Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১৬ আগস্ট, ২০২৪ ০৭:৩৭ অপরাহ্ণ

আমার উদ্ভাবনী গল্পের নাম- ওয়ার্ম আপ (Warm Up)


আমার উদ্ভাবনী আইডিয়ার নাম- ওয়ার্ম-আপ (Warm-Up)

আইডিয়ার স্লোগান- (“Inspire,Empower : Warm Up for Effective Teaching !”)

আমি যেভাবে ওয়ার্ম-আপ করি-

শিক্ষার্থীদের অবস্থা বুঝে আমি ২-৩ মিনিট সময় নিয়ে ওয়ার্ম-আপ করি। যখন দেখি ৩-৪টি বিষয়ের পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা পাঠে অমনোযোগী, একঘেয়েমি ভাব, অস্থিরতা, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাঠে অনিহা ভাব- তখন আমি এই ওয়ার্ম-আপ করে থাকি। এতে শিক্ষার্থীরা প্রাণবন্ত হয়, পাঠে মনোযোগী হয়। আমি মনে করি এভাবে পাঠে সফলতা আসে। আমি যখনই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছি তখনই দেখেছি  শিক্ষার্থীরা প্রাণবন্ত হয় এবং খুব মনোযোগ দিয়ে আমার পড়া শুনে।

 ওয়ার্ম-আপের সময়-

২-৩ মিনিট।


শ্রেণিকক্ষে ওয়ার্ম-আপের সুফল দিকসমূহ

Ø য়ার্ম-আপ মস্তিষ্কের কার্যকলাপ এবং শেখার ক্ষমতা বাড়ায়।

Ø শেখার কার্যকলাপের সময় স্মৃতি ধারণ এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ উন্নত করে।

Ø  স্নায়ু সংযোগকে উদ্দীপিত করে সৃজনশীলতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ায়।

Ø  ফোকাস এবং একাগ্রতা বাড়ায়, জটিল বিষয়গুলির আরও ভালো বোঝার দিকে পরিচালিত করে

Ø চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস করে,কার্যকর শেখার জন্য একটি অনুকুল পরিবেশ তৈরি করে।

Ø  শেখার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য একটি ইতিবাচক মানসিকতা এবং প্রেরণা তৈরি করে।

Ø  শারীরিক সমন্বয় এবং সূক্ষ্ম দক্ষতা উন্নত করে।

Ø  শ্রেণিকক্ষে আলোচনা এবং ইন্টারেক্টিভ শেখার কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।


 মি শ্রেণিকক্ষে কেন য়ার্ম-আপ করি

 কম্পিউটার হ্যাং হয়ে গেলে বা গতি কমে গেলে, রিফ্রেস করলে পূর্বের গতি ফিরে আসে, কম্পিউটার আবার আগের মতো সচল হ  তেমনি একাধারে তিনটা বা চারটা বিষয়ের পাঠ পরিচালনা শেষ হলে শিক্ষার্থীদের ব্রেইন আগের মতো কাজ করে না।  কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার মতো অবস্থা হয়  পরপর তিনটা বা চারটা বিষয়ের চাপ তারা একাধারে নিতে পারে না। ফলে পরবর্তী বিষয়ের পাঠ তাদের কাছে রসহীন হয়ে পড়ে। মনে মনে বিরক্ত আসে।  তা দূর করার জন্য ওয়ার্ম আপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওয়ার্ম-আপ করলে ব্রেন রিফ্রেশ হয় এবং পরবর্তী পাঠে শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়  সেই সাথে তারা সহজে কোনো নতুন  বি আশ্বস্ত করতে পারে এবং তাদের শিখন স্থায়ী হয় অর্থাৎ তাদের শিখনটা গভীর হয় যাকে বলে ডিপ লার্নিং। তাইআমার প্রাণ প্রিয় শিক্ষার্থীদের জন্য  আমার এই উদ্ভাবনী আইডিয়াটি  হলো ওয়ার্ম-আপ।

      এই ওয়ার্ম আপ সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী। এতে তারা পাঠে মনোযোগী হয়  শিক্ষার্থীরা যখন একাধারে কয়েকটি বিষয়ে   পাঠ শেষ করে  পরবর্তী পাঠে অমনোযোগী হ তখনই আমি ওয়ার্ম আপ করি। এ ওয়ার্ম-আপের জন্য আমি দুই থেকে তিন মিনিট সম ব্য করি। বিভিন্নভাবে ওয়ার্ম-আপ করা যায়, যেমন দুই বা তিন মিনিটের ছোট গল্প বলে, গণিতের ম্যাজিক দেখিয়ে, সহজে কিছু এঁকে, বর্ণের আর্ট শিখিয়ে, চলতি বিশ্বের সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন করে ইত্যাদি। আমি সুবিধামতো এসব পদ্ধতি থেকে এক এক সম এক এক পদ্ধতি ব্যবহার করি। এতে  শিক্ষার্থীরা পাঠে খুবই মনোযোগী হ। তখন আমি বুঝি ওয়ার্ম-আপ আমার জন্য খুবই উপকারী। এতে করে শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনা করতেও আমার অনেক সুবিধা হয় 

 

মন্তব্য করুন