ব্রিটিশ শাসনামলে ঠিক এই ভাবেই এই বাড়িটার গেটের বাহিরে বড় করে লেখা থাকতো।
হ্যা এটাই সেই ঐতিহাসিক ইউরোপীয় ক্লাব। এখানেই বাংলার প্রথম নারী শহীদ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ সেপ্টেম্বর সশস্ত্র আক্রমণে, ১৫ জনের একটি বিপ্লবী দলের নেতৃত্ব দেন এবং এক পর্যায়ে ব্রিটিশ বাহিনীর গুলিতে আহত হন। সফল আক্রমনের শেষে আক্রমণে অংশ নেয়া অন্য বিপ্লবীদের দ্রুত স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রীতিলতা এবং পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রেফতার না হওয়ার জন্য পটাসিয়াম সায়ানাইড মুখে পুরে দেন।
যখন প্রথমবার মাষ্টারদা সূর্য সেনকে নিয়ে লেখা বইটি পরেছিলাম। তখন থেকেই এই জায়গাটা আমার দেখার খুবই ইচ্ছা ছিল৷ আবেশে চট্টগ্রামে আসার পর আমার ইচ্ছা পূরণ হয়৷ এবং সুযোগ পেলেই এই জায়গাটাতে চলে আসি আর অনুভব করার চেষ্টা করি এখানেই মাষ্টারদা, প্রীতিলতা,ভোলা,প্রফুল্লো দাসের মতো মানুষের আনাগোনা ছিল।