বর্তমানে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার, অনিয়ন্ত্রিত ব্রাউজিং এবং সঠিক অভিভাবকত্বের (Parenting) অভাব শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তিনটি বিষয় একটি চক্রের মতো কাজ করে যা শিক্ষার্থীর মনোযোগ ও একাডেমিক পারফরম্যান্সকে ধ্বংস করে দেয়।
সমস্যাটির পেছনের মূল কারণসমূহ:
মনোযোগের বিচ্যুতি (Distraction): পড়াশোনা করার সময় পাশে স্মার্টফোন থাকলে বা ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করলে পড়াশোনায় গভীর মনোযোগ (Deep Focus) দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা গেমসের নোটিফিকেশন বারবার মনোযোগ নষ্ট করে।
সময়ের অপচয় ও রাত জাগা: স্ক্রিন টাইম বা ব্রাউজিংয়ের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় চলে যায়, যার ফলে পড়াশোনার সময় কমে যায়। এছাড়া গভীর রাত পর্যন্ত ফোন ব্যবহারের কারণে ঘুম কম হয়, যা পরদিন ক্লাসে মনোযোগ দিতে বাধা দেয় এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে।
ডিজিটাল আসক্তি (Dopamine Addiction): সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, রিলস বা শর্ট ভিডিও মস্তিষ্কে দ্রুত ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ করে। ফলে কঠিন ও ধৈর্যসাপেক্ষ পড়াশোনার চেয়ে ফোন স্ক্রোল করা অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।
প্যারেন্টিং বা অভিভাবকত্বের অভাব: অনেক বাবা-মা ব্যস্ততার কারণে বা অসচেতনতাবশত সন্তানকে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করতে দেন। সন্তানের অনলাইন কার্যকলাপে নজর না রাখা বা ফোনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি না করার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ে।
৩
৩ মন্তব্য