Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:০৬ অপরাহ্ণ

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার


অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার


আমাদের অনেকেরই অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে চুল পড়ার পাশাপাশি অকালপক্বতার সমস্যাও দেখা দেয়। চুলের একটি নির্দিষ্ট জীবনচক্র রয়েছে। এই চক্রের মধ্য দিয়ে চুল বৃদ্ধি পায়, একসময় ঝরে যায় এবং নতুন চুল গজায়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের ফলিকল বা চুলের গোড়া ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে। একই সঙ্গে চুলের রং তৈরির জন্য দায়ী মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থের উৎপাদন কমে যায়। ফলে চুল ধীরে ধীরে সাদা বা ধূসর হতে শুরু করে।

তবে অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বয়স হওয়ার আগেই চুল পেকে যায়। এতে তাঁরা মানসিক কষ্ট ও বিব্রতবোধ করেন। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন—

১. বংশগত বা জিনগত প্রভাব। ২. হরমোনজনিত সমস্যা। ৩. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ও উদ্বেগ। ৪. ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের অভাব। ৫. ধূমপান ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

অকালপক্বতা প্রতিরোধে করণীয়

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা কমাতে কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

১. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়মিত ঘুম, ব্যায়াম ও বিশ্রামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

২. শরীরে পুষ্টির ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যেতে পারে।

৩. প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, জিঙ্ক, কপার ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে।

৪. ধূমপান পরিহার করতে হবে। ধূমপান অকালপক্বতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং চুলের স্বাভাবিক রঞ্জক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৫. পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার পেছনে বংশগত কারণও থাকতে পারে। তাই সব ক্ষেত্রে চুল পাকা বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে পুষ্টির ঘাটতি বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। হঠাৎ বা দ্রুত চুল পেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মন্তব্য করুন