Loading..

ভিডিও ক্লাস

রিসেট

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ

পৃথিবীর আদি রহস্য

কি হবে ১০০ বছর পর?


 

উপরোক্ত বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে ধারনা নিতে হবে।

১।         ওজোন গ্যাসের প্রভাব

২।        জম্বি ভাইরাসের বিস্তার

৩।        চতুর্থ শিল্প বিল্পবের নেতিবাচক প্রভাব

 

১।  ওজোন গ্যাসের প্রভাব

প্রারম্বিক কথাঃ  ওজোন গ্যাসের প্রভাব সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন স্তর ও সূর্যের অবস্থান সম্পর্কে জানতে হবে। ওজোন স্তর বায়ুমন্ডলের কোথায় অবস্থিত তা জানতে হবে। এছাড়া অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের অবস্থান ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে হবে। এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য আজকের এই আয়োজন।

 

ওজোন স্তর

 

বায়ু মন্ডলের সর্বশেষ স্তরের নাম ওজোন স্তর। যা Geographistদের গবেষণায় আবিস্কৃত বায়ুমন্ডলের সর্বশেষ স্তর। ইহা সূর্যের নিচে অবস্থিত। ওজোন স্তরের পূ্রুত্ব ২০০(দুই শত)কিলোমিটার। বায়ুমন্ডলের এই স্তরে ওজোন গ্যাস রয়েছে। ওজোন গ্যাসের কাজ হলো সূর্যের অতি বেগুনীরশ্মি যা বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপাদান যেমন-কার্বন ডাই অক্সাইড (  CFC 11, CFC-12 ইত্যাদি। মানুষের দ্বারা বায়ুমণ্ডলে যুক্ত যৌগগুলি হল - ক্লোরোফ্লোরো কার্বনগুলি, বিশেষত CF2Cl2, CCl3F, যেগুলি যথাক্রমে CFC 11 এবং CFC 12 হিসাবে পরিচিত। এই যৌগগুলি রেফ্রিজারেন্ট হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এই যৌগগুলি ওজোন গ্যাসের  সঙ্গে বিক্রিয়া করে এবং ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।ফলে ওজোন স্তরে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিচ্ছে এবং কোথাও কোথাও ওজোন স্তরের গভীরতা কমতে শুরু করেছে। এতে সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি খুব সহজেই এবং বেশী পরিমানে বায়ুমন্ডলের সর্বনিন্ম স্তর পর্যন্ত চলে আসিতে শুরু করেছে।

 

 

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ

               এটি কুমেরু বৃত্তের প্রায় সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণে অবস্থিত এবং চারিদিকে দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত, যা কুমেরু মহাসাগর নামেও পরিচিত। এই মহাদেশটির উপর ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু অবস্থিত।  বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ এবং ইউরোপ মহাদেশের তুলনায় ৪০% বড়। এর আয়তন   ১,৪২,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার  বা ৫৫,০০,০০০ বর্গমাইল।

 


সতর্কবাণীঃ ওজোন স্তর পাতলা আথবা ওজোন স্তরে ফাটল ধরলে সূর্যের আতি বেগুণী রশ্মী সহজেই অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বরফকে গলাতে ভূমিকা রাখবে। এতে পৃথিবীর স্থলভাগ পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে যাবে এবং স্থলজ সকল প্রাণি বিলিন হয়ে যাবে।

 

২। জম্বি ভাইরাস

                   জম্বি ভাইরাস যে রোগ ছড়ায় তার নাম ডিজিজ এক্স । বিশ্বে উষ্ণায়নের প্রভাব পড়েছে উত্তর মেরুতে। ফলে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বিশাল আকারের বরফ গলতে শুরু করেছে। এতে বরফের নিচ থেকে জেগে উঠার আশঙ্কা জম্বি ভাইরাসের।সেখানে ৪৮ থেকে ৫০০ হাজার বছরের পুরনো জম্বি ভাইরাস থাকতে পারে। বায়ু মণ্ডলের সঙ্গে এ ভাইরাস মিশলে,বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।  হু (WHO) এর প্রধান তেদরোস গেব্রিয়াসিস নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে  লিখেন- ডিজিজ এক্স আবার বিশ্বজুড়ে আরেকটি জরুরি অবস্থার কারণ হতে পারে। 

 

 

৩। চতুর্থ শিল্পবিল্পবের নেতিবাচক প্রভাব

          ২০৪১ ইং সালের পর থেকে চতুর্থ শিল্পবিল্পব শুরু হবে। এতে বিশ্বের সকল কর্মক্ষেত্রে রোবট প্রবেশ করবে। ফলে সারা বিশ্বে কোটি কোটি লোক তার কর্ম হারাবে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে বিশ্ব এক ভয়াবহ দূর্ভিক্ষের সম্মুখীন হবে। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত ডিজিটাল ডিভিডেন্ডস শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন একদিনে বিশ্বে ২০ হাজার ৭০০ কোটি মেইল পাঠানো হয়, গুগলে মানুষ প্রতিদিন ৪২০ কোটি বার বিভিন্ন বিষয় খুঁজে থাকে। এক গবেষণায় জানা গেছে, প্রতি এক হাজার ইন্টারনেট সংযোগের ফলে নতুন ৮০টি কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

-----সমাপ্ত----

মন্তব্য করুন