সিনিয়র শিক্ষক
৩০ আগস্ট, ২০২৪ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
সহপাঠ্ক্রমিক কার্যক্রম
আমি যে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি সে বিদ্যালয়ের নাম কার্ত্তিকাহার উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে আমি নিজে ও পড়াশুনা করেছি। এ সুবাদে এ বিদ্যালয়টি আমার কাছে অতি প্রিয়। আমি এ বিদ্যালয়ে ২০০১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করিয়া অদ্যাবধি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করিয়া আসিতেছি। শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রমের পাশাপাশি এ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরণের সহপাঠ্ক্রমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। সহপাঠ্ক্রমিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে খেলাধুলা,বিতর্কসভা,অভিনয়,সমাজসেবামূলক কার্যাবলী,বৃক্ষ রোপন ,স্কাউটিং ইত্যাদি।
এ কার্যক্রমে আমি শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগীতা করে থাকি। সহপাঠ্ক্রমিক শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিকের বিকাশ সাধন করে থাকে। সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলীর মধ্যে বিভিন্ন ধরণের বৈচিত্রমূলক বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত থাকে বলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠে। সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার বিকাশ সাধন সম্ভবপর হয়। যেমন-নিত্য,গীত,অংকন প্রভৃতি। সহপাঠ্ক্রমিক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার বিকাশ সাধন করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন সহপাঠ্ক্রমিক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি জাগ্রত হয়। ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় অধিক মনোযোগী হতে পারে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ,প্রবণতা ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলী শিক্ষাক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে। এখানে এখানকার সামাজিক কৃষ্টি বা সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলীর বিষয় বস্তু নির্ধারিত হয়ে থাকে। সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের উৎপাদনশীলতার মনোভাব গঠন করে। যেমন- বাগান তৈরী,মোমবাতি তৈরী, সমাজসেবামূলক কাজ ইত্যাদি।
পরিশেষে বলা যায়, সহপাঠ্ক্রমিক কার্যাবলী পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার বৃহত্তর উদ্দেশ্য পূরণে এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়তা করবে বলে আমি আশা করি।