সুপার
২৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০৬:০৯ পূর্বাহ্ণ
সুপার
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ হাদিস শরফি
অধ্যায়ঃ জিহ্বা সংযতকরণ, গিবত ও গালমন্দ সংক্রান্ত অধ্যায়
জিহ্বা সংযত রাখা
জিহ্বা সংযত রাখার বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নসিহত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মানুষের অধিকাংশ পাপ ও গুনাহ তার জিহ্বার কারণেই হয়ে থাকে।
হাদিসসমূহ:
1.
জিহ্বার সংযমের গুরুত্ব:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আল্লাহ
এবং আখিরাতের উপর ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ
থাকে।"
— (সহিহ বুখারি: ৬৪৭৫,
সহিহ মুসলিম:
৪৭)
2.
জিহ্বা সংযমই নাজাতের কারণ:
হযরত মুআয ইবনে জাবাল (রা.) একবার
রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: “হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের কি কথা বলার
কারণে জবাবদিহি করতে হবে?”
রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন:
"হে মুআয! তোমার
মা শোকাকুল হোক (এটি আরবি ভাষায় একটি প্রবাদ)। মানুষকে তাদের মুখের কথা (জিহ্বা)
ছাড়া আর কি নরকে নিক্ষেপ করে?"
— (তিরমিজি: ২৬১৬,
ইবনে মাজাহ:
৩৯৭৩)
3.
অন্যের গীবত করা থেকে বিরত থাকা:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"গীবত করা হলো
তোমার ভাইয়ের সেই বিষয়ে আলোচনা করা যা সে অপছন্দ করে।"
— (সহিহ মুসলিম: ২৫৮৯)
শিক্ষা:
জিহ্বা সংযত রাখা শুধু পার্থিব শান্তি নয়, আখিরাতের নাজাতের জন্যও অপরিহার্য। তাই রাসুলুল্লাহ (সা.) এর এই নসিহত আমাদের জীবনে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করা উচিত।