Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২২ নভেম্বর, ২০২৪ ০৯:২১ অপরাহ্ণ

ব্রিটিশ শাসনে বিক্ষুব্ব সাধারণ মানুষ

বাংলা অঞ্চলে ইংরেজদের আগমন এবং শোোষণের ইতিহাস অতীতের শোোষণের ইতিহাস থেকে খুব একটা

পৃথক নয়। মূলত অর্্থ এর্্থ বং ক্ষমতার জন্যই তারা বাংলা অঞ্চলে আধিপত্্য বিস্তার করেছিল। তবে এ সময়কার

সবচেয়ে উল্লেখযোোগ্য ঘটনা হচ্ছে, শাসক শ্রেণির মানুষদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের বিক্্ষষোভ এবং প্রতিরোোধ

আন্্দদোলন।

ব্রিটেন থেকে আগত কতিপয় ব্যবসায়ী ইংরেজ অতিরিক্ত কর ও মুনাফা আদায়ের জন্য এমন কিছু নীতি গ্রহণ

করেছিলেন যার ফলে বাংলা অঞ্চলের কৃষক শ্রমিক থেকে শুরু করে সকল পেশাজীবী মানুষের জীবনে নানান

সংকট দেখা দেয়। শাসক হিসেবে আবির্ভূত হ বির্ভূ বার পর ইংরেজরা গরীব কৃষকদের ভূমিতে জোোর করে নীল সহ

অন্যান্য কৃষি দ্রব্যাদি চাষে বাধ্য করতেন এবং একই সাথে তাদের উপর প্রয়োোগ করতেন নানান পীড়নমূলক

নীতি। এর ফলে দেখা দেয় নানান বিদ্্ররোহ। নীল বিদ্্ররোহের পাশাপাশি তিতুমীরের আন্্দদোলন, টংক, নানকার,

ফরায়েজি, স্বদেশী, সাাঁওতাল বিদ্্ররোহ, অসহযোোগ আন্্দদোলন সহ নানান আন্্দদোলন ক্রমেই দানা বেেঁধে উঠে। আর

এইসব আন্্দদোলনে সাধারণ মানুষ ও কৃষককূল ব্যাপকভাবে অংশ নিতে শুরু করে।

২০ শতকের শুরুতেই সংঘটিত হয়েছিল স্বদেশি আন্্দদোলন। দেশি পণ্য ব্যবহারের পক্ষে বাঙলা অঞ্চলে

বসবাসকারী মানুষেরা ঐক্্যবদ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনা সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনাকে যে শানিত

করেছিল তা বলাই বাহূল্য। স্বদেশী আন্্দদোলন চলাকালীন সময়েই ১৯০৫ সালে প্রথমবার বাঙলা ভাগ করা হয়

(ইতিহাসে এই ঘটনা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত)। পরবর্তীতে 1911 সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং ১৯৪৭

সালে বাঙলা-কে দ্বিতীয়বারের মতোো বিভক্ত করা হয়।

বাংলা অঞ্চলের মেয়েরাও বিপ্লব এবং প্রতিরোোধ আন্্দদোলনে যোোগ দিয়েছিল। ইংরেজ শাসকদের বিতাড়িত

করার আন্্দদোলনে যোোগ দিয়ে শহীদ হন বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট