Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২০ আগস্ট, ২০২১ ১২:২০ অপরাহ্ণ

কদম ফুল, মোঃশহিদুল আলম, সিনিয়র শিক্ষক হোসেন্দী উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া-কিশোরগঞ্জ ।

বর্ষাকালের দূত আমরা কদম ফুলকেই বলি।  বর্ষাকালে ছোট বড় কদম গাছে ডালে ডালে সাজানো থাকে কদম ফুল। ফুলগুলো ঠিক ছোট ছোট বলের মতো মনে হয়। কদমের মিষ্টি গন্ধে চার দিক ম ম করে।
কদমগাছ অনেক উঁচু হয় এবং এর  শাখা-প্রশাখা থাকে বহু।  বাকলের রঙ ধূসর থেকে প্রায় কালো। পাতা বেশ বড় ও ডিম্বাকৃতির। কছকছা রং সবুজ। আর ফুলের রঙ সাদা-হলুদে মেশানো। আমরা যাকে ‘কদম ফুল’ বলি তা আসলে বহু ফুলের সমষ্টি। মাঝখানে থাকে গোলাকার পুষ্পাধার এবং এর গায়ে ফুলগুলো লেগে থাকে। ভেতরেল মাংসল ও টক। কদম ফল বাদুড় ও কাঠবিড়ালির প্রিয় খাদ্যের একটি। বলা যায়, তারাই কদমের বীজ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে বংশ বৃদ্ধি করে।
কদম গাছের কাঠ নরম। তেমন শক্তপোক্ত নয়। এ জন্য সাধারণত কদমের কাঠ জ্বালানি হিসেবেই ব্যবহৃত হয় বেশি। তবে কদম গাছের কাঠ ম্যাচের কাঠি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক নাম অ্যান্থোসেফেলাস ইন্ডিকাস ।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট