সহকারী শিক্ষক
০৯ মে, ২০২৩ ০৮:১৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দ্বিতীয়
অধ্যায়ঃ পঞ্চম অধ্যায়
মূলত পূঁজা অর্চনায় ছাড়া ভেষজ ও ঔষধিগুণে ভরপুর জবা ফুলের অন্য কোনো ব্যবহার তেমন একটা নেই এদেশে। অথচ যৌবন ধরে রাখার অনন্য গুনসম্পন্ন এই জবা ফুলের বিস্তারিত গবেষণা এখন সময়ের দাবি। গন্ধহীন ঔষধি গুণসম্পন্ন জবা ফুল বমি, অনিয়মিত মাসিকের ¯্রাব, মাসিক ঋতুর অতি¯্রাবে, চোখ ওঠা, মাথায় টাক পোকা, হাতের তালুতে চামড়া ওঠা ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় জবা ফুল শুধু ক্যান্সার প্রতিরোধই নয়, নিয়মিত আহারে বয়স বাড়ার প্রবণতা কমিয়ে মানুষকে চিরযৌবন এনে দিতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, মূত্রনালীর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর, জ্বর নিয়ন্ত্রণ, চুল পড়া, চুল সাদা হয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের ব্যথা ৭০ ভাগ পর্যন্ত কমাতে পারে জবা ফুল।
ফেসপ্যাক হিসেবেও কার্যকর এই জবা ফুল। লাল জবার পাপড়ির গুঁড়া মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং বলিরেখা রোধ করে। শুষ্ক ত্বক নিরাময় এবং ফাটা ভালো করে। খুশকি দূর ও জুতা পলিশের কাজে ব্যবহৃত হয় জবা ফুল। শিশুদের শ্যাম্পু হিসেবে ও আই শ্যাডো হিসেবে ব্যবহার করা হয়। লাল জবার পাপড়ি শরীরে লৌহের ঘাটতি কমায় ও সাদা জবার পাপড়ি বিষন্নতা দূর হয়। জবা ফুলের রস থেকে তৈরী জবাকুসুম তেলে চুল পড়া বন্ধ এবং চুল কালো হয়। কবিরাজি মতে, জবাফুলের রস সেবনে স্ত্রীলোকের ঋতু¯্রাব দোষ নিরাময় হয়। এর ফুল ভেজে খেলে অনিয়মিত এবং অল্প ঋতু¯্রাবজনীত অসুবিধা দূর হয়। এর কুঁড়ি পুরুষের ধাতুদৌর্বল্য দূর করে শারীরিক শক্তি বাড়িয়ে তোলে। মিলন হয় দীর্ঘস্থায়ী। এই ফুলের ক্বাথ শরবতের সঙ্গে পান করলে জ্বর ও কাশির উপশম হয়।