সহকারী শিক্ষক
২২ জুন, ২০২৩ ০৯:১৪ অপরাহ্ণ
কোরবানির মহিষের হাট
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
অধ্যায়ঃ তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর চট্টলার কোরবানি পশুর একমাত্র মহিষের হাট রাঙ্গুনিয়ায়
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উত্তর চট্টলার কোরবানি পশুর একমাত্র মহিষের হাট রাঙ্গুনিয়া উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ভ্রম্মোহত্তর শান্তিনিকেতনে জমে উঠেছে।
উত্তর চট্টলার কোরবানি পশুর একমাত্র মহিষের এই হাটের যেদিকে চোখ যায় মহিষ আর মহিষ। দেশী গরু ও ছাগলের চাহিদা সহ বাজারে রয়েছে মহিষের চাহিদা। পশুর দাম মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি হওয়ায় বাজারে ক্রেতা থাকলেও পশু বিক্রির হার এখনও বাড়েনি। স্বাভাবিক বাজার দরের তুলানায় এবার বাজারে প্রতিটি মহিষ ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান লিয়াকত সওদাগর।
বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ দেশী গরু, ছাগল ও মহিষ থাকলেও বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকছেন বলে অভিযোগ করেছেন আগত ক্রেতারা।
মহিষ ব্যাপারী বক্কর সওদাগর জানান, গত বছর কুরবানীর পর তিনি ২০টি মহিষ গড়ে ২৫-২৬ হাজার টাকা দরে কিনে রাখেন। এক বছরে সেগুলো লালন-পালনে ব্যয় হয়েছে গড়ে আরও ২০-৩০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে যোগ হবে পরিবহনসহ আনুষঙ্গিক খরচ। এতে প্রতিটি মহিষ ৭০-৯০ হাজার টাকায় বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তাছাড়া গো খাদ্যের দাম আকাশ্চুম্বী তাতে আমাদের করার কিছুই নেই। হাটে আসা ব্যবসায়ী সেকান্দর আলী এনেছেন নিজের খামারের ২০টি মহিষ। তিনি বলেন, এবার বাইরের গরু কম থাকায় হাটের অবস্থা ভালো মনে হচ্ছে।
দেশীয় গরুর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ার আবার মহিষের মধ্যে রোগব্যাধি কম তাই মহীষের বেচাকেনা জমে উঠবে বলে আশা করছি।
এদিকে দাম বেশি হওয়ায় বিক্রেতারা সন্তুষ্ট হলেও ক্রেতারা পড়ছে বিপাকে। অনেকের বাজেট না থাকায় পশু না কিনে বাড়ি ফিরছেন। অন্যদিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোথাও ইনজেকশন বা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ না করায় স্থানীয় মহিষের চাহিদা দিনদিন বেড়েছে। রাঙ্গুনিয়া ছাড়াও উত্তর চট্টলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একমাত্র এই মহিষের হাট একনজর দেখার জন্য শান্তিনিকেতনে ভিড় করছে।
মহিষ কিনতে আসা রহমান ও কবির জানান, গত বারের তুলনায় এবার মহিষের দাম অনেক বেশি। গরু আমদানি না হওয়ায় মহিষের মালিকরা বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন।
শান্তিনিকেতন পশুর হাটে একাধিক বেপারি ও খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশী খামারের বেশকিছু মহিষ বাজারে এসেছে। হাট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেশিরভাগ মহিষ মোটাতাজা আর বেশ হ্রষ্টপুষ্ট। ব্যবসায়ীরা জানান, স্থানীয় গ্রামের মাঠে-ঘাটে পালন করা পশুগুলোই এখানে বিক্রি হচ্ছে।
আয়োজকরা জানান,শান্তিনিকেতন মহিষের হাট হচ্ছে একমাত্র মহিষের হাট,এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপদে বেচা কেনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। তাই এখানে নিরাপদে পশু কেনা বিক্রি হচ্ছে , পশু ব্যবসায়ীরা অন্য উপজেলা থেকে এসে এখানে নিরাপদে মহিষ বিক্রি করছে।
আয়োজকরা আরো জানান, বৃহত্তম এ মহিষের হাটে কোন হাসিল নেই মাদ্রাসার জন্য নাম মাত্র মূল্যে কিছু চাঁদা ক্রেতাদের সন্তুষ্টি চিত্তে গ্রহণ করা হয়।