Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০২ জুলাই, ২০২১ ০৭:২৩ অপরাহ্ণ

করোনা থামাতে পারেনি রিসোর্স টিচারদের(আরটি) কার্যক্রম

করোনা থামাতে পারেনি রিসোর্স টিচারদের(আরটি) কার্যক্রম মহামারী করোনায় থমকে গেছে সারা বিশ্বথমকে গেছে বিভিন্ন সেক্টরের কার্যক্রম করোনার ভয়াল থাবায় বাংলাদেশও মারাত্মকভাবে আক্রান্তস্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবনকাজের গতিতে এসেছে স্থবিরতাসারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে অর্থনীতি এবং শিক্ষাখাতেকিন্তু শিক্ষাখাতের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে দিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম(সেসিপ) কর্তৃক অস্থায়ীভাবে নিয়োগকৃত রিসোর্স টিচারগণ উল্লেখ্য যে, মহামারী থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাখতে সরকার গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়ফলে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীরা পড়ে এক মারাত্মক ক্ষতির মুখেআর ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে দিতে রিসোর্স টিচাররা নিজ উদ্যোগে আয়োজন করে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনারসে লক্ষ্যে রিসোর্স টিচাররা ইউটিউবে নিজের চ্যানেল এবং Resource Teachers' Online SCHOOL-SESIP নামে পেজ খুলে নিয়মিত অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং এর ফলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছেতাছাড়াও রিসোর্স টিচারদের ক্লাস বিভিন্ন বিভাগীয় এবং জেলা ভিত্তিক যে অনলাইন স্কুলগুলো আছে সেখানে প্রশংসা পাচ্ছেআসলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতির কথা চিন্তা করে যতদিন প্রতিষ্ঠান না খুলবে ততদিন রিসোর্স টিচারদের অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম চলতে থাকবে এখানে আরও উল্লেখ্য যে,প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ,ইংরেজি,গণিত এবং বিজ্ঞান বিয়ষের ভীতি দূর করে যোগ্য হিসাবে গড়ে তোলা,দূর্বল ছাত্র-ছাত্রী চিহ্নিত করে মেধাবি হিসাবে গড়ে তোলা,বাল্য বিবাহ রোধ সহ শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সালের মার্চ মাসে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ)অধীনে বিষয় ভিত্তিক(ইংরেজি,গণিত, বিজ্ঞান) ১০০০ অস্থায়ী রিসোর্স টিচার (আরটি) নিয়োগ করা হয় এবং সেই ২০১৮ সাল থেকে তারা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে যা তাদের নিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানের ২০১৯ এবং ২০২০ সালের ফলাফল দেখলেই বোঝা যায়ইতোমধ্যে সরকার যে উদ্দেশ্য নিয়ে রিসোর্স টিচার নিয়োগ প্রদান করেছিল তা তারা শতভাগ পূরণে সক্ষম হয়েছেপ্রত্যন্ত এলাকায় রিসোর্স টিচার নিয়োগের ফলে শিক্ষার হার যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে ভাল ফলাফলযেসব প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ছিল কম এবং + এর সংখ্যা একেবারেই ছিলনা সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথমবারের মত পেয়েছে + এবং পাশের হার বেড়ে হয়েছে ৯০% এবং এমনকি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০০% পাশের রেকর্ড করেছে যার পুরোটায় রিসোর্স টিচারদের পরিশ্রমের ফলফলে সেসব প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থী এবং অভিভাকদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে রিসোর্স টিচাররা তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন এই যে, এসব অস্থায়ী নিয়োগকৃত রিসোর্স টিচারদের স্থায়ী ব্যবস্হা করতে মর্জি হন এবং এসব মেধাবি রিসোর্স টিচারদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবা করার সুযোগদানে বাধিত করবেন

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট