প্রভাষক
০১ জুন, ২০২৩ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দ্বাদশ
বিষয়ঃ ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
অধ্যায়ঃ চতুর্থ অধ্যায়
প্রতিষ্ঠানের কার্যকে বিভিন্ন কাজের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করাকে কার্যভিত্তিক বিভাগীয়করণ বলা হয়। আধুনিক যুগে ছোটবড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কার্যভিত্তিক বিভাগীয়করণ বেশি ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো প্রকৃতি ও সমজাতীয় ভিত্তিতে ভাগ করে বিভাগীয়করণ করা হয়। যেমন-উৎপাদন বিভাগ, বিক্রয় বিভাগ, ক্রয় বিভাগ, অর্থ বিভাগ, শ্রমিক-কর্মী বিভাগ ইত্যাদি।
সুবিধাসমূহ :
ক) এটি কর্মীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে ও লক্ষ্য অর্জনে সহজ হয়।
খ) এক্ষেত্রে বিভাগের দায়িত্ব বিশেষজ্ঞ নির্বাহীর ওপর ন্যস্ত থাকে।
গ) কর্মীদের কার্যাবলি সহজে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে।
ঘ) এক্ষেত্রে বিভাগীয় নির্বাহীদের কাজের পরিধি সুনির্দিষ্ট থাকে। ফলে ব্যবস্থাপনা দক্ষ হয়।
ঙ) এ ধরনের বিভাগীয়করণের ফলে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমš^য় করা সহজ হয়।
অসুবিধাসমূহ :
ক) এ পদ্ধতিতে বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ফলে পরিধিও বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়।
খ) এক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রীভ‚ত হয়, ফলে বিভাগের সাথে কেন্দ্রের যোগাযোগ সমস্যা দেখা দেয়।
গ) এ ধরনের বিভাগীয়করণে কর্মীদের কর্মক্ষেত্র সীমিত হয়। ফলে পদোন্নতি লাভের সুযোগ কম থাকে।
ঘ) এক্ষেত্রে কর্মীরা একই বিভাগে একই ধরনের কাজ করে ফলে কর্মীদের মধ্যে একঘেয়ে বোধ সৃষ্টি হয়।
ঙ) যেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করা হয় সেখানে কার্যভিত্তিক বিভাগীয়করণ সম্ভব হয় না।