Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ

ষষ্ঠ-দশম শ্রেণির বইয়ে এআই-সাইবার সিকিউরিটি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে: মাহ্দী আমিন

আগামী শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বইয়ে এআই, রোবোটিক্স, মেশিন লার্নিং ও সাইবার সিকিউরিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বিজয় সরণিস্থ নভোথিয়েটারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬'-এর প্লেনারি সেশনে তিনিএসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, কেবল মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়েই নয়, বরং উচ্চশিক্ষা বা টারশিয়ারি লেভেলেও স্টেম ((সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথমেটিক্স) শিক্ষাকে সমানভাবে অগ্রাধিকার অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

AIUB (300x250) 25-08-26

উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর ও দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক কাঠামোর সঙ্গে তাল মেলাতে দেশের স্টেম শিক্ষাব্যবস্থাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় এই প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে কাজ চলছে। বর্তমান পারস্পরিক আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে স্টেমের চারটি বিষয় মূলত পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। বিশ্বমানের দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপযোগী নাগরিক তৈরির জন্য এই সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্টেম শিক্ষার ওপর এই বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অর্থবহ অবদান রাখতে সক্ষম হবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

দেশজুড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় আড়াই হাজারের মতো অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি কীভাবে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামের সাথে সম্পৃক্ত করা যায় এবং বাস্তবতার নিরিখে পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা যায়।’

এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত করা। নিশ্চিতভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যখন মানসম্মত গবেষণা হবে, সেখান থেকেই উদ্ভাবন তৈরি হবে। উদ্ভাবন ভালো হলে নতুন নতুন স্টার্টআপ জন্ম নেবে, ব্যবসা সম্প্রসারিত হবে এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এগুলো সবই কিন্তু একটি টেকসই ইকোসিস্টেমের পারস্পরিক কার্যকারণ সম্পর্ক।’

মন্তব্য করুন

ব্লগ