সহযোগী অধ্যাপক
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:১০ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট ২০২৬: খুলেছে না বন্ধ? আজকের সর্বশেষ খবর
📖 মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট ২০২৬
📖 এক ক্লিকে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট দেখুন
📖 মালয়েশিয়া কলিং ভিসার সর্বশেষ আপডেট জানতে ক্লিক করুন
📖 Malaysia Calling Visa Latest Update
মালয়েশিয়া কলিং ভিসা নিয়ে অপেক্ষার দিন কি শেষ? ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে—মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নিয়োগপ্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে। এই ঘোষণার পর অনেকেই ভাবছেন, মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কি পুরোপুরি খুলে গেছে, মেডিকেল কবে থেকে শুরু হবে, আর যাওয়ার খরচ কত পড়বে? এই পোস্টে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য এক জায়গায় তুলে ধরা হলো—কোনটা সরকারি ঘোষণা, আর কোনটা শুধুই গুজব, সেটাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে।
এক নজরে: মালয়েশিয়া কলিং ভিসার আজকের অবস্থা (২৯ অক্টোবর ২০২৬)
বিষয় | সর্বশেষ অবস্থা |
বর্তমান অবস্থা | নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা এসেছে; মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে ১০,০০০ বাংলাদেশি কর্মী নিতে সম্মত |
মেডিকেল | অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি; নির্দিষ্ট শুরুর তারিখ ঘোষণা হয়নি |
খরচ | প্রথম ১০,০০০ কর্মীর জন্য শূন্য অভিবাসন ব্যয়ের ঘোষণা; বাকিদের জন্য সরকার-নির্ধারিত খরচ প্রযোজ্য |
অনুমোদিত এজেন্সি | মোট ৩৩৮টি—বোয়েসেল, ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি ও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি |
সতর্কতা | আগাম টাকা বা পাসপোর্ট কাউকে দেবেন না; যাচাই ছাড়া ফেসবুক-ইউটিউবের তারিখ বিশ্বাস করবেন না |
কলিং ভিসা কী, কাদের জন্য
মালয়েশিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য যে ভিসা ইস্যু হয়, তাকে বলে "ভিসা উইথ রেফারেন্স" (VDR)—আমরা যাকে সাধারণভাবে "কলিং ভিসা" বলি। মালয়েশিয়ার কোনো নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান আপনার জন্য চাকরির চাহিদাপত্র (ডিমান্ড লেটার) পাঠালে, সেই রেফারেন্সের ভিত্তিতে এই ভিসা ইস্যু হয়। এই ভিসা মূলত তাদের জন্য, যারা মালয়েশিয়ায় কারখানা, নির্মাণ, কৃষি-বাগান, পরিষেবা বা অন্যান্য অনুমোদিত খাতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে চান। মনে রাখবেন—কলিং ভিসা মানেই কোনো নির্দিষ্ট নিয়োগদাতার কাছে চাকরি নিয়ে যাওয়া; "ফ্রি ভিসা" বলে যারা ডাকে, তাদের বেশিরভাগই প্রতারণার ফাঁদ।
আবেদনের ধাপ-ধাপে পুরো নিয়মকানুন আলাদা বিস্তারিত গাইডে ব্যাখ্যা করা হয়েছে: মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৬: কবে চালু ও আবেদন নিয়ম—বিস্তারিত গাইড
সর্বশেষ আপডেট: কী কী ঘটলো (টাইমলাইন)
১৮ ডিসেম্বর ২০২২: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কর্মী পাঠানো সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ভিত্তিতেই পরবর্তী সব প্রক্রিয়া চলে।
২০২৪ সালের জটিলতা: সিন্ডিকেট-বিতর্কের জেরে হাজারো কর্মী শেষ মুহূর্তে আটকে যান। ২০২৪ সালে আটকে পড়া ৭,৮৭৩ জন কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে (BOESL)—এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৩,০০০ কর্মী সফলভাবে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন, বাকিদের প্রক্রিয়া চলমান।
২০২৬ সালের শুরু থেকে অক্টোবর: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এজেন্সিগুলোর যোগ্যতা যাচাই শুরু হয়; প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড অনুযায়ী যাচাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা আসে।
১৫ অক্টোবর ২০২৬—বড় ঘোষণা: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে ১০,০০০ বাংলাদেশি কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নিয়োগে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে—রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি।
এই নতুন ব্যবস্থায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের কাছ থেকে কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সংগ্রহ ও কর্মী নির্বাচন করতে পারবে। আর বোয়েসেল ও ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি কলিং ভিসা, ই-ভিসা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে। কর্মী নির্বাচনের পর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিএমইটির প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র নেওয়াও বাধ্যতামূলক।
তাহলে কি এখনই আবেদন করা যাবে?
ঘোষণা এসেছে ঠিকই, কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার বুঝতে হবে—নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা আর প্রত্যেক কর্মীর মেডিকেল-ভিসা-যাত্রা শুরু হওয়া এক বিষয় নয়। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি ধাপ আলাদাভাবে সম্পন্ন হবে: প্রথমে এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়া থেকে চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ করবে, তারপর কর্মী নির্বাচন, তারপর মেডিকেল, ভিসা ও বিএমইটি ছাড়পত্র। ফলে এখনই কাউকে আগাম টাকা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
ইউটিউব ও ফেসবুকে "১৭ অক্টোবর থেকে মেডিকেল শুরু", "২০ অক্টোবর থেকে ভিসা ইস্যু"—এই ধরনের নির্দিষ্ট তারিখের ভিডিও ভাইরাল হলেও, সরকারি কোনো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তারিখ নিশ্চিত করা হয়নি। এগুলোকে সরকারি ঘোষণা মনে করে কারো হাতে টাকা তুলে দেবেন না।
মালয়েশিয়া কলিং ভিসা মেডিকেল কবে থেকে শুরু হবে ২০২৬?
এটাই এখন সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন। সত্যি কথাটা হলো—২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মেডিকেল পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট কোনো তারিখ সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
১৫ অক্টোবরের ঘোষণায় মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। দুই দেশের যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা আসবে। একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও এসেছে—কোনো একক মেডিকেল সেন্টারকে একচেটিয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হবে না, অর্থাৎ আগের মতো একটি নির্দিষ্ট সেন্টারের ওপর সবাইকে নির্ভর করতে হবে না। বাংলাদেশ নতুন তালিকার জন্য পরিবর্তনের অনুরোধও জানিয়েছে, যাতে শ্রমবাজার দ্রুত খোলে।
মেডিকেল কীভাবে হবে
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়াটি হবে এরকম: অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধন করে টোকেন নিতে হবে, এরপর অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। মূল পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও এজেন্সির দেওয়া টোকেন ছাড়া মেডিকেল করা যাবে না। মনে রাখবেন—অনুমোদিত তালিকার বাইরে যেকোনো সেন্টারে মেডিকেল করালেও সেটি নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।
মেডিকেলে কী কী পরীক্ষা হয়
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সাধারণত থাকে—রক্ত পরীক্ষা (হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, সিফিলিস, HIV, হিমোগ্লোবিন এবং মাদকের উপস্থিতি), প্রস্রাব পরীক্ষা (ইনফেকশন, কিডনি ও ডায়াবেটিস), বুকের এক্স-রে (ফুসফুস ও যক্ষ্মা শনাক্তকরণ), চোখের পরীক্ষা ও রক্তচাপ মাপা। মেডিকেলে ফিট হলে এজেন্সি আপনার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবে।
মেডিকেল-সংক্রান্ত ধাপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পাবেন: Wafid মেডিকেল: মালয়েশিয়া যেতে মেডিকেলের নিয়ম
মেডিকেল ফি কত হতে পারে
অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে ফি সাধারণত সরকার নির্ধারণ করে দেয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকে ধারণা করা হয়, ফি ৮,০০০–১০,০০০ টাকার মধ্যে থাকতে পারে—তবে নতুন তালিকা ও নির্দেশনা প্রকাশের পরই চূড়ান্ত ফি জানা যাবে। মেডিকেলের নামে কেউ অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে সেটি প্রতারণার লক্ষণ।
খরচের ধারণা: কত টাকা লাগতে পারে
জিরো কস্ট ঘোষণা: মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে প্রথম ১০,০০০ কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। তবে এ ঘোষণা থেকে ধরে নেওয়া যাবে না যে সবাই বিনা খরচে যেতে পারবেন—কারা এই সুবিধা পাবেন, কোন খরচগুলো এর আওতায় আসবে, তা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা থেকে নিশ্চিত হতে হবে।
বাকিদের জন্য: ১০,০০০-এর বাইরে যারা যাবেন, তাদের জন্য সরকার-নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় প্রযোজ্য হবে। আগের ধাপে সরকার-নির্ধারিত খরচ ছিল প্রায় ৭৮,৯৯০ টাকা, নতুন ধাপে এটি ৮০,০০০–১,০০,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারিত হতে পারে বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে উল্লেখ আছে। কিন্তু একটি কঠিন সত্য মনে রাখুন—আগের ধাপে নির্ধারিত খরচ ৭৮,৯৯০ টাকা হলেও বাস্তবে কর্মীরা গড়ে প্রায় ৫.৪৪ লাখ টাকা করে দিয়েছিলেন। তাই নির্ধারিত খরচের বাইরে কেউ বেশি টাকা চাইলে সেটি সরকারি নির্দেশনার লঙ্ঘন—এমন দাবির মুখে পড়লে বিএমইটিতে অভিযোগ করুন।
যেসব খাতে কর্মী নেওয়া হতে পারে
আগের MoU অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার যেসব খাতে কর্মী নেওয়া যেত—বৃক্ষরোপণ ও বাগান, কৃষি, উৎপাদন (কারখানা), পরিষেবা, নির্মাণ, খনি ও খনন এবং গৃহকর্মী। নতুন ধাপে কোন কোন খাতে কত কর্মী নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি। ঘোষণা এলে এই পোস্ট আপডেট করা হবে।
দালাল-প্রতারণা থেকে সাবধান: এই ভুলগুলো করবেন না
মালয়েশিয়া কলিং ভিসার নামে প্রতারণা নতুন কিছু নয়। ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতারকরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নিজেকে বাঁচাতে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন:
আগাম টাকা বা পাসপোর্ট কাউকে দেবেন না: সরকারি চাকরির চাহিদাপত্র প্রকাশের আগে কোনো এজেন্ট বা দালালকে টাকা দেওয়া মানেই ঝুঁকি নেওয়া। জিরো কস্টের ঘোষণার নামে কেউ টাকা চাইলে সেটি সরাসরি লাল সংকেত।
শুধু অনুমোদিত এজেন্সির সঙ্গে কাজ করুন: ৩৩৮টি অনুমোদিত এজেন্সির তালিকার বাইরে কারো মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স ও অনুমোদন যাচাই করুন।
বিএমইটি ছাড়পত্র ছাড়া যাবেন না: কর্মী নির্বাচনের পর জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। ছাড়পত্র ছাড়া বিদেশ যাওয়া মানে অবৈধ পথে যাওয়া।
ফেসবুক-ইউটিউবের তারিখ যাচাই করুন: ভাইরাল ভিডিওর তারিখকে সরকারি ঘোষণা মনে করবেন না। সর্বশেষ তথ্যের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় (probashi.gov.bd), বিএমইটি (bmet.gov.bd) ও বোয়েসেলের (boesl.gov.bd) সরকারি ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন।
সব লেনদেনের লিখিত প্রমাণ রাখুন: রসিদ, চুক্তিপত্র, পাসপোর্টের কপি, ছাড়পত্রের কার্ড—সব কাগজের কপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন।
বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কীভাবে করবেন, তার বিস্তারিত এখানে: বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ২০২৬: নিয়ম ও প্রক্রিয়া
এখন আপনার করণীয় কী
সংক্ষেপে বললে—এখনই তাড়াহুড়ো করে টাকা খরচ করার সময় নয়, বরং প্রস্তুতির সময়। যা যা করে রাখতে পারেন:
পাসপোর্টের মেয়াদ যাচাই করুন—কমপক্ষে ২ বছরের মেয়াদ থাকা ভালো।
জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রস্তুত রাখুন।
যে এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, সেটি ৩৩৮টির অনুমোদিত তালিকায় আছে কি না যাচাই করুন।
চাকরির চাহিদাপত্র, নিয়োগদাতার পরিচয় ও চুক্তির শর্ত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিন—কোনো কাগজ না দেখে সই করবেন না।
অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের চূড়ান্ত তালিকা ও সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করুন।
মালয়েশিয়া কলিং ভিসা সংক্রান্ত ধাপ-ধাপে সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া, কাগজপত্র ও বেতনের তথ্য জানতে পড়ুন আমাদের বিস্তারিত গাইড: মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৬: কবে চালু ও আবেদন নিয়ম—বিস্তারিত গাইড
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে ২০২৬?
উত্তর: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে ১০,০০০ কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নিতে সম্মত হয়েছে এবং ৩৩৮টি এজেন্সি অনুমোদন পেয়েছে। তবে প্রতিটি কর্মীর মেডিকেল, ভিসা ও যাত্রার ধাপ আলাদাভাবে সম্পন্ন হবে।
প্রশ্ন ২: মালয়েশিয়া কলিং ভিসা বন্ধ না খোলা ২০২৬?
উত্তর: ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবরের ঘোষণা অনুযায়ী এটি খোলার পথে—নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া একবারে চালু হয়নি; চাহিদাপত্র সংগ্রহ, মেডিকেল সেন্টার চূড়ান্তকরণসহ কয়েকটি ধাপ এখনো বাকি।
প্রশ্ন ৩: মালয়েশিয়া কলিং ভিসা মেডিকেল কবে থেকে শুরু হবে ২০২৬?
উত্তর: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মেডিকেল শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তারিখগুলোর সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই।
প্রশ্ন ৪: মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা লাগবে?
উত্তর: প্রথম ১০,০০০ কর্মীর জন্য শূন্য অভিবাসন ব্যয়ের নীতিগত সম্মতি আছে। বাকিদের জন্য সরকার-নির্ধারিত খরচ প্রযোজ্য হবে—আগের ধাপে যা ছিল ৭৮,৯৯০ টাকা। নতুন ধাপের চূড়ান্ত খরচ সরকারি নির্দেশনায় জানা যাবে।
প্রশ্ন ৫: কোন এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া নিরাপদ?
উত্তর: শুধুমাত্র সরকার-অনুমোদিত ৩৩৮টি এজেন্সির (বোয়েসেল, ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি ও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি) মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। তালিকার বাইরের কোনো এজেন্সি বা দালালের মাধ্যমে যাবেন না।
প্রশ্ন ৬: মেডিকেল কি যেকোনো সেন্টারে করা যাবে?
উত্তর: না। শুধুমাত্র সরকার-অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। অনুমোদিত তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি—তালিকা প্রকাশের পর যাচাই করে মেডিকেল করান।
প্রশ্ন ৭: বিএমইটি ছাড়পত্র কি বাধ্যতামূলক?
উত্তর: হ্যাঁ। কর্মী নির্বাচনের পর বিএমইটির ছাড়পত্র নেওয়া বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক। ছাড়পত্র ছাড়া বিদেশ যাওয়া অবৈধ।
প্রশ্ন ৮: জিরো কস্ট মানে কি সত্যিই বিনা খরচে যাওয়া যাবে?
উত্তর: মালয়েশিয়া ১০,০০০ কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু কারা এই সুবিধা পাবেন এবং কোন কোন খরচ এর আওতায় থাকবে—তা সরকারি নির্দেশনা থেকে নিশ্চিত হতে হবে।
প্রশ্ন ৯: পুরনো সিন্ডিকেটের মতো আবার বেশি টাকা নেওয়ার ঝুঁকি আছে কি?
উত্তর: ঝুঁকি এড়াতেই নতুন ব্যবস্থায় একাধিক মেডিকেল সেন্টার রাখা হচ্ছে এবং কোনো একক সেন্টারকে একচেটিয়া দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তবু সতর্ক থাকুন—নির্ধারিত খরচের বেশি কেউ চাইলে বিএমইটিতে অভিযোগ করুন।
প্রশ্ন ১০: সর্বশেষ খবর কোথায় পাবো?
উত্তর: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বিএমইটি ও বোয়েসেলের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস। ফেসবুক-ইউটিউবের অযাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে টাকা দেবেন না।
Malaysia Calling Visa Update 2026: Latest News (English Version)
Is the wait for the Malaysia calling visa finally over? On 15 October 2026, the Government of Bangladesh officially announced the resumption of the worker recruitment process for Malaysia. This post brings together the latest verified information as of 29 October 2026—separating official announcements from social media rumors.
At a Glance: Current Status (29 October 2026)
Topic | Latest Status |
Current status | Recruitment process resumption announced; Malaysia agreed in principle to take 10,000 Bangladeshi workers |
Medical | Final list of approved medical centres not yet published; no official start date announced |
Cost | Zero migration cost announced for the first 10,000 workers; government-fixed cost applies to others |
Approved agencies | 338 total—BOESL, 25 processing agencies and 312 recruiting agencies |
Warning | Do not pay money or hand over passports in advance; do not trust unverified dates from Facebook/YouTube |
What Is the Calling Visa and Who Is It For?
The visa issued for employment in Malaysia is called "Visa With Reference" (VDR)—commonly known as the "calling visa." When a Malaysian employer sends a job demand letter for you, the visa is issued on the basis of that reference. It is meant for workers going to Malaysia in sectors such as factories, construction, agriculture and plantations, services and other approved industries. Remember—a calling visa always means going to a specific employer; anyone offering a so-called "free visa" is most likely running a scam.
Latest Updates: Timeline of Events
18 December 2022: Bangladesh and Malaysia signed a bilateral Memorandum of Understanding (MoU) on worker recruitment—the foundation of everything that followed.
2024 complications: Amid syndicate controversies, thousands of workers got stranded at the last moment. The state agency BOESL was given responsibility for 7,873 stranded workers from 2024—around 3,000 have already reached Malaysia successfully, and the rest are being processed.
Early to October 2026: Eligibility verification of agencies began; a list of 423 recruiting agencies with supporting documents was sent to Malaysian authorities. After verification against criteria set by Malaysia's Ministry of Human Resources, the final list was approved.
15 October 2026—the big announcement: The Ministry of Expatriates' Welfare and Overseas Employment announced in a press release that Malaysia has agreed in principle to recruit 10,000 Bangladeshi workers at zero migration cost. A total of 338 agencies were approved—the state-owned Bangladesh Overseas Employment and Services Limited (BOESL), 25 private processing/service agencies and 312 recruiting agencies.
Under the new system, recruiting agencies will collect job demand letters from Malaysian employers and select workers, while BOESL and the 25 processing agencies will assist with administrative procedures including calling visas and e-visas. BMET clearance remains mandatory under Bangladeshi law after worker selection.
Can You Apply Right Now?
The announcement is real, but one thing must be clear—the announcement of the recruitment process and the start of each worker's medical, visa and departure steps are not the same thing. The official process runs in stages: agencies first collect job demand letters from Malaysia, then select workers, then medical tests, visas and BMET clearance follow. So there is no reason to pay anyone money in advance right now.
Videos claiming "medical starts 17 October" or "visa issuance from 20 October" have gone viral on YouTube and Facebook, but none of these dates have been confirmed in any government notice. Do not hand money to anyone based on them.
When Will the Malaysia Calling Visa Medical Start in 2026?
This is the most asked question right now. The honest answer—as of 29 October 2026, no specific start date for medical examinations has been officially announced.
The 15 October announcement stated that finalising the full list of approved medical centres is still underway, subject to verification by both countries. One important decision was also announced—no single medical centre will be given exclusive authority to conduct health examinations, so workers will not have to depend on one designated centre as before.
How the Medical Will Work
Under the official process: register through an approved recruiting agency and take a token, then undergo the health check at an approved medical centre. You will need your original passport, passport-size photos and the agency-issued token. Medical tests done at centres outside the approved list may not be accepted under the new process.
What Tests Are Included in the Medical
Health examinations for Malaysia-bound workers generally include—blood tests (Hepatitis B, Hepatitis C, syphilis, HIV, haemoglobin and drug screening), urine tests (infection, kidney and diabetes), chest X-ray (lungs and TB detection), eye examination and blood pressure measurement. If you are declared fit, the agency can apply for your visa.
How Much Will It Cost
Zero-cost announcement: Malaysia has agreed in principle to take the first 10,000 workers at zero migration cost. But this does not mean everyone can go for free—who qualifies and which costs are covered must be confirmed from official directives.
For the rest: A government-fixed migration cost will apply. In the previous round it was about Tk 78,990. But remember the hard truth—in the previous round, workers actually paid an average of about Tk 5.44 lakh each despite the fixed rate. If anyone demands more than the official cost, report it to BMET.
Which Sectors May Hire Workers
Under the earlier MoU, Bangladeshis could be recruited for—plantations, agriculture, manufacturing (factories), services, construction, mining and quarrying, and domestic work. Details of which sectors will hire how many workers in the new round have not been announced yet.
Beware of Fraud: Mistakes to Avoid
Do not pay money or hand over your passport in advance: Paying any agent or broker before official job orders are published is pure risk. Anyone demanding money under the zero-cost scheme is a red flag.
Work only with approved agencies: Do not start the process through anyone outside the 338 approved agencies. Verify the agency's licence and approval.
Do not go without BMET clearance: Obtaining BMET clearance after selection is mandatory under Bangladeshi law. Going abroad without it means going illegally.
Verify Facebook/YouTube dates: Do not treat viral video dates as government announcements. Follow official notices on the ministry (probashi.gov.bd), BMET (bmet.gov.bd) and BOESL (boesl.gov.bd) websites.
Keep written proof of every transaction: Preserve copies of receipts, contracts, passport copies and clearance cards.
What You Should Do Now
In short—this is not the time to rush and spend money; it is the time to prepare:
Check your passport's validity—at least 2 years of validity is advisable.
Keep your national ID, birth registration and passport-size photos ready.
Verify whether the agency you plan to go through is on the 338-agency approved list.
Get a clear understanding of the job demand letter, the employer's identity and contract terms—never sign anything without seeing the papers.
Wait for the final list of approved medical centres and the government's official directives.
১৮
২৯ মন্তব্য