সহকারী শিক্ষক
১৮ আগস্ট, ২০২৩ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ সপ্তম
বিষয়ঃ গণিত
অধ্যায়ঃ অষ্টম অধ্যায়
পরিধী পরিমাপ
পাই সম্পর্কিত পোস্টার/মাল্টিমিডিয়া
পাই এর ইতিহাস
পরিধি ও ব্যাস পরিমাপ
বিভিন্ন আকারের বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের অনুপাত কি হতে পারি তা দেখা
বৃত্তের পরিধি ব্যাসের মাপ ভিন্ন ভিন্ন হলেও অনুপাত প্রায় কাছকিাছি।
নিভূল ভাবে বৃত্তের পরিধি ও ব্যাস মাপতে পারলে দেখা যাবে পৃথিবীতে যত বৃত্তই থাকুকনা কেন তাদের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত সর্বদা একই থাকবে।
পাই এর মান নির্ণয়।
বৃত্তঃ পাশাপাশি দুইটি বিন্দুর একটি কে কেন্দ্র করে অপরটি যদি সমার দূরত্ব বজায় রেখে চারি পাশে একবার ঘুলে এলে যে বক্ররেখা অংকিত হয়, সেই বক্ররেখা দ্বারা অবদ্ধ ক্ষেত্রকে বৃত্ত বলে।
পরিধিঃ যে আবদ্ধ বক্ররেখা দ্বারা বৃত্ত অকিঁত তাকে বৃত্ত পরিধ বলে।
কেন্দ্রঃ যে বিন্দৃকে কেন্দ্র করে বৃত্ত অংকিত হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
জ্যাঃ পরিধির যে কোনো দুই বিন্দুর সংযোগ সরল রেখা কে জ্যা বলে। কেন্দ্রের নিকটবর্তি জ্যা অপেক্ষা দূরবর্তি জ্যা ক্ষুদ্রতর। কেন্দ্র গামী জ্যা সবচেয়ে বৃহত্তর।
ব্যাসঃ কেন্দ্রগামী জ্যাকে ব্যাস বলে। কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত বিপরিত মুখী দুইটি লেখা যদি পরিধিকে স্পর্শ করে তবে তাদের সমষ্টিকে ব্যাস বলে।
ব্যাসার্ধঃ ব্যাসের অর্ধেক কে ব্যাসার্ধ বলে। কেন্দ্র থেকে পরিথির যে কোনো বিন্দুর সংযোগ সরল রেখা কে ব্যাসার্ধ বলে।
পাইঃ পরিধি এবং ব্যাসের অনুপাত সর্বদা সমান থাকে। এর মান ৩.১৪১.... হয়। এই মান কে পাই দ্বারা সূচিক করা হয়।