রলোভন দিয়ে খাওয়ানোর অভ্যাস ক্ষতিকর।

শিশুর নতুন যেকোনো খাবারে অভ্যস্ত হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। নিয়মিত চেষ্টা ও ইতিবাচক পরিবেশই শিশুর মধ্যে স্থায়ী ভালো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলে।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ