সহকারী শিক্ষক
০৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ১০:০৬ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ জীব বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ তৃতীয়
১। (MCQ) বহুনির্বাচনি অভীক্ষা ১×৩৫ = ৩৫
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
1। মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরের স্তরটি ভিতরের দিকে যে ভাঁজ হয়ে থাকে তাকে বলে-
ক) ক্রিস্টি
খ) অক্সিজোম
গ) উৎসেচক
ঘ) ম্যাট্রিক্স
সঠিক উত্তরঃ ক
Note: মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের স্তরটি ভাঁজ হয়ে আঙুলের মতো যে অভিক্ষেপ তৈরি হয়, তাকে ক্রিস্টি বলে। ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে, একে অক্সিজোম বলে।
2। ক্রোমোপ্লাস্টে নিচের কোন রঞ্জক পদার্থটি থাকে না?
ক) ক্লোরোফিল
খ) জ্যান্থোফিল
গ) ক্যারোটিন
ঘ) ফাইকোএরিথ্রিন
সঠিক উত্তরঃ ক
Note : ক্রোমোপ্লাস্ট হলো প্লাস্টিডের ভিন্নধর্মী অঙ্গাণুর জন্য দায়ী রঙ্গক সংশ্লেষণ এবং নির্দিষ্ট সালকসংশ্লেষণের মধ্যে ইউক্যারিয়োটস জমা থাকে ।ধারণা করা হয় যে, ক্লোরোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট সহ অন্যান্য প্লাস্টিডগুলির মতো ক্রোমোপ্লাস্ট সিম্বিওটিক প্রোকারিওটিস থেকে উৎপন্ন। ক্রোমোপ্লাস্টে প্রধানত লাল-কমলা রঞ্জক ক্যারোটিন ও হলুদ রঞ্জক জ্যান্থোফিল থাকে।
3। সরল টিস্যুর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
ক) প্যারেনকাইমা
খ) কোলেনকাইমা
গ) স্ক্লেরেনকাইমা
ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তরঃ ঘ
Note : যেসব স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষের আকার, আকৃতি ও গঠন বৈশিষ্ট্য একই ধরনের বা অভিন্ন হয়, তাকে সরল টিস্যু বলে। কোষের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমা।
4। সেন্ট্রিওল এর আকৃতি কীরূপ হয়?
ক) গোলাকার
খ) আয়তাকার
গ) নলাকার
ঘ) সর্পিলাকার
সঠিক উত্তরঃ গ
Note: সেন্ট্রিওলের গঠনঃ
ব্যাস সম্পন্ন ও ৩.৭ মাইক্রোমিটার (μm) লম্বা। এরা দেখতে বেলনাকার, দুমুখ খোলা পিপার মতো। প্রত্যেক সেন্ট্রিওল প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত, যথা– প্রাচীর বা সিলিন্ডার ওয়াল, ত্রয়ী অণুনালিকা বা ট্রিপলেটস এবং যোজক বা লিংকার। সেন্ট্রিওল প্রাচীর ৯টি ত্রয়ী অণুনালিকা দিয়ে গঠিত।
✪ মাইক্রন বা মাইক্রোমিটার (এসআই চিহ্ন:μm) হল দৈর্ঘ্য পরিমাপের একটি ক্ষুদ্র একক, যার মান ১০−৬মিটার (যেহেতু, এসআই উপসর্গ মাইক্রো-র অর্থ ১০−৬)
5। কোষে উৎপাদিত পদার্থগুলোর প্রবাহ পথ হিসেবে কাজ করে-
ক) লাইসোজোম
খ) রাইবোজোম
গ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তরঃ গ
Note : এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম বা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকা হলো কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার জালিকাকার অঙ্গাণু। এরা একক আবরণী ঝিল্লি দ্বারা বেষ্টিত অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম নালিকা এবং পরস্পর সংযোগ স্থাপন করে একটি জালকের সৃষ্টি করে। ১৯৪৫ সালে বিজ্ঞানী পর্টার, হেলেন পি. থমসন এবং ফ্রান্সিস কেলমেন সর্বপ্রথম যকৃত কোষে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম আবিষ্কার করেন। নামকরণ করেন ১৯৫৩ সালে।
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার জালিকাকার অঙ্গাণু
6। কোন অঙ্গাণুটিকে কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয়?
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
খ) নিউক্লয়াস২
গ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
ঘ) কোষগহ্বর
সঠিক উত্তরঃ ক
Note : সবাত শ্বসনের তৃতীয় পর্যায় ক্রেবস চক্র ও চতুর্থ পর্যায় ইলেক্ট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনের বিক্রিয়া সমূহ মাইটোকন্ড্রিয়াতে সংঘটিত হয়। এর মাধ্যমে ATP(Adenosine Triphosphate)অণু সংশ্লেষ করে যা সকল শক্তির উৎস বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে Powerhouse of Cell বা কোষের শক্তিঘর বলে।
*সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র — ক্রেবস চক্র , Szent–Györgyi–ক্রেবস চক্র , বা TCA চক্র ( ট্রাইকারবক্সিলিক অ্যাসিড চক্র ) নামেও পরিচিত — অক্সিডেশনের মাধ্যমে পুষ্টিতে সঞ্চিত শক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার একটি সিরিজ। কার্বোহাইড্রেট , চর্বি , প্রোটিন এবং অ্যালকোহল থেকে প্রাপ্ত অ্যাসিটাইল-কোএ ।
*ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খল (ETC) হলো প্রোটিন কমপ্লেক্স এবং অন্যান্য অণুর এমন একটি ক্রমধারা, যেখানে ইলেকট্রন দাতা থেকে ইলেকট্রন গ্রহীতায় ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয়। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া রেডক্স বিক্রিয়া (জারণ এবং বিজারণের একযোগে ঘটনা) দ্বারা পরিচালিত। একই সময়ে এই ইলেকট্রন স্থানান্তর একটি ঝিল্লির মধ্য দিয়ে প্রোটনও (H+ আয়ন) স্থানান্তর করে। ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খলের অনেক এনজাইমই ঝিল্লির অভ্যন্তরে স্থাপিত থাকে।
ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খলের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ হলো একটি শক্তি নির্গমনকারী (exergonic) প্রক্রিয়া। রেডক্স বিক্রিয়ায় সৃষ্ট শক্তি একটি তড়িৎরাসায়নিক প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করে যা অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) এর সংশ্লেষণকে শক্তি দেয়। সবাত শ্বসনে, ইলেকট্রনের প্রবাহ শেষ হয় আণবিক অক্সিজেনকে চূড়ান্ত ইলেকট্রন গ্রহীতা হিসেবে ব্যবহার করার মাধ্যমে। অন্যদিকে অবাত শ্বসনে, সালফেটের মতো অন্যান্য ইলেকট্রন গ্রহীতা ব্যবহৃত হয়।
ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খলে, রেডক্স বিক্রিয়াগুলো বিক্রিয়ক (reactant) এবং উৎপাদ (product) -এর গিবস মুক্ত শক্তির মধ্যে পার্থক্য দ্বারা পরিচালিত হয়। যখন শক্তিতে উচ্চতর একটি ইলেকট্রন দাতা এবং গ্রহীতা শক্তিতে নিম্নতর উৎপাদে রূপান্তরিত হয়, তখন নির্গত মুক্ত শক্তি ব্যবহৃত হয়। সেইসাথে ইলেকট্রনকে নিম্নতর রেডক্স বিভব থেকে উচ্চতর রেডক্স বিভবে স্থানান্তর করা হয়। ইলেক্ট্রন পরিবহন শৃঙ্খলের কমপ্লেক্সগুলো এই মুক্তশক্তি একটি আয়নিক তড়িৎরাসায়নিক গ্রেডিয়েন্ট তৈরি করতে ব্যবহার করে। এই তড়িৎরাসায়নিক গ্রেডিয়েন্টই ATP সিন্থেসের সাথে অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন যুক্ত হয়ে ATP সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালিত করে।
ইউক্যারিওটিক জীবগুলিতে, ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খল এবং অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশনের স্থান হলো মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরীণ ঝিল্লি। অক্সিজেন ও সাইটোক্রোম সি-এর মতো বিজারিত যৌগের (এবং পরোক্ষভাবে NADH এবং FADH2 এর) বিক্রিয়া থেকে নির্গত শক্তি, প্রোটনকে আন্তঃঝিল্লি স্থানের (intermembrane space) মধ্যে পাম্প করতে ব্যবহৃত হয়। ফলে, মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরীণ ঝিল্লিতে তড়িৎরাসায়নিক গ্রেডিয়েন্ট তৈরি হয়। আলোকসংশ্লেষী ইউক্যারিওটগুলিতে, থাইলাকয়েড ঝিল্লিতে ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খল পাওয়া যায়। এখানে, আলোকশক্তি একটি প্রোটন পাম্পের মাধ্যমে ইলেকট্রন পরিবহনকে শক্তি যোগায়। এর ফলে যে প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট তৈরি হয় তা পরবর্তীতে ATP সংশ্লেষণে সহায়তা করে। ব্যাকটেরিয়াতে, ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খল বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু এই শৃঙ্খল সর্বদাই রেডক্স বিক্রিয়া দ্বারা গঠিত হয়। এই বিক্রিয়াগুলি তড়িৎরাসায়নিক গ্রেডিয়েন্ট তৈরির মাধ্যমে এবং ATP সিন্থেসের সাহায্যে অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন এর মধ্য দিয়ে ATP সংশ্লেষণের সাথে যুক্ত থাকে।
7। কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষের প্রকারভেদ নয় কোনটি?
ক) দেহকোষ
খ) জননকোষ
গ) সোমাটিক সেল
ঘ) প্রোক্যারিওটিক সেল
সঠিক উত্তরঃ ঘ
Note : প্রোক্যারিওটিক কোষের সংজ্ঞা। যে ধরনের কোষগুলির একটি সু-সংজ্ঞায়িত নিউক্লিয়াস নেই এবং ঝিল্লি-আবদ্ধ অর্গানেল নেই তাদের প্রোকারিয়োটিক কোষ বলা হয়। প্রোক্যারিওটিক কোষ সহ জীবগুলিকে প্রোক্যারিওটস বলা হয় এবং তারা সাধারণত এককোষী অণুজীব।
A.দেহকোষ হলো এমন ধরনের জৈবিক কোষ যা কোনও জীবের দেহ গঠন করে। এটি বহুকোষী জীবের মধ্যে গ্যামেট, জনন মাতৃকোষ, গ্যামিটোসাইট বা অবিচ্ছিন্ন ভাজক কোষ ব্যতীত অন্য যেকোন ধরনের কোষ হতে পারে।
B.সংক্ষেপে একটি জননকোষ হল একটি ডিম্ব কোষ (স্ত্রী গ্যামেট) বা একটি শুক্রাণু (পুং গ্যামেট)। এটি আনিসোগ্যামি বা হিটারোগ্যামির উদাহরণ, যে অবস্থায় স্ত্রীলোক এবং পুরুষরা ভিন্ন আকারের গ্যামেট তৈরি করে (এটি মানুষের ক্ষেত্রে; মানুষের ডিম্বকোষ একটি মানব শুক্রাণু কোষের প্রায় ১,০০,০০০ গুণ )
C.দেহকোষ হলো এমন ধরনের জৈবিক কোষ যা কোনও জীবের দেহ গঠন করে। এটি বহুকোষী জীবের মধ্যে গ্যামেট, জনন মাতৃকোষ, গ্যামিটোসাইট বা অবিচ্ছিন্ন ভাজক কোষ ব্যতীত অন্য যেকোন ধরনের কোষ হতে পারে। বিপরীতে, গ্যামেট হল সেই কোষ যা যৌন প্রজননের সময় একীভূত হয়, জনন মাতৃকোষ হল এমন কোষ যা গ্যামেট উৎপন্ন করে।
দেহকোষ
বহু কোষের জীবের দেহ গঠনের এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহ কোষ বিভাজিত হয়।
8। বৃহৎ কোষগহ্বর কোন কোষের বৈশিষ্ট্য?
ক) উদ্ভিদকোষ
খ) প্রাণিকোষ
গ) আদিকোষ
ঘ) জননকোষ
সঠিক উত্তরঃ ক
Note: অধিকাংশ পরিণত উদ্ভিদ কোষেই একটি বড় কোষ গহ্বর উপস্থিত যা কোষের প্রায় ৩০% এরও বেশি জায়গা দখল করে থাকে এবং বিভিন্ন কোষের গঠন অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে এটি কোষের ৮০% জায়গাও দখল করতে পারে। সাইটোপ্লাজমের কিছু শাখা প্রায়শই কোষ গহ্বরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
*কোষ গহ্বর হলো ঝিল্লিবদ্ধ একটি অঙ্গাণু যা উদ্ভিদ ও ফাংগাল কোষে পাওয়া যায়। এছাড়াও কিছু প্রোটিস্ট, প্রাণীকোষ ও ব্যাকটেরিয়া কোষেও এ অঙ্গাণু পাওয়া যায়। কোষ গহ্বর মূলত পানিপূর্ণ বদ্ধ একটি স্থান যা দ্রবীভূত এনজাইমসহ বিভিন্ন জৈব ও অজৈব অণুকে ধারণ করে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এই গহ্বরে দ্রবীভূত কঠিন অংশও থাকতে পারে।
9। নিচের কোনটি ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু নয়?
ক) রাইবোজোম
খ) নিউক্লিয়াস
গ) প্লাস্টিড
ঘ) লাইসোজোম
সঠিক উত্তরঃ ক
Note : ঝিল্লি আবদ্ধ অর্গানেলগুলি শুধুমাত্র ইউক্যারিওটিক কোষে পাওয়া যায়, এই গঠনগুলির মধ্যে রয়েছে নিউক্লিয়াস, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (মসৃণ এবং রুক্ষ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা উভয়), গলগি যন্ত্রপাতি, ভ্যাকুওলস, মাইটোকন্ড্রিয়া, লাইসোসোম (প্রাণী কোষে পাওয়া যায়), এবং ক্লোরাসোম উদ্ভিদ কোষে)।
*রাইবোসোম হল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা যার মধ্যে আরএনএ এবং সংশ্লিষ্ট প্রোটিন রয়েছে যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য কাজ করে। প্রোটিন কোষস্থ বিভিন্ন কার্যাবলী যেমন ক্ষতি মেরামত বা রাসায়নিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করার জন্য প্রয়োজন হয়। রাইবোসোমগুলি সাইটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান বা এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের সাথে সংযুক্ত পাওয়া যায়।
10। কোষকঙ্কাল এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-
(i) মাইক্রোটিউবিউল
(ii) মাইক্রোফিলামেন্ট
(iii) ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ ঘ
Note : কোষকঙ্কাল কোষের ভেতরে সাইটপ্লাজমে অবস্থিত তন্তুসমূহের সমষ্টি, যা কোষের আকৃতি রক্ষা, বিভিন্ন অঙ্গাণুর সমন্বয় সাধন, চলন, ইত্যাদি কাজের দায়িত্ব পালন করে।বিজ্ঞানি কোলতজফ প্রথম সাইটোস্কেলেটোন[cytoskeleton]শব্দটি ব্যবহার করেন।।সাধারনত প্রোটিন নির্মিত ৩ ধরনের সুত্রক নিয়ে কোষ কোষকংকাল গঠিত।
11। ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরে রয়েছে-
(i) প্রোটিন
(ii) লিপিড
(iii) পলিস্যাকারাইড
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ ঘ
Note : ব্যাকটেরিয়া কোষের প্রাচীরগুলি পেপ্টিডোগ্লাইকান (যাকে মিউরিনও বলা হয়) দিয়ে তৈরি, যা ডি- অ্যামিনো অ্যাসিড ধারণকারী অস্বাভাবিক পেপটাইড দ্বারা ক্রস-লিঙ্কযুক্ত পলিস্যাকারাইড চেইন থেকে তৈরি। ব্যাকটেরিয়া কোষের প্রাচীরগুলি উদ্ভিদ এবং ছত্রাকের কোষ প্রাচীর থেকে আলাদা যা যথাক্রমে সেলুলোজ এবং কাইটিন দিয়ে তৈরি।
12। স্থায়ী টিস্যু কয় ধরনের হয়?
ক) ২
খ) ৩
গ) ৪
ঘ) ৫
সঠিক উত্তরঃ খ
13। নিউক্লিওলাসে থাকে-
(i) RNA
(ii) DNA
(iii) প্রোটিন
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ খ
14। অ্যারেনকাইমা হল-
ক) ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমা
খ) বায়ুকুঠুরিযুক্ত কোলেনকাইমা
গ) বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমা
ঘ) লিপিড সঞ্চয়ী প্যারেনকাইমা
সঠিক উত্তরঃ গ
15। প্রোটোপ্লাজমের অংশ হল-
(i) কোষপ্রাচীর
(ii) কোষঝিল্লি
(iii) নিউক্লিয়াস
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ গ
16। নিচের কোনটিতে কূপ দেখা যায়?
ক) মধ্যপর্দা
খ) প্রাথমিক প্রাচীর
গ) গৌণ প্রাচীর
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তরঃ গ
17। জীবকোষ কোন ধরনের পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে?
ক) ভেদ্য
খ) অভেদ্য
গ) বৈষম্যভেদ্য
ঘ) সমভেদ্য
সঠিক উত্তরঃ গ
18। কীসের গঠনের ভিত্তিতে কোষকে আদি ও প্রকৃত- এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়?
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
খ) নিউক্লিয়াস
গ) রাইবোজোম
ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তরঃ খ
19। স্ক্লেরাইড এর অপর নাম-
ক) ক্লোরেনকাইমা
খ) কোলেনকাইমা
গ) ফাইবার বা তন্তু
ঘ) স্টোন সেল
সঠিক উত্তরঃ ঘ
20। প্লাজমোডেজমাটা এর কাজ হল-
(i) পাশাপাশি কোষের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা
(ii) কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করা
(iii) পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ খ
21। নিচের কোনটিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকে না?
ক) মূল
খ) ভ্রূণ
গ) জননকোষ
ঘ) গাজরের মূল
সঠিক উত্তরঃ ঘ
22। মাইক্রোভিলাই হল-
ক) মাইটোকন্ড্রিয়ার ভাঁজ
খ) কোষপ্রাচীর এর ভাঁজ
গ) কোষঝিল্লির ভাঁজ
ঘ) গলজিবস্তুর ভাঁজ
সঠিক উত্তরঃ গ
23। শ্বসনের কোন ধাপে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়?
ক) গ্লাইকোলাইসিস
খ) অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি
গ) ক্রেবস চক্র
ঘ) ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র
সঠিক উত্তরঃ গ
24। নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কোন রাসায়নিক উপাদানে গঠিত?
ক) সেলুলোজ
খ) লিগনিন
গ) লিপিড ও প্রোটিন
ঘ) হেমিসেলুলোজ
সঠিক উত্তরঃ গ
25। প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলো-
(i) জীবিত
(ii) সমব্যাসীয়
(iii) পুরু প্রাচীরযুক্ত
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ ক
26। দন্ডকলসের কান্ডে কোন টিস্যু দৃঢ়তা প্রদান করে?
ক) প্যারেনকাইমা
খ) স্ক্লেরেনকাইমা
গ) কোলেনকাইমা
ঘ) অ্যারেনকাইমা
সঠিক উত্তরঃ গ
27। প্রাককেন্দ্রিক কোষে কোন অঙ্গাণুটি দেখতে পাওয়া যায়?
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
খ) রাইবোজোম
গ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
ঘ) লাইসোজোম
সঠিক উত্তরঃ খ
28। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কোন অংশে স্ক্লেরাইড টিস্যু থাকে না?
ক) কর্টেক্স
খ) ফল
গ) বীজত্বক
ঘ) পাতা
সঠিক উত্তরঃ ঘ
29। সুকেন্দ্রিক কোষের ক্রোমোজোমে কোনটি থাকে?
ক) DNA
খ) প্রোটিন
গ) হিস্টোন
ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তরঃ ঘ
30। সেন্ট্রোজোম এর কাজ-
(i) অ্যাস্টার রে তৈরি করা
(ii) স্পিন্ডল যন্ত্র তৈরি করা
(iii) ফ্লাজেলা তৈরি করা
ক) i, ii খ) i, iii
গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ ঘ
31. ‘ইকোলজি’র সঙ্গে নিচের কোনটির সম্পর্ক আছে?
ক. জীব
খ. প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীব
গ. জীব ও জড়
ঘ. জড় ও প্রকৃতি
(১০.খ)
32. একটি জীবকে প্রজাতি পর্যায়ে বিন্যাসে আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিতের কয়টি ধাপ রয়েছে?
ক. দুই খ. চার
গ. পাঁচ ঘ. সাত (৮.ঘ)
33. কোন বস্তুতে ডিএনএ, আরএনএ এবং প্রোটিন থাকে?
ক. ক্রোমাটিন (৫.ক) খ. কাইটিন
গ. ক্রোমোজোম ঘ. ফানজাই
34. ব্যাকটেরিয়া কোন রাজ্যের প্রাণী?
ক. মনেরা (৩.ক) খ. প্রোটিস্টা
গ. ফানজাই ঘ. প্লানটি
35. জীবের প্রথম পূর্ণ শ্রেণিবিন্যাস কে করেন?
ক. টমাস কেভলিয়ার
খ. লর্ড কেলভিন
গ. ক্যারোলাস লিনিয়াস (১.গ)
ঘ. আইজ্যাক নিউটন
২। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১০×২ = ২০
a) ICBN-এর পূর্ণরূপ লেখো?
উত্তর : ICBN-এর পূর্ণরূপ হলো International Code of Botanical Nomenclature
b) প্রশ্ন: জীবের বৈজ্ঞানিক নামের ভাষা কি?
উত্তর: ল্যাটিন ভাষা
c) ল্যাটিনফিটাস কী?
উত্তর : জাইগোট সৃষ্টি হওয়ার প্রায় আট সপ্তাহ পরের ভ্রূণকে ফিটাস বলা হয়।
d) হরমোন কী?
উত্তর : অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে।
e)হিস্টোলজি কী?
উত্তর : ভৌত জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে হিস্টোলজি বলে।
f) মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর : Apis indica
g) জীববিদ্যা কাকে বলে?
উত্তর : বিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের গঠন এবং জীবনধারণ সম্পর্কে সম্যক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান পাওয়া যায় তাকেই জীববিদ্যা বা জীববিজ্ঞান বলা হয়।
h) দ্বিপদ নামকরণের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর : বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানাই দ্বিপদ নামকরণের মূল লক্ষ্য।
i) প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা কী?
উত্তর : প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ এবং জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হলো প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা।
j)শ্রেণিবিন্যাসের লক্ষ্য কী?
উত্তর : শ্রেণিবিন্যাসের লক্ষ্য হলো এই বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগেক সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানা।
k) জীববিজ্ঞানের জনক কে?
উত্তর : গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
৩। সৃজনশীল প্রশ্ন ১০
প্রশ্ন ১।
বৃক্ষপ্রেমিক তানজিল সাহেব ঠিক করলেন তার গ্রামের বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদের একটি তালিকা তৈরি করবেন। কিন্তু এ বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকায় তিনি সঠিকভাবে কাজটি করতে পারছিলেন না। এ ব্যাপারে তানজিল সাহেব স্থানীয় কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষকের দ্বারস্থ হলে তিনি শ্রেণিবিন্যাস এর ভিত্তিতে তালিকা করার পরামর্শ দেন।
ক. প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা কোনটি? ১
খ. ক্যারোলাস লিনিয়াস বিখ্যাত কেন? ২
গ. শিক্ষক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করার পরামর্শ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর? ৩
ঘ. শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি না করলে তানজিল সাহেব কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হবেন— বিশ্লেষণ কর। ৪
২। নং প্রশ্নের উত্তর
ক প্রকৃত বিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা জীববিজ্ঞান।
খ ক্যারোলোস লিনিয়াস ছিলেন সুইডেনের একজন প্রকৃতি বিজ্ঞানী। তিনিই সর্বপ্রথম জীবের পূর্ণ শে্রণিবিন্যাসের এবং নামকরণের ভিতি্ত প্রবর্তন করেন। অসংখ্য জীব নমুনার বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে তিনি জীবজগতকে দুটি ভাগে যথা— উদি্ভদজগৎ ও প্রাণিজগৎ হিসেবে বিন্যন্ত করেন। জীবের দি্বপদ নামকরণ পদ্ধতিও তিনিই প্রবর্তন করেন। এসব কারণেই তিনি বিখ্যাত।
গ.তানজিল সাহেব গ্রামের সকল উদি্ভদের তালিকা তৈরি করতে চেযে়ছেন। একটি গ্রামে বিভিন্ন ধরনের নানা প্রজাতির উনি্ডদ জন্মাতে পারে। স্বাভাবিক নিয়মে যদি এসব উনি্ডদের তালিকা তৈরি করা হয় তবে সকল ধরনের উদি্ভদই একই তালিকাভুক্ত হযে় যাবে। পক্ষান্তরে যদি এ তালিকা তৈরিতে বিজ্ঞানসম্মত শে্রণিবিন্যাস পদ্ধতি অনসরণ করা হয় তবে অল্প সমযে় এবং অল্প পরিসরে গ্রামের সকল উদি্ভদজগতের পরিচয় লাভ করা যাবে। তিনি তালিকায় উপকারী,অপকারী, ঔষধি, উদ্যান জাতীয়, বনজ, কৃষিজ ইত্যাদি সব ধরনের উদি্ভদগুলো আলাদাভাবে তালিকাভুকি্তর কথা বলেন। এতে করে যেকোনো উদি্ভদের বাসস্থান, পরিবেশ, অভিব্যকি্তর ধারণা সম্পরে্কও সহজেই জানা যাবে। একই সাথে উদি্ভদসমূহের পরস্পম্পরের সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য সম্পরে্কও সম্যক জ্ঞান লাভ করা যাবে। এসব সুবিধার কথা বিবেচনা করেই শিক্ষক তানজিল সাহেবকে শে্রণিবিন্যাসের ভিতি্ততে তালিকা করার পরামর্শ দিযে়ছেন।
সারকথা : শে্রণিবিন্যাসের ভিতি্ততে এ বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগতকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে এবং অল্প সমযে় সঠিকভাবে জানা সম্ভব।
ঘ. শে্রণিবিন্যাসের ভিতি্ততে তালিকা তৈরি না করলে তানজিল সাহেব যেসব সমস্যার সম্মুখীন হবেন তা হলো
১. তালিকাভুক্ত উদি্ভদগুলোর সঠিক নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হবে না।
অসংখ্য উদি্ভদের মধ্য থেকে প্রযে়াজনীয় উদি্ভদটিকে সহজে খুঁজে বের করা যাবে না।
৩. একটি উদি্ভদের সাথে অন্য উদি্ভদ ও উদি্ভদগোষ্ঠীর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করা সম্ভব হবে না।
৪. উদি্ভদগুলো কোন কে্ষতে্র গুরুত্বপূর্ণ অথবা এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব কতটুকু সে সম্পরে্ক জানা সম্ভব হবে না।
৫. উপকারী ও অপকারী বা বিষাক্ত উদি্ভদগুলো একই তালিকাভুক্ত হযে় বিভ্রানি্তর সৃষি্ট করবে।
৬. তালিকাভুক্ত উদি্ভদগুলোর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য সম্পরে্ক জানা যাবে না। মোটকথা শে্রণিবিন্যাসের ভিতি্ততে তালিকা তৈরি না করলে তালিকাটি শুধু একটি তালিকাই থেকে যাবে। এর দ্বারা কোনো ধরনের সুবিধা বা
কাঙি্ক্ষত উদে্দশ্য অরি্জত হবে না
সারকথা শে্রণিবিন্যাসের ভিতি্ততে তালিকা না করলে এ বিশাল ও বৈচিত্র্যময় উদি্ভদ জগতকে সহজভাবে অল্প সমযে় এবং অল্প আয়াসে সঠিকভাবে জানা ও সংরক্ষণ সন্ডব হবে না।
মূলকথা : শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তালিকা না করলে এ বিশাল ও বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ জগতকে সহজভাবে অল্প সময়ে এবং অল্প আয়াসে সঠিকভাবে জানা ও সংরক্ষণ সম্ভব হবে না।
৪। বর্ণনামূলক প্রশ্ন ৫×২ =১০
ক। নিউক্লিয়াস কাকে বলে?নিউক্লিয়াসের চিত্র অংকন কর। এর গঠন ও কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা কর? 5
প্রোটোপ্লাজমের সবচেয়ে ঘন, পর্দাঘেরা এবং প্রায় গোলাকার অংশকে নিউক্লিয়াস বলে। এটি কোষের সব জৈবনিক ক্রিয়া বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। নিম্নলিখিত চারটি অংশ নিয়ে নিউক্লিয়াস(Nucleus) গঠিত হয় –
১. নিউক্লিয়ার এনভেলপ
২. নিউক্লিয়োপ্লাজম
৩. নিউক্লিয়োলাস
৪. নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম
নিউক্লিয়াস দুটি দ্বিস্তরী মেমব্রেন দ্বারা আবৃত স্থান। প্রতিটি মেমব্রেন দ্বিস্তরী ফসফোলিপিড বাইলেয়ার দ্বারা গঠিত। নিউক্লিয়ার এনভেলপে(Nuclear Envelop) সর্বদাই বিশেষ ধরনের অসংখ্য ছিদ্র থাকে যা অন্যান্য আবরণীতে থাকে না। প্রতিটি ছিদ্র সংকোচন-প্রসারণশীল একটি প্রোটিন নেটওয়ার্ক দ্বারা এর সংকোচন-প্রসারণ নিয়ন্ত্রিত হয়। ছিদ্রটিকে ঘিরে চারপাশে বৃত্তাকারে প্রোটিন গ্রানিউল থাকে এবং মাঝখানে একটি অপেক্ষাকৃত বড় আকারে প্রোটিন থাকে। একে ট্রান্সপোর্ট বলে। অ্যাংকর প্রোটিন দ্বারা ট্রান্সপোর্টার নিউক্লিয়ার এনভেলপের সাথে সংযুক্ত থাকে। বৃত্তাকার প্রোটিনগুলো স্পক দ্বারা সংযুক্ত থাকে। মোট ৮ টি প্রোটিন গ্রানিউল দ্বারা ছিদ্রটি নিয়ন্ত্রিত। নিউক্লিয়ার এনভেলপের (Nuclear Envelop) ভেতর হতে উৎপন্ন ফোস্কাকে নিউক্লিয়ার ফোস্কা বলে।
অভ্যন্তরীণ দ্রব্য ও বহিস্থ সাইটোপ্লাজমের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা ও পরিবহন করা।
সাইটোপ্লাজম হতে নিউক্লিয়োপ্লাজম, নিউক্লিয়োলাস এবং ক্রোমাটিন জালিকাকে পৃথক করা এবং সংরক্ষণ করা।
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের সাথে যুক্ত হয়ে নিউক্লিয়াসের অবস্থানকে দৃঢ় করা।
অভ্যন্তরে উৎপন্ন উপাদান রন্ধ্রের মাধ্যমে সাইটোপ্লাজমে পাঠানো।
নিউক্লিয়ার এনভেলপ (Nuclear Envelop) দ্বারা আবৃত স্বচ্ছ, ঘন ও দানাদার তরল পদার্থই নিউক্লিয়োপ্লাজম। নিউক্লিয়োলাস ও ক্রোমসোম এতে অবস্থান করে।
ক্রোমাটিন জালিকা ধারণ করা।
নিউক্লিয়োলাস ধারণ করা।
নিউক্লিয়াসের বিভিন্ন জৈবনিক কাজে সাহায্য করা।
এনজাইমের কার্যকলাপের মূল ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করা।
নিউক্লিয়াস যে ছোট ও অধিকতর ঘন গোলাকার বস্তু দেখা যায় তাই নিউক্লিয়োলাস।
নিউক্লিয়োলাস সাধারণত নির্দিষ্ট ক্রোমোসোমের একটি নির্দিষ্ট স্থানে লাগানো থাকে। ক্রোমোসোমের যে স্থানটিতে এটি লাগানো থাকে সে স্থানটিকে বলা হয় SAT বা স্যাটেলাইট।
প্রতি নিউক্লিয়াস এর (Nucleus) সাধারণত একটি নিউক্লিয়োলাস থাকে। সাধারণত যে সব কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণ হয় না সেসব কোষের নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয়োলাস থাকে না। যেসব কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণ বেশি পরিমাণে হয় সেসব কোষের নিউক্লিয়াসে একাধিক নিউক্লিয়োলাস থাকতে পারে।
SAT ক্রোমোসোমের স্যাটেলাইটে অবস্থিত জিন নিউক্লিয়োলাস উৎপাদনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে বলে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
এর কোনো ঝিল্লি আবিষ্কৃত হয়নি। নিউক্লিয়োলাসকে সাধারণত তন্তুময়, দানাদার ও ম্যাট্রিক্স- এ তিন অংশে ভাগ করা যায়।
নিউক্লিয়োলাসের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো প্রোটিন, RNA এবং যৎসামান্য DNA।
বিভিন্ন প্রকার RNA সংশ্লেষণ করা।
প্রোটিন সংশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করা।
নিউক্লিওটাইডের ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করা।
নিউক্লিয়াসের(Nucleus) ভেতরে জালিকার আকারের কিছু তন্তু দেখা যায়। তন্তুঘটিত এই জালিকাকে নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম (Nuclear Reticulum) বা ক্রোমাটিন তন্তু বলা হয়। প্রকৃতপক্ষে DNA এবং এর সাথে সাথী প্রোটিনের মিলিত তন্তুই ক্রোমাটিন।
রাসায়নিকভাবে প্রতিটি ক্রোমোসোম DNA, RNA, হিস্টোন ও নন-হিস্টোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত। এ ছাড়া কিছু ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ধাতু আছে।
(i) বংশগতির বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করা।
(ii) মিউটেশন, প্রকরণ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজেও মুখ্য ভূমিকা পালন করা।
খ। শ্রেণিবিন্যাস এর ধাপ সমূহ কারণ সহ বর্ণনা কর? 5
উত্তর : রাজা (Kingdom): Animalia; কারণ, সুকেন্দ্রিক কোষবিশিষ্ট, বহুকোষী, পরভোজী এবং জটিল টিস্যুতন্ত্র আছে।
পর্ব (Phylum): Chordata; কারণ, জীবনের কোনো এক পর্যায়ে নটোকর্ড থাকে।
শ্রেণি (Class): Mammalia; কারণ, বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ায় এবং লোম/চুল আছে।
বর্গ (Order): Primate; কারণ, আঁকড়ে ধরার উপযোগী হাত এবং ঘ্রাণ অপেক্ষা দৃষ্টিশক্তি বেশি উন্নত।
গোত্র (Family): Hominidae; কারণ, শিম্পাঞ্জি, গরিলা, বানর প্রভৃতির সাথে সাদৃশ্য আছে।
গণ (Genus): Homo; কারণ, দেহের অনুপাতে মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড় এবং খাড়াভাবে দুই পায়ে হাঁটতে পারে।
প্রজাতি (Species): Homo sapiens; কারণ, চওড়া এবং খাড়া কপাল, খুলির হাড় Homo গণের অন্য প্রজাতির তুলনায় পাতলা এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উন্নত।
উত্তর :
আম — Mangifera indica
পাট — Corchorus capsularis
শাপলা — Nymphaea nouchali
গোলাপ — Rosa chinensis
মানুষ — Homo sapiens
মৌমাছি — Apis indica
জবা — Hibiscus rosa-sinensis
দোয়েল — Copsychus saularis
কাঁঠাল — Artocarpus heterophyllus
অতিরিক্ত
কামিনী — (বৈজ্ঞানিক নাম: Murraya paniculata
সুপারি গাছ — Areca catechu।
তাল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম: Borassus flabellifer।
ইংরেজি নামগুলি হলো doub palm, palmyra palm, tala palm, toddy palm, wine palm অথবা ice apple।
নিম (বৈজ্ঞানিক নাম: Azadirachta indica) একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
বকুল (বৈজ্ঞানিক নাম: Mimusops elengi) হচ্ছে মিনাসপ্স্ (Minasops) প্রজাতির একটি ফুল