Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৩১ পূর্বাহ্ণ

মাওলানা নূরুল আমিন (মঈন সাহেব)—সাদাসিধে জীবন, স্নিগ্ধ হাসি ও প্রজ্ঞার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি

মাওলানা নূরুল আমিন (মঈন সাহেব)—সাদাসিধে জীবন, স্নিগ্ধ হাসি ও প্রজ্ঞার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি


সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা, মাথায় টুপি আর মুখজুড়ে এক চিলতে প্রশান্তির হাসি—বাহ্যিক আড়ম্বরহীন অথচ ব্যক্তিত্বের দীপ্তিতে উজ্জ্বল এক মানুষ। বিনয়, নিরহংকারিতা, অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনে যিনি স্বতন্ত্র, তিনি মাওলানা নূরুল আমিন। শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে যিনি স্নেহের ‘মঈন সাহেব’ নামেই সমধিক পরিচিত।

তিনি কলাউজান শাহ্ রশিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার আরবি বিষয়ের একজন সহকারী অধ্যাপক। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি নিজের মার্জিত আচরণ, স্নিগ্ধ হাসি, কর্মনিষ্ঠা ও অনন্য জীবনবোধ দিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীর হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তাঁর জীবন যেন প্রজ্ঞা, বিনয় ও দ্বীনি খেদমতের এক স্নিগ্ধ সম্মিলন।

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর কলাউজানের হিন্দুর হাট এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা নূরুল আমিন। তাঁর পিতা মরহুম আনু মিয়া এবং মাতা মরহুমা হাফেজা খাতুন।

শিক্ষাজীবনের সূচনা হয় কলাউজান শাহ্ রশিদিয়া ফাজিল মাদরাসায়। ১৯৮২ সালে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৪ সালে লোহাগাড়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে আলিম এবং ১৯৮৬ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ফাজিল ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৮ সালে চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদরাসা থেকে কামিল ডিগ্রি লাভ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কওমি মাদরাসায়ও অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে সর্বোচ্চ স্তরের ডিগ্রি অর্জন করেন।

প্রাতিষ্ঠানিক ও কওমি—উভয় ধারার শিক্ষায় সমৃদ্ধ হওয়ায় আরবি ভাষা, সাহিত্য ও ব্যাকরণে তিনি অর্জন করেন বিশেষ দক্ষতা। তাঁর মেধা ও জ্ঞানের গভীরতায় মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আবু বকর সাহেব তাঁকে শিক্ষক হিসেবে মাদরাসায় যোগদানের অনুরোধ জানান।

অধ্যক্ষ মহোদয়ের অনুরোধে তুলনামূলক স্বল্প বেতনে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন প্রিয় এই প্রতিষ্ঠানে। চাইলে অন্য কোথাও অধিক সুযোগ-সুবিধায় কর্মজীবন গড়তে পারতেন। কিন্তু তাঁর কাছে আর্থিক প্রাপ্তির চেয়ে বড় ছিল নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা। যে প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় তাঁর শিক্ষাজীবনের ভিত রচিত হয়েছিল, সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে অর্জিত জ্ঞান বিলিয়ে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে ফিরিয়ে এনেছিল আপন শিক্ষাঙ্গনে। নিঃসন্দেহে এটি একজন শিক্ষকের প্রাতিষ্ঠানিক মমত্ববোধের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

মঈন সাহেব হুজুরের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকগুলোর একটি তাঁর স্নিগ্ধ মুচকি হাসি। পরনে প্রায় সবসময় সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা, মাথায় টুপি আর মুখে প্রশান্তির মৃদু হাসি—এই পরিচিত অবয়বটি যেন তাঁর ব্যক্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তাঁকে কখনো উচ্চস্বরে কিংবা দাঁত বের করে হাসতে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। সবসময় সেই একই সংযত, মায়াময় মুচকি হাসি। তাঁর হাসির মধ্যে এমন এক প্রশান্তির আবেশ রয়েছে, যা অনায়াসেই মানুষের মনে ইতিবাচক অনুভূতির সঞ্চার করে।

ব্যক্তিগত জীবনেও হুজুরের এই বৈশিষ্ট্য আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। আমিও চেষ্টা করি, পরিস্থিতি যেমনই হোক, আচরণে সংযম ও মুখে স্নিগ্ধ হাসি ধরে রাখতে। একজন শিক্ষকের ব্যক্তিত্ব যে শিক্ষার্থীর জীবনাচরণেও নীরবে ছাপ ফেলতে পারে, তাঁর এই মুচকি হাসি তারই এক অনুপম দৃষ্টান্ত।

আলহামদুলিল্লাহ! মঈন সাহেব হুজুর ছিলেন আরবি ভাষা, সাহিত্য ও ব্যাকরণে গভীর জ্ঞানের অধিকারী। বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার পাশাপাশি তাঁর পাঠদানের প্রস্তুতি, ধারাবাহিকতা ও উপস্থাপনশৈলী ছিল সত্যিই প্রশংসনীয়।

আমরা যখন নবম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করি, তখন ২০০৩ সাল। হুজুর আমাদের আরবি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পাঠদান করতেন। আরবি সাহিত্যের পাঠ্যবই ছিল ‘আল-মুনতাখাবুল আরবি’। মাশাআল্লাহ! তাঁর পাঠদানের গভীরতা ও বিষয়বস্তুর বিস্তৃতি এতটাই সমৃদ্ধ ছিল যে, অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার আগপর্যন্ত তিনি এই বইয়ের নামকরণের ওপর পাঠদান অব্যাহত রেখেছিলেন। তখনই উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম, আরবি সাহিত্যে তাঁর জ্ঞানের পরিধি কতটা বিস্তৃত।

তাঁর পাঠদানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও আলোচনার ধারাবাহিকতা। আগের ক্লাসে ঠিক কোথায় আলোচনা শেষ করেছিলেন, পরবর্তী ক্লাসে সেখান থেকেই আবার শুরু করতেন। পাঠের গুরুত্বপূর্ণ কোনো অংশ তাঁর স্মৃতি থেকে সহজে হারিয়ে যেত না। শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্ন কিংবা আলোচনার মধ্যেও তিনি মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখতে পারতেন।

কঠিন ও দুর্বোধ্য বিষয়গুলো তিনি বাস্তবধর্মী উদাহরণের মাধ্যমে সহজবোধ্য করে তুলতেন। তাঁর মুখে প্রায়ই একটি মজার কথা শোনা যেত—‘মেসাল দিলে পেসাল যেবুগই।’ অর্থাৎ, উদাহরণ দিয়ে বোঝালে বিষয়টি সহজেই উপলব্ধি করা যায়। কথাটির মধ্যে যেমন ছিল রসিকতা, তেমনি ছিল পাঠদানের একটি চমৎকার দর্শন। সত্যিই, তাঁর দেওয়া উদাহরণগুলো জটিল বিষয়কে আমাদের কাছে সহজ ও প্রাণবন্ত করে তুলত।

মঈন সাহেব হুজুরের পর্যবেক্ষণক্ষমতা ছিল অত্যন্ত প্রখর। তাঁর ক্লাসে অমনোযোগিতা কিংবা ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, লেখার ধরন ও পরীক্ষার উত্তরপত্র—সবকিছুই তিনি গভীর মনোযোগে পর্যবেক্ষণ করতেন। একবার আমাদের এক সহপাঠী পরীক্ষার খাতায় বেশি নম্বর পাওয়ার আশায় নির্ধারিত উত্তরের বাইরে অতিরিক্ত উত্তর লিখেছিল। খাতা মূল্যায়নের সময় হুজুর বিষয়টি ঠিকই শনাক্ত করেন এবং লাল কলম দিয়ে চিহ্নিত করে রাখেন। পরবর্তী সময়ে খাতা প্রদর্শনের দিন অতিরিক্ত উত্তর লেখার জন্য ওই শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেন।

মঈন সাহেব হুজুরের আরবি হস্তাক্ষর ছিল অত্যন্ত সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন। তাঁর লেখায় অক্ষরের বিন্যাস, গঠন ও সৌন্দর্যের এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যেত। বোর্ডে যখন তিনি আরবি লিখতেন, তখন লেখার নান্দনিকতা আমাদের মুগ্ধ করত। আমরাও তাঁর হস্তাক্ষর অনুসরণ করার চেষ্টা করতাম।

পাঠদানের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত গোছানো ও পরিমিতিবোধসম্পন্ন। আরবির জটিল বিষয়গুলো সহজ ভাষায় সংক্ষেপে উপস্থাপন করতেন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও মূল বক্তব্যগুলো বোর্ডে সুন্দরভাবে লিখে দিতেন। আমরা সেগুলো খাতায় তুলে নেওয়ার পাশাপাশি সহজেই আত্মস্থ করতে পারতাম।

তিনি অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ উত্তর পছন্দ করতেন না; বরং অল্প কথায় মূল বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিতেন। তাঁর কাছে জ্ঞান প্রকাশের সৌন্দর্য ছিল যথার্থতা ও সাবলীলতায়।

নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তাঁর কাছ থেকে ‘আল-মুনতাখাবুল আরবি’র একটি পাঠের আলোচনা আজও স্মৃতিতে অমলিন। পাঠটির বিষয়বস্তু ছিল—‘নামাজ শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম’। হুজুর অত্যন্ত চমৎকারভাবে পাঠটি ব্যাখ্যা করেছিলেন। শুধু পাঠ্যবইয়ের তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমেও বিষয়টি আমাদের সামনে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর সেই পাঠদান আজও স্মৃতির পাতায় উজ্জ্বল হয়ে আছে।

একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্বনিষ্ঠা। ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়া—কোনো কিছুই তাঁকে সহজে মাদরাসায় আসা থেকে বিরত রাখতে পারত না। প্রাণের শিক্ষাঙ্গনের প্রতি তাঁর ছিল গভীর অনুরাগ। এই প্রতিষ্ঠান যেন তাঁর কর্মজীবনের ঠিকানা, আত্মিক প্রশান্তির জায়গা।

জানা যায়, নিয়মিত উপস্থিতির স্বীকৃতিস্বরূপ একসময় তিনি অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছ থেকে পুরস্কারও গ্রহণ করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তাঁর মধ্যে সেই নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের আন্তরিকতা লক্ষ করা যায়।

দিনের আলোয় মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জ্ঞানচর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন—এভাবেই কাটে তাঁর কর্মব্যস্ত সময়। আর সূর্যাস্তের পর শুরু হয় জীবনের আরেকটি অধ্যায়; মহান আল্লাহর স্মরণ ও দ্বীনি খেদমতে নিজেকে নিবেদিত করার পর্ব।

প্রতিদিন কোনো না কোনো মসজিদে তাঁর সুমধুর ও সুললিত কণ্ঠে জিকিরের আহ্বান শোনা যায়। তিনি বায়তুশ শরফ দরবার শরিফের জিকিরের একজন প্রবীণ ইমাম। দীর্ঘদিন ধরে এ ধর্মীয় খেদমতের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

শিক্ষকতা ও জিকিরের পাশাপাশি খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। জানা যায়, উত্তর কলাউজান সিকদার পাড়া জামে মসজিদে প্রায় ৪০ বছর ধরে খতিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘ চার দশক ধরে একই মসজিদে ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তাঁর নিষ্ঠা, বিশ্বস্ততা ও দ্বীনি খেদমতের প্রতি গভীর অনুরাগেরই পরিচায়ক।

পারিবারিক জীবনেও তিনি একজন স্নেহশীল, দায়িত্ববান ও সৌভাগ্যবান পিতা। চার ছেলে ও এক মেয়ের জনক তিনি। সন্তানদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং তাঁদের বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার একটি সুন্দর চিত্র চোখে পড়ে ধর্মীয় খেদমতের সময়।

অনেক সময় দেখা যায়, তাঁর ছেলেরা মোটরসাইকেলে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে জিকিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলেছেন। দৃশ্যটি সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। একজন পিতার দ্বীনি খেদমতে সন্তানদের এমন সহযোগিতা পারিবারিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও বন্ধনের এক অনন্য নিদর্শন।

সন্তানদের শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়ও উল্লেখ করার মতো। বড় ছেলে হাফেজ ডা. ইমরুল হাসান এমবিবিএস ডিগ্রিধারী এবং শিশু ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। মেজো ছেলে মোহাম্মদ সাকিবুল হাসান চট্টগ্রাম বন্দরে সিঅ্যান্ডএফ (C&F) ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। সেজো ছেলে মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম পুটিবিলা হামিদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার শিক্ষক এবং লোহাগাড়ার মসজিদে বায়তুল্লাহর খতিব। ছোট ছেলে মোহাম্মদ তামিমুল হাসান সার্ভেয়ার বা আমিন পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং পাশাপাশি অধ্যয়নরত। একমাত্র মেয়ে সোমাইয়া খানম মিছলোনা প্রাণিবিদ্যায় বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।


اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُ فِي عِلْمِهِ وَعَمَلِهِ وَعُمُرِهِ، وَزِدْهُ عِلْمًا وَحِلْمًا وَحِكْمَةً، وَأَدِمْ عَلَيْهِ نِعْمَةَ الصِّحَّةِ وَالْعَافِيَةِ، وَوَفِّقْهُ لِمُوَاصَلَةِ رِسَالَتِهِ الْعِلْمِيَّةِ وَالدِّينِيَّةِ، وَاجْعَلْهُ مِفْتَاحًا لِلْخَيْرِ وَمِصْبَاحًا لِلْعِلْمِ وَالْهِدَايَةِ، وَاجْعَلْ مَا يُعَلِّمُهُ وَيَنْشُرُهُ مِنَ الْعِلْمِ النَّافِعِ صَدَقَةً جَارِيَةً لَهُ، وَبَارِكْ لَهُ فِي ذُرِّيَّتِهِ وَأَهْلِهِ، وَأَقِرَّ عَيْنَهُ بِصَلَاحِهِمْ، وَاجْعَلْ أَيَّامَهُ عَامِرَةً بِالْخَيْرِ وَالطَّاعَةِ وَالْبَرَكَةِ. آمِينَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.

বাংলা অর্থ:

হে মহান আল্লাহ! মাওলানা নূরুল আমিন হুজুরের ইলম, আমল ও হায়াতে অশেষ বরকত দান করুন। তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সহনশীলতা আরও বৃদ্ধি করুন। তাঁকে সুস্বাস্থ্য ও কর্মোদ্যমে পরিপূর্ণ রাখুন। শিক্ষকতা ও দ্বীনি খেদমতের এই মহৎ পথচলা অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করুন। তাঁকে কল্যাণের দ্বার উন্মোচনকারী এবং জ্ঞান ও হেদায়াতের আলোকবর্তিকা হিসেবে কবুল করুন। তাঁর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি উপকারী জ্ঞানকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন। তাঁর সন্তান-সন্ততি ও পরিবার-পরিজনে বরকত দান করুন এবং তাঁদের নেককার হওয়ার মাধ্যমে তাঁর হৃদয় জুড়িয়ে দিন। তাঁর জীবনের প্রতিটি দিন কল্যাণ, ইবাদত ও বরকতে পরিপূর্ণ করে দিন।

আমিন, ইয়া রব্বাল আলামিন।


লেখক : মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন / প্রাক্তন শিক্ষার্থী


#kalauzanshahrashidiafazilmadrasah 

#kalauzan #Lohagara #Chattogram #প্রিয়_শিক্ষক #lohagara_satkania #MadrasahBoard #MadrasaEducation

মন্তব্য করুন