সহকারী শিক্ষক
২৬ মে, ২০২৪ ০২:২১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ গণিত
অধ্যায়ঃ চতুর্থ অধ্যায়
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাংকিং-এ উৎসাহিত করা হয়েছে। স্কুল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্র পরিমাণের অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে নিয়ম মাফিক মুনাফা পেতে পারে। বিভিন্ন সময়ের সঞ্চয়ের যথাযথ হিসাব রাখা এবং সঞ্চয় বিনিয়োগের মাধ্যমে মুনাফা নির্ণয় করার জন্য গাণিতিক হিসাব জানা গুরুত্বপূর্ণ। এই অধ্যয়ে আমরা সঞ্চয়ের হিসাব রাখা এবং মুনাফা নির্ণয়ের পদ্ধতি আলোচনা করব।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শান্তা মঝে মধ্যে তার মা, বাবা ও নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে উপহার হিসেবে কিছু টাকা হাতে পায়। শান্তা চিন্তা করোল সে টাকা সঞ্চয় করবে, এবং এজন্য তার মায়ের সঙ্গে সে কাছেই একটি ব্যাংকে গেল একটি স্কুল ব্যাংকিং সঞ্চয়ী একাউন্ট খুলতে। ব্যাংক কর্মকর্তাকে শান্তা বলল, সে একটি একাউন্ট খুলতে চায় এবং সেখানে সে প্রতি মাসে ২০০ টাকা সঞ্চয় করতে চায়। ব্যাংক কর্মকর্তা জানালেন যে, হিসাব খুলতে তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং প্রারম্ভিক ১০০ টাকা জমা দিয়ে একাউন্ট খুলতে হবে। সেইসঙ্গে প্রথম মাসের কিস্তি বাবদ আরও ২০০ টাকা জমা দিতে হবে। এরপর প্রতিমাসে কিস্তি ২০০ টাকা নিয়মিত জমা দিতে হবে। এই জমা টাকার উপরে ব্যাংক ৭% হারে মুনাফা যোগ হবে। এই মুনাফার হার পরিবর্তন হতে পারে। শান্তা ব্যাংকের নিয়ম মেনে একটি সঞ্চয়ী স্কুল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলল।
তুমি কি জানো কিস্তি কী এবং ৭% হারে সরল মুনাফা কী? নির্দিষ্ট সময় পরপর যে টাকা জমা দিতে হবে, সেটিই হলো কিস্তি। ৭% হারে মুনাফার অর্থ হলো, ১০০ টাকা জমা রাখলে ১ বছর পর ব্যাংক তাকে ৭ টাকা মুনাফা দেবে।
তুমি কি বলতে পারবে,
১. প্রথম মাসে শান্তার মোট জমা কত?
২. দ্বিতীয় মাস শেষে শান্তার মোট জমা কত হবে?
৩. তৃতীয় মাস শেষে শান্তার মোট জমা কত হবে