‘জাতীয়
শিক্ষাক্রম ২০২১’ অনুসারে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় শিখনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই
সক্রিয় শিখন নিশ্চিত করণে শিক্ষকের ভুমিক হবে একজন সহায়তাকারী বা মেন্টর হিসেবে।এছাড়াও
শিখনকে কার্যকর ও আনন্দময় করতে সক্রিয় ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখনের উপর জোড় দেয়া
হয়েছে, যার মাধ্যমে একই শিখন কর্যক্রমের মধ্য দিয়ে একাধিক বিষয়ের যোগ্যতা অর্জন
করা সম্ভব।বর্তমান
বিষয়ভিত্তিক বিস্তৃত শিক্ষাক্রমে ‘শিখন-শেখানো কার্যক্রম’ অংশে বেশ কিছু পদ্ধতি ও
পরিকল্পিত কাজ উল্লেখ করা হয়েছে।নতুন
শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণির বাংলা বিষয়ে পাঠদানে শিখন
বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি। নতুন শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে শিখন
ও মূল্যায়ন – এ দুই ক্ষেত্রেই।